অভিষেকেই সেঞ্চুরি

লেখক:

সৈয়দ আজিজুল হক

সুখের কাছে বসবাস
তুষার কণা খোন্দকার

পাঠসূত্র
ঢাকা, ২০১২

২০০ টাকা

গল্প রচনার আধুনিক রীতি-পদ্ধতিকে অঙ্গীকার করেই নবীন এই লেখকের যাত্রা শুরু হয়েছে। গল্পদেহের পরতে পরতে তিনি বিছিয়ে রেখেছেন তাঁর সম্ভাবনার সকল ইঙ্গিত। কি বিষয়গত বৈভবে, কি কাহিনি বয়ানে, কি চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে, কি উপমা চয়নে, কি ব্যঞ্জনাধর্মী ভাষা সৃজনে – সর্বত্রই তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁর গল্পপাঠে কখনো মনে হয় না তিনি একজন নবীন লেখক। একজন প্রতিশ্র“তিশীল কথাশিল্পীর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারমুক্ত আধুনিক মনের যেমন তিনি অধিকারী, তেমনি তাঁর অভিজ্ঞতার বিস্তারও বিপুল। সভ্যতার আলোহীন বাংলার গ্রামীণজীবন থেকে ইউরোপের সর্বাধুনিক নগর পর্যন্ত তা বিস্তৃত। অভিজ্ঞতার এই বিপুল ভাণ্ডারে যেমন প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের জীবন ও সংস্কৃতি গভীরভাবে মিলিত হয়েছে, তেমনি তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জীবন ও জগৎ তথা সমাজ-রাষ্ট্র-রাজনীতি-অর্থনীতি ও ধর্ম সম্পর্কে এক সুগভীর প্রাগ্রসর চেতনা। মুক্তবুদ্ধির স্বচ্ছ অনুপ্রেরণাই তাঁর সহায়।
দশটি গল্প নিয়ে প্রকাশিত সুখের কাছে বসবাস তুষার কণা খন্দকারের প্রথম গ্রন্থ। এতে রিকশাচিত্রীদের নিয়েই কেবল রয়েছে দুটি গল্প। তাছাড়া বাকি আটটি গল্পের প্রতিটিই বিষয়গত বৈচিত্র্যে স্বতন্ত্র। এই স্বাতন্ত্র্যের মধ্যেই প্রাধান্য অর্জন করেছে নারী-পুরুষের সম্পর্কের বৈশিষ্ট্যটি। একই সঙ্গে গুরুত্ব লাভ করেছে নারীর জীবনবোধ, জীবন-অভীপ্সা, তার দাম্পত্য জীবন ও ওই জীবনের সংকট এবং ধর্মীয় চেতনা-ঊর্ধ্ব তার ইন্দ্রিয়পরবশতা। আর এই সবকিছুর মধ্যে দিয়ে লেখক প্রয়াসী হয়েছেন নারীর মর্যাদা ও মর্যাদাহীনতাসহ তার স্বাধীন ক্ষেত্রটি চিহ্নিত করতে। প্রথম গল্পের শিরোনাম থেকেই তা আঁচ করা যায়। গল্পের নাম ‘আদি থেকে ভাসমান’। সমস্তটাই একটা রূপক। রমনা পার্কে দেখা এক ভাসমান পতিতার গল্প বলতে গিয়ে তিনি আদি নারী ইভের গন্দম ফল ভক্ষণ ও ইডেনচ্যুতির রূপক কাহিনিকে এর সঙ্গে যুক্ত করে ফেলেন। একজন ক্ষুধার বিনিময়ে সস্তায় লজ্জা বেচে দেয়, অন্যজন সৃষ্টির আদিতে স্বর্গের বিনিময়ে লজ্জা ছিনিয়ে আনে Ñ এই যা পার্থক্য। কিন্তু আদিকাল থেকে তার ভাসমান অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ-গল্পে নারীজীবনের যে-সত্য উন্মোচিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে অবহেলা ও বঞ্চনাবোধের এক গভীরতর যন্ত্রণা। লেখক আদি নারীর সঙ্গে একই ফ্রেমে পতিতা নারীকে ধারণ করে সেই যন্ত্রণারূপ সত্যকেই যেন বিদ্রƒপবাণে জর্জরিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি। প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে নারীর শুদ্ধরূপকে অনুধাবন করতেও আগ্রহী। কয়েকটি বক্রোক্তিমূলক জিজ্ঞাসার মধ্যে লেখক প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন এক নতুনতর সত্য। প্রশ্নগুলো এরকম : ‘মেয়েটার কি একটি মন আছে?’ ‘পতিতা মেয়ের মনটা কি এখনো কুমারী?’ ‘ওর কুমারী মনটার সঙ্গে মেয়েটার নষ্ট শরীরের দূরত্ব কত?’ এসব প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে উত্তরের মর্ম।
‘ক্ষুধা’ গল্পে চিত্রিত হয়েছে ঢাকা শহরের বস্তিবাসী এক নারীর অসংগত ইন্দ্রিয়পরায়ণতার কাহিনি। বিধবা তরুণী পুত্রবধূকে সচ্চরিত্রে একনিষ্ঠ রাখাই যেখানে শাশুড়ির কর্তব্য বলে সংগত, সেখানে শাশুড়ি নিজেই তার প্রণয়াস্পদের প্রতি তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়ে। তবে এক্ষেত্রে লেখকের সঙ্গে পুত্রবধূও শাশুড়ির এরূপ প্রণয়াকাক্সক্ষার প্রতি সহানুভূতিশীল ও মানবিক। ‘নিখাদ’ গল্পেও আমরা এক শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাহিনি পাই। পটভূমি যদিও গ্রাম। পুত্র এখানে জীবিত, বিদেশে কর্মরত। প্রবাসী পুত্রের অবর্তমানে পুত্রবধূকে পরপুরুষ-আসক্তি থেকে নিবৃত্ত করার প্রাণপণ প্রচেষ্টার মধ্যেই শাশুড়ির মনে জাগ্রত হয় নিজ পুত্রের জন্মরহস্যের স্মৃতি। স্বামীর পরনারী-আসক্তির পটভূমিতে এই নারীও গর্ভে ধারণ করেছিল পরপুরুষের বীজ। সেই পরপুরুষটি ছিল নিজ বাড়িরই মুন্সি। স্রষ্টার দোহাই দিয়ে মুন্সি এ-কাজকে নীতিহীন ধর্মবিরোধী না বলে বরং যুক্তি দেখিয়েছিল, স্বামী তার স্ত্রীর জমিনে বীজ না বুনলে জমি পতিত পড়ে থাকে না। ঈশ্বরের কৃপায় সেখানে অন্যে বীজ বুনলে স্বামীর পক্ষে তাকে অস্বীকার করা অসম্ভব। এমন যুক্তিতে ওই নারীর শাশুড়িরও সায় ছিল। অতএব বর্তমান শাশুড়িও শেষ পর্যন্ত তার পুত্রবধূকে ‘দখিনা হাওয়ায় প্রাণ জুড়ানোর’ পরামর্শ দেয়। লোকায়ত নারীজীবনে বংশানুক্রমিকভাবে অব্যাহত এই বাস্তবতাকে লেখক যখন একাধিক গল্পে চিত্রিত করেন তখন মনে হয়, এর মধ্য দিয়ে তিনি পুরুষতন্ত্রের বঞ্চনার শিকার নারীজীবনের কোনো সর্বজনীন সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে চান। লেখক দেখিয়েছেন, সামাজিক ও ধর্মীয় নৈতিকতার বাঁধন মানুষের গোপন জীবনধারায় বড়ই শিথিল। নারী তার বিবাহবহির্ভূত পুরুষসংসর্গের মধ্যে যখন গৌরব খুঁজে পায় তখন ধর্মীয় দিক থেকে থাকে সংস্কারমুক্ত এবং কোনো প্রকার পাপবোধতাড়িত হয় না।
বাংলাদেশের লোকায়ত সমাজের এই জীবনবোধই যেন অনুরণিত হয় ইউরোপীয় সমাজে। বার্মিংহাম শহরের এক তরুণীর নৈঃসঙ্গ্যবোধের চিত্র আঁকা হয়েছে ‘শূন্য’ গল্পে। একই সঙ্গে বন্ধুবিহীন জীবনের শূন্যতাবোধ কীভাবে বসন্তের আগমনে নতুন বন্ধু সংসর্গে কেটে গিয়ে আষাঢ়ের নদীর মতো আনন্দজলে পূর্ণ হয়ে ওঠে তারও রূপ চিত্রিত হয়েছে এ-গল্পে।
প্রথাগত ধর্মের নামেই নানা যুক্তি ও কুযুক্তির আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে আমাদের সমাজ-সংসারের পরিবেশ। আধুনিক শিক্ষা ও রুচির সঙ্গে এই প্রাচীন মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব চলছে বিরামহীনভাবে। এক স্বামীর রক্ষণশীল মনোভাবের প্রকাশে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে ‘নগরবন্দী’ গল্পটি। চাকুরে স্ত্রীর সংসারে বেকার স্বামী অর্থনৈতিক আধিপত্য বিস্তারে অসমর্থ হলেও ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারপুষ্ট মধ্যযুগীয় চিন্তা-চেতনা দ্বারা পারিবারিক পরিবেশকে কলুষিত করতে সমর্থ। তার স্ত্রী তিন কন্যাসন্তানের মা। স্বামীর পশ্চাৎপদ দৃষ্টিতে, পুত্রসন্তানের মা না-হওয়া যে-কোনো নারীর জন্য অভিশাপস্বরূপ। উপরন্তু কন্যাদের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে শিক্ষাদানের মাধ্যমে তাদের বিধর্মীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে তার স্ত্রী পাপাচারে লিপ্ত – এমন রক্ষণশীল মনোভাবেও আক্রান্ত এই স্বামী। এভাবেই ধর্মীয় গোঁড়ামির সঙ্গে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এ-গল্পে মিলেমিশে একাকার। বাংলাদেশে নারীর প্রতি পুরুষের প্রথাগত ধর্মকেন্দ্রিক জীবনদৃষ্টির প্রতিনিধিত্বমূলক গল্প হিসেবে ‘নগরবন্দী’ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক বিশ্বের বিপুল অগ্রসরতার পটভূমিতে আমাদের গ্রামজীবনের চেতনাগত পশ্চাৎপদতা কোন তিমিরে অবস্থান করছে – এ-গল্প পাঠ থেকে তা উপলব্ধি করা যায়।
‘দিন-রাতের হিসাব-নিকাশ’ ও ‘মরাকটাল’ গল্পে চিত্রিত হয়েছে শিক্ষিত উচ্চবিত্তের জীবনধারা। প্রথমটিতে করপোরেট শিল্পে কর্মরত এক বাঙালি নারীর দ্রুতবেগে চলমান প্রাত্যহিক জীবনপ্রবাহের কষ্টকর অনুভূতির সঙ্গে ওই শিল্পের সংকটের রূপটিও চিত্রিত; যেখানে মানুষ হয়ে ওঠে কেবল মুদ্রার দাস, মানবিক অনুভূতি-বিবর্জিত। আর ‘মরাকটাল’ গল্পে বয়সের ভারে আবেগহীন দাম্পত্য জীবনের চিত্র রচনার পাশাপাশি লেখক নারী-পুরুষের রুচিগত ভিন্নতাকেও সুস্পষ্ট করেছেন।
‘কাশবনের ধারে সিনারির বাড়ি’ ও ‘রঙের গভীরে আরেক রং’ গল্পদ্বয়ে নির্দেশিত হয়েছে একই নামের দুই রিকশাচিত্রী মকবুল ও সোহেলের শিল্পের প্রতি ভালোবাসার স্বরূপ। প্রথমটিতে এই ভালোবাসা গল্পের পরিণামে বৃদ্ধ মালিকের তরুণী ভার্যাকে আশ্রয় করলে সোহেল ওই নারীকে নিয়ে নিরুদ্দেশগামী হয়। দ্বিতীয় গল্পে এই ভালোবাসার সমান্তরালে অগ্রসর হয় বস্তিবাসীর জীবনে সুরাপানসহ গুণ্ডা-মালিকের নারী-সম্ভোগের সাধারণ বাস্তবতা।
‘সুখের কাছে বসবাস’ নামের দীর্ঘতম গল্পটিতে লেখক বাংলার গ্রামীণজীবনের নিরক্ষর পরিবেশের বিচিত্রমুখী জটিলতাকে চিত্রিত করতে গিয়ে তাদের বিষয়গত উন্নতির নানা অসৎ অবৈধ পথ-পদ্ধতির মুখোশ যেমন উন্মোচন করেন, তেমনি তারই পরিপ্রেক্ষিতে নর-নারীর বা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের সামাজিক ও ধর্মীয় নীতি-নৈতিকতা-ঊর্ধ্ব বাস্তবতাকেও সম্পূর্ণ নিরাসক্তভাবে পাঠকের সামনে মেলে ধরেন।
এ-গ্রন্থে গ্রাম কিংবা শহুরে বস্তির অশিক্ষিত জীবনে নারী-পুরুষের সম্পর্কের যে-রূপ চিত্রিত হয়েছে তাতে ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের চেয়ে ব্যক্তি অভিরুচিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। তবে এর বিপরীতে উচ্চশিক্ষিত পরিবেশের ভিন্নতাকেও লেখক বিস্মৃত হননি। তবে এ-গ্রন্থের সার্থকতা বিষয়গত বৈভবের চেয়েও নির্মাণশৈলীর সৌকর্যের মধ্যে নিহিত। প্রতিটি গল্পের ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপট সৃষ্টিতে যেমন লেখকের দক্ষতা রয়েছে, তেমনি চরিত্রের মনস্তত্ত্ব উন্মোচনেও লেখক স্বীয় অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নিজের সূক্ষ্মতর সংবেদনশীল অনুভূতিকে ব্যবহার করেছেন। এরূপ উন্মোচনে সবচেয়ে বেশি সহায়ক হয়েছে লেখকের ভাষা। ভাষা সৃজনে প্রথম গ্রন্থেই লেখক যে-সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন তা সামান্য নয়। একজন কথাশিল্পীর  সার্থকতার শর্তই হলো প্রতিটি চরিত্রের স্বাতন্ত্র্যকে পরিস্ফুট করা। এক্ষেত্রে ভাষা হলো বড় সহায়ক শক্তি। প্রতিটি চরিত্রের উপযোগী স্বতন্ত্র ভাষাবৈশিষ্ট্য নির্মাণের মধ্যেই একজন কথাকারের সাফল্য নিহিত। এ-গ্রন্থে আমরা দেখি, সংলাপের ভাষায় লেখক চরিত্রের শ্রেণিবৈশিষ্ট্য ও ভৌগোলিক অবস্থানের স্বাতন্ত্র্যকে পরিস্ফুটিত করতে সমর্থ হয়েছেন। বস্তির অশিক্ষিত কর্মজীবী নারী, গ্রামের অশিক্ষিত বঞ্চিত গৃহস্থ বধূ, স্বামীর অবর্তমানে পরপুরুষাসক্ত নারী, স্বামীর অপৌরুষের বিরুদ্ধে সর্বসমক্ষে অভিযোগ উত্থাপনকারী অন্যাসক্ত নারী, গ্রামের কর্মবিমুখ বাউন্ডুলে পুরুষ, বন্দরের বেশ্যাসক্ত স্বামী, পশ্চাৎপদ মানসিকতায় আচ্ছন্ন বেকার স্বামী, করপোরেট সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পিএইচ.ডিধারী কলেজ অধ্যাপক, শহুরে শিক্ষিত প্রৌঢ় স্বামী, ধর্মের নামে বহুবিবাহে আগ্রহী নিরক্ষর হঠাৎ-ধনী পুরুষ, রিকশাচিত্রী, মেকানিক, মুহুরি, মুন্সি প্রভৃতি বিচিত্র চরিত্রকে লেখক তাদের নিজ নিজ ভাষাভঙ্গির মাধ্যমে পৃথকীভূত করেছেন। এছাড়া লেখকের শক্তির পরিচয় রয়েছে উপমা সৃষ্টিতে এবং ভাষার ব্যঞ্জনাময় উপস্থাপনে। কয়েকটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে :
তার গলা এখন ম্যাদা মারা মুড়ির মতো নরম। (পৃ ৪৭)
বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ডক্টর রওশন আরার কথাবার্তা বুড়া দামড়া গরুর মাংসের মতো রুঠা হয়ে উঠবে, এটাই স্বাভাবিক। (পৃ ৫৩)
গলগলে ঘৃণা ওর সারা শরীরে নলি সাপের বাচ্চার মতো কিলবিল করে ছুটে বেড়াচ্ছে। (পৃ ৬২)
সিংহের মুখের দিকে একটানা চেয়ে থাকতে থাকতে একসময় সিংহের মুখ অবলীলায় আবছায়ায় মিলিয়ে যায়। সেখানে ভেসে আসে বাপজানের মুখ। আশরাফ দেখে, সাভানার ঘাসে পা এলানো বাপজানের সুখী মুখে সকালের নরম রোদ। (পৃ ৬৭)
শক্ত জেদের সঙ্গে মিশে খুব তাতানো কোনো কথা তার শরীরে স্পষ্ট ফণা ধরে আছে। (পৃ ৬৯)
পেছনে ফেলে আসা পুরনো সময় নিজে থেকে দুই পায়ে শব্দ তুলে অবলীলায় লায়লার শোবার ঘরে চলে আসে।  (পৃ ৮২)
শব্দহীন সময় নিশ্চল ভার হয়ে বাড়িটার বুকজুড়ে চেপে বসে আছে। (পৃ ৮২)

লেখক কাহিনি বয়ানে প্রায়শ আত্মকথনরীতির দ্বারস্থ হয়েছেন। ফ্রয়েডীয় মনোবিশ্লেষণের পথ ধরে বিশ শতকের কথাশিল্পে কাহিনিবিন্যাসের ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে প্রচলিত চেতনাপ্রবাহ রীতির অংশ এটি। এই রীতিতে মনোবিশ্লেষণের সুযোগ থাকে প্রচুর। এই প্রক্রিয়ায় লেখকের দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে ব্যক্তিমনের গভীরে। বহির্বাস্তবের বর্তমানকে এড়িয়ে কল্পনার সীমাহীন বিস্তার সাধন  এর ফলে সম্ভব হয়। এই গল্পগ্রন্থ পাঠ করে আমরা লেখকের সামগ্রিক আধুনিক জীবনবীক্ষার সঙ্গে পরিচিত হই। গ্রন্থটির বহুল প্রচার তাই একান্তভাবে কাম্য। গল্পগুলোর শেষে প্রথম প্রকাশকালের উল্লেখ থাকলে ভালো হতো।

Awf‡l‡KB †mÂzwi

ˆmq` AvwRRyj nK

 

my‡Li Kv‡Q emevm

Zzlvi KYv †Lv›`Kvi

 

cvVm~Î

XvKv, 2012

 

200 UvKv   

 

 

Mí iPbvi AvaywbK ixwZ-c×wZ‡K A½xKvi K‡iB bexb GB †jL‡Ki hvÎv ïi“ n‡q‡Q| Mí‡`‡ni ci‡Z ci‡Z wZwb wewQ‡q †i‡L‡Qb Zuvi m¤¢vebvi mKj Bw½Z| wK welqMZ ˆef‡e, wK Kvwnwb eqv‡b, wK Pwi‡Îi gb¯—vwË¡K we‡k­l‡Y, wK Dcgv Pq‡b, wK e¨Äbvagx© fvlv m„R‡b Ñ me©ÎB wZwb mvd‡j¨i ¯^v¶i †i‡L‡Qb| Zuvi Mícv‡V KL‡bv g‡b nq bv wZwb GKRb bexb †jLK| GKRb cÖwZkÖ“wZkxj K_vwkíxi Rb¨ cÖ‡qvRbxq ms¯‹vigy³ AvaywbK g‡bi †hgb wZwb AwaKvix, †Zgwb Zuvi AwfÁZvi we¯—viI wecyj| mf¨Zvi Av‡jvnxb evsjvi MÖvgxYRxeb †_‡K BD‡iv‡ci me©vaywbK bMi ch©š— Zv we¯—…Z| AwfÁZvi GB wecyj fvÊv‡i †hgb cÖvP¨ I cvðv‡Z¨i Rxeb I ms¯‹…wZ Mfxifv‡e wgwjZ n‡q‡Q, †Zgwb Zvi m‡½ hy³ n‡q‡Q Rxeb I RMr Z_v mgvR-ivóª-ivRbxwZ-A_©bxwZ I ag© m¤ú‡K© GK myMfxi cÖvMÖmi †PZbv| gy³eyw×i ¯^”Q Aby‡cÖiYvB Zuvi mnvq|

`kwU Mí wb‡q cÖKvwkZ my‡Li Kv‡Q emevm Zzlvi KYv L›`Kv‡ii cÖ_g MÖš’| G‡Z wiKkvwPÎx‡`i wb‡qB †Kej i‡q‡Q `ywU Mí| ZvQvov evwK AvUwU M‡íi cÖwZwUB welqMZ ˆewP‡Î¨ ¯^Zš¿| GB ¯^vZ‡š¿¨i g‡a¨B cÖvavb¨ AR©b K‡i‡Q bvix-cyi“‡li m¤ú‡K©i ˆewkó¨wU| GKB m‡½ ¸i“Z¡ jvf K‡i‡Q bvixi Rxeb‡eva, Rxeb-Afxáv, Zvi `v¤úZ¨ Rxeb I IB Rxe‡bi msKU Ges agx©q †PZbv-EaŸ© Zvi Bw›`ªqciekZv| Avi GB mewKQyi g‡a¨ w`‡q †jLK cÖqvmx n‡q‡Qb bvixi gh©v`v I gh©v`vnxbZvmn Zvi ¯^vaxb †¶ÎwU wPwýZ Ki‡Z| cÖ_g M‡íi wk‡ivbvg †_‡KB Zv AuvP Kiv hvq| M‡íi bvg ÔAvw` †_‡K fvmgvbÕ| mg¯—UvB GKUv iƒcK| igbv cv‡K© †`Lv GK fvmgvb cwZZvi Mí ej‡Z wM‡q wZwb Avw` bvix B‡fi M›`g dj f¶Y I B‡WbPz¨wZi iƒcK Kvwnwb‡K Gi m‡½ hy³ K‡i †d‡jb| GKRb ¶zavi wewbg‡q m¯—vq j¾v †e‡P †`q, Ab¨Rb m„wói Avw`‡Z ¯^‡M©i wewbg‡q j¾v wQwb‡q Av‡b Ñ GB hv cv_©K¨| wKš‘ Avw`Kvj †_‡K Zvi fvmgvb Ae¯’vi †Kv‡bv cwieZ©b nqwb| G-M‡í bvixRxe‡bi †h-mZ¨ D‡b¥vwPZ n‡q‡Q Zvi g‡a¨ i‡q‡Q Ae‡njv I eÂbv‡ev‡ai GK MfxiZi hš¿Yv| †jLK Avw` bvixi m‡½ GKB †d«‡g cwZZv bvix‡K aviY K‡i †mB hš¿Yviƒc mZ¨‡KB †hb we`ªƒcev‡Y RR©wiZ K‡i‡Qb| GKB m‡½ wZwb| cÖ_vMZ `„wófw½i evB‡i wM‡q bvixi ï×iƒc‡K Abyaveb Ki‡ZI AvMÖnx| K‡qKwU e‡µvw³g~jK wRÁvmvi g‡a¨ †jLK cÖwZôv Ki‡Z †P‡q‡Qb GK bZzbZi mZ¨| cÖkœ¸‡jv GiKg : Ô†g‡qUvi wK GKwU gb Av‡Q?Õ ÔcwZZv †g‡qi gbUv wK GL‡bv Kzgvix?Õ ÔIi Kzgvix gbUvi m‡½ †g‡qUvi bó kix‡ii `~iZ¡ KZ?Õ Gme cÖ‡kœi g‡a¨B jywK‡q Av‡Q Dˇii gg©|

Ô¶zavÕ M‡í wPwÎZ n‡q‡Q XvKv kn‡ii ew¯—evmx GK bvixi AmsMZ Bw›`ªqcivqYZvi Kvwnwb| weaev Zi“Yx cyÎea~‡K m”Pwi‡Î GKwbô ivLvB †hLv‡b kvïwoi KZ©e¨ e‡j msMZ, †mLv‡b kvïwo wb‡RB Zvi cÖYqv¯ú‡`i cÖwZ Z…òvq KvZi n‡q c‡o| Z‡e G‡¶‡Î †jL‡Ki m‡½ cyÎea~I kvïwoi Giƒc cÖYqvKv•¶vi cÖwZ mnvbyf~wZkxj I gvbweK| ÔwbLv`Õ M‡íI Avgiv GK kvïwo I cyÎea~i Kvwnwb cvB| cUf~wg hw`I MÖvg| cyÎ GLv‡b RxweZ, we‡`‡k Kg©iZ| cÖevmx cy‡Îi AeZ©gv‡b cyÎea~‡K cicyi“l-Avmw³ †_‡K wbe„Ë Kivi cÖvYcY cÖ‡Póvi g‡a¨B kvïwoi g‡b RvMÖZ nq wbR cy‡Îi Rb¥in‡m¨i ¯§„wZ| ¯^vgxi cibvix-Avmw³i cUf~wg‡Z GB bvixI M‡f© aviY K‡iwQj cicyi“‡li exR| †mB cicyi“lwU wQj wbR evwoiB gywÝ| mªóvi †`vnvB w`‡q gywÝ G-KvR‡K bxwZnxb ag©we‡ivax bv e‡j eis hyw³ †`wL‡qwQj, ¯^vgx Zvi ¯¿xi Rwg‡b exR bv eyb‡j Rwg cwZZ c‡o _v‡K bv| Ck¦‡ii K…cvq †mLv‡b A‡b¨ exR eyb‡j ¯^vgxi c‡¶ Zv‡K A¯^xKvi Kiv Am¤¢e| Ggb hyw³‡Z IB bvixi kvïwoiI mvq wQj| AZGe eZ©gvb kvïwoI †kl ch©š— Zvi cyÎea~‡K Ô`wLbv nvIqvq cÖvY Ryov‡bviÕ civgk© †`q| †jvKvqZ bvixRxe‡b eskvbyµwgKfv‡e Ae¨vnZ GB ev¯—eZv‡K †jLK hLb GKvwaK M‡í wPwÎZ K‡ib ZLb g‡b nq, Gi ga¨ w`‡q wZwb cyi“lZ‡š¿i eÂbvi wkKvi bvixRxe‡bi †Kv‡bv me©Rbxb mZ¨‡K cÖwZôv Ki‡Z Pvb| †jLK †`wL‡q‡Qb, mvgvwRK I agx©q ˆbwZKZvi euvab gvby‡li †Mvcb Rxebavivq eoB wkw_j| bvix Zvi weevnewnf©~Z cyi“lmsm‡M©i g‡a¨ hLb †MŠie Luy‡R cvq ZLb agx©q w`K †_‡K _v‡K ms¯‹vigy³ Ges †Kv‡bv cÖKvi cvc‡evaZvwoZ nq bv|

evsjv‡`‡ki †jvKvqZ mgv‡Ri GB Rxeb‡evaB †hb AbyiwYZ nq BD‡ivcxq mgv‡R| evwg©snvg kn‡ii GK Zi“Yxi ˆbtm½¨‡ev‡ai wPÎ AuvKv n‡q‡Q Ôk~b¨Õ M‡í| GKB m‡½ eÜzwenxb Rxe‡bi k~b¨Zv‡eva Kxfv‡e em‡š—i AvMg‡b bZzb eÜz msm‡M© †K‡U wM‡q Avlv‡pi b`xi g‡Zv Avb›`R‡j c~Y© n‡q I‡V ZviI iƒc wPwÎZ n‡q‡Q G-M‡í| 

cÖ_vMZ a‡g©i bv‡gB bvbv hyw³ I Kzhyw³i Ave‡Z© NyicvK Lv‡”Q Avgv‡`i mgvR-msmv‡ii cwi‡ek| AvaywbK wk¶v I i“wPi m‡½ GB cÖvPxb g~j¨‡ev‡ai Ø›Ø Pj‡Q weivgnxbfv‡e| GK ¯^vgxi i¶Ykxj g‡bvfv‡ei cÖKv‡k Zvrch©c~Y© n‡q D‡V‡Q ÔbMie›`xÕ MíwU| PvKz‡i ¯¿xi msmv‡i †eKvi ¯^vgx A_©‰bwZK AvwacZ¨ we¯—v‡i Amg_© n‡jI agx©q I mvgvwRK ms¯‹vicyó ga¨hyMxq wPš—v-†PZbv Øviv cvwievwiK cwi‡ek‡K KjywlZ Ki‡Z mg_©| Zvi ¯¿x wZb Kb¨vmš—v‡bi gv| ¯^vgxi cðvrc` `„wó‡Z, cyÎmš—v‡bi gv bv-nIqv †h-†Kv‡bv bvixi Rb¨ Awfkvc¯^iƒc| Dciš‘ Kb¨v‡`i Bs‡iwR gva¨‡gi ¯‹z‡j wk¶v`v‡bi gva¨‡g Zv‡`i weagx©q ms¯‹…wZi m‡½ mswk­ó K‡i Zvi ¯¿x cvcvPv‡i wjß – Ggb i¶Ykxj g‡bvfv‡eI Avµvš— GB ¯^vgx| Gfv‡eB agx©q †Muvovwgi m‡½ cyi“lZvwš¿K `„wófw½ G-M‡í wg‡jwg‡k GKvKvi| evsjv‡`‡k bvixi cÖwZ cyi“‡li cÖ_vMZ ag©‡Kw›`ªK Rxeb`„wói cÖwZwbwaZ¡g~jK Mí wn‡m‡e ÔbMie›`xÕ wbtm‡›`‡n ¸i“Z¡c~Y©| AvaywbK we‡k¦i wecyj AMÖmiZvi cUf~wg‡Z Avgv‡`i MÖvgRxe‡bi †PZbvMZ cðvrc`Zv †Kvb wZwg‡i Ae¯’vb Ki‡Q – G-Mí cvV †_‡K Zv Dcjwä Kiv hvq| 

Ôw`b-iv‡Zi wnmve-wbKvkÕ I ÔgivKUvjÕ M‡í wPwÎZ n‡q‡Q wkw¶Z D”Pwe‡Ëi Rxebaviv| cÖ_gwU‡Z Ki‡cv‡iU wk‡í Kg©iZ GK evOvwj bvixi `ª“Z‡e‡M Pjgvb cÖvZ¨wnK RxebcÖev‡ni KóKi Abyf~wZi m‡½ IB wk‡íi msK‡Ui iƒcwUI wPwÎZ; †hLv‡b gvbyl n‡q I‡V †Kej gy`ªvi `vm, gvbweK Abyf~wZ-weewR©Z| Avi ÔgivKUvjÕ M‡í eq‡mi fv‡i Av‡eMnxb `v¤úZ¨ Rxe‡bi wPÎ iPbvi cvkvcvwk †jLK bvix-cyi“‡li i“wPMZ wfbœZv‡KI my¯úó K‡i‡Qb|

ÔKvke‡bi av‡i wmbvwii evwoÕ I Ôi‡Oi Mfx‡i Av‡iK isÕ Mí؇q wb‡`©wkZ n‡q‡Q GKB bv‡gi `yB wiKkvwPÎx gKeyj I †mv‡n‡ji wk‡íi cÖwZ fv‡jvevmvi ¯^iƒc| cÖ_gwU‡Z GB fv‡jvevmv M‡íi cwiYv‡g e„× gvwj‡Ki Zi“Yx fvh©v‡K Avkªq Ki‡j †mv‡nj IB bvix‡K wb‡q wbi“‡ÏkMvgx nq| wØZxq M‡í GB fv‡jvevmvi mgvš—iv‡j AMÖmi nq ew¯—evmxi Rxe‡b myivcvbmn ¸Êv-gvwj‡Ki bvix-m‡¤¢v‡Mi mvaviY ev¯—eZv|

Ômy‡Li Kv‡Q emevmÕ bv‡gi `xN©Zg MíwU‡Z †jLK evsjvi MÖvgxYRxe‡bi wbi¶i cwi‡e‡ki wewPÎgyLx RwUjZv‡K wPwÎZ Ki‡Z wM‡q Zv‡`i welqMZ DbœwZi bvbv Amr A‰ea c_-c×wZi gy‡Lvk †hgb D‡b¥vPb K‡ib, †Zgwb ZviB cwi‡cÖw¶‡Z bi-bvixi ev ¯^vgx-¯¿xi m¤ú‡K©i mvgvwRK I agx©q bxwZ-ˆbwZKZv-EaŸ© ev¯—eZv‡KI m¤ú~Y© wbivm³fv‡e cvV‡Ki mvg‡b †g‡j a‡ib|

 G-MÖ‡š’ MÖvg wKsev kû‡i ew¯—i Awkw¶Z Rxe‡b bvix-cyi“‡li m¤ú‡K©i †h-iƒc wPwÎZ n‡q‡Q Zv‡Z agx©q I mvgvwRK ms¯‹v‡ii †P‡q e¨w³ Awfi“wPB gyL¨ n‡q D‡V‡Q| Z‡e Gi wecix‡Z D”Pwkw¶Z cwi‡e‡ki wfbœZv‡KI †jLK we¯§„Z nbwb| Z‡e G-MÖ‡š’i mv_©KZv welqMZ ˆef‡ei †P‡qI wbg©vY‰kjxi †mŠK‡h©i g‡a¨ wbwnZ| cÖwZwU M‡íi wfbœ wfbœ †cÖ¶vcU m„wó‡Z †hgb †jL‡Ki `¶Zv i‡q‡Q, †Zgwb Pwi‡Îi gb¯—Ë¡ D‡b¥vP‡bI †jLK ¯^xq AwfÁZvi cvkvcvwk wb‡Ri m~²Zi ms‡e`bkxj Abyf~wZ‡K e¨envi K‡i‡Qb| Giƒc D‡b¥vP‡b me‡P‡q †ewk mnvqK n‡q‡Q †jL‡Ki fvlv| fvlv m„R‡b cÖ_g MÖ‡š’B †jLK †h-mvd‡j¨i ¯^v¶i †i‡L‡Qb Zv mvgvb¨ bq| GKRb K_vwkíxi mv_©KZvi kZ©B n‡jv cÖwZwU Pwi‡Îi ¯^vZš¿¨‡K cwiùzU Kiv| G‡¶‡Î fvlv n‡jv eo mnvqK kw³| cÖwZwU Pwi‡Îi Dc‡hvMx ¯^Zš¿ fvlv‰ewkó¨ wbg©v‡Yi g‡a¨B GKRb K_vKv‡ii mvdj¨ wbwnZ| G-MÖ‡š’ Avgiv †`wL, msjv‡ci fvlvq †jLK Pwi‡Îi †kªwY‰ewkó¨ I †fŠ‡MvwjK Ae¯’v‡bi ¯^vZš¿¨‡K cwiùzwUZ Ki‡Z mg_© n‡q‡Qb| ew¯—i Awkw¶Z Kg©Rxex bvix, MÖv‡gi Awkw¶Z ewÂZ M„n¯’ ea~, ¯^vgxi AeZ©gv‡b cicyi“lvm³ bvix, ¯^vgxi A‡cŠi“‡li wei“‡× me©mg‡¶ Awf‡hvM DÌvcbKvix Ab¨vm³ bvix, MÖv‡gi Kg©wegyL evDÛy‡j cyi“l, e›`‡ii †ek¨vm³ ¯^vgx, cðvrc` gvbwmKZvq Av”Qbœ †eKvi ¯^vgx, Ki‡cv‡iU ms¯’vi D”Pc`¯’ Kg©KZ©v, wcGBP.wWavix K‡jR Aa¨vcK, kû‡i wkw¶Z †cÖŠp ¯^vgx, a‡g©i bv‡g eûweev‡n AvMÖnx wbi¶i nVvr-abx cyi“l, wiKkvwPÎx, †gKvwbK, gyûwi, gywÝ cÖf„wZ wewPÎ Pwi·K †jLK Zv‡`i wbR wbR fvlvfw½i gva¨‡g c„_Kxf~Z K‡i‡Qb| GQvov †jL‡Ki kw³i cwiPq i‡q‡Q Dcgv m„wó‡Z Ges fvlvi e¨Äbvgq Dc¯’vc‡b| K‡qKwU D`vniY w`‡j welqwU ¯úó n‡e :

Zvi Mjv GLb g¨v`v gviv gywoi g‡Zv big| (c„ 47)

eq‡mi m‡½ cvj­v w`‡q W±i iIkb Avivi K_vevZ©v eyov `vgov Mi“i gvs‡mi g‡Zv i“Vv n‡q DV‡e, GUvB ¯^vfvweK| (c„ 53)

MjM‡j N„Yv Ii mviv kix‡i bwj mv‡ci ev”Pvi g‡Zv wKjwej K‡i Qy‡U †eov‡”Q| (c„ 62)

wms‡ni gy‡Li w`‡K GKUvbv †P‡q _vK‡Z _vK‡Z GKmgq wms‡ni gyL Aejxjvq AveQvqvq wgwj‡q hvq| †mLv‡b †f‡m Av‡m evcRv‡bi gyL| Avkivd †`‡L, mvfvbvi Nv‡m cv Gjv‡bv evcRv‡bi myLx gy‡L mKv‡ji big †iv`| (c„ 67)

k³ †R‡`i m‡½ wg‡k Lye ZvZv‡bv †Kv‡bv K_v Zvi kix‡i ¯úó dYv a‡i Av‡Q| (c„ 69)

†cQ‡b †d‡j Avmv cyi‡bv mgq wb‡R †_‡K `yB cv‡q kã Zz‡j Aejxjvq jvqjvi †kvevi N‡i P‡j Av‡m|  (c„ 82)

kãnxb mgq wbðj fvi n‡q evwoUvi eyKRy‡o †P‡c e‡m Av‡Q| (c„ 82)

 

†jLK Kvwnwb eqv‡b cÖvqk AvZ¥K_bixwZi Øvi¯’ n‡q‡Qb| d«‡qWxq g‡bvwe‡k­l‡Yi c_ a‡i wek kZ‡Ki K_vwk‡í Kvwnwbweb¨v‡mi †¶‡Î AvaywbK c×wZ wn‡m‡e cÖPwjZ †PZbvcÖevn ixwZi Ask GwU| GB ixwZ‡Z g‡bvwe‡k­l‡Yi my‡hvM _v‡K cÖPzi| GB cÖwµqvq †jL‡Ki `„wó wbe× _v‡K e¨w³g‡bi Mfx‡i| ewne©v¯—‡ei eZ©gvb‡K Gwo‡q Kíbvi mxgvnxb we¯—vi mvab  Gi d‡j m¤¢e nq| GB MíMÖš’ cvV K‡i Avgiv †jL‡Ki mvgwMÖK AvaywbK Rxebex¶vi m‡½ cwiwPZ nB| MÖš’wUi eûj cÖPvi ZvB GKvš—fv‡e Kvg¨| Mí¸‡jvi †k‡l cÖ_g cÖKvkKv‡ji D‡j­L _vK‡j fv‡jv n‡Zv|

সোশ্যাল মিডিয়া

নিউসলেটার