জীবনপঞ্জি

লেখক:

১৯৩৪             :   ৯ মার্চ, ফেনী, নোয়াখালিতে জন্ম।

১৯৪৯              :   প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

১৯৪৯-৫৪         :   গভর্নমেন্ট ইনস্টিটিউট অব আর্টস (বর্তমানে চারুকলা ইনস্টিটিউট) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ।

১৯৫১-৫২        :   লিটন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা আর্ট গ্রুপের প্রদর্শনী।

১৯৫৪              :   বর্ধমান হাউস ঢাকায় অনুষ্ঠিত অল পাকিস্তান আর্ট এক্সিবিশনে অংশগ্রহণ।

১৯৫৫-৫৬        :   গ্রন্থ চিত্রণে কর্মজীবন শুরু। প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত পেইন্টার্স ইউনিট প্রদর্শনী।

১৯৫৭             :   শিক্ষক হিসেবে চারুকলা ইনসটিটিউটে যোগদান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের নয়জন শিল্পীর প্রদর্শনী। করাচিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী।

১৯৫৮             :   ছায়াছবি নামে সিনে মাসিকের যুগ্ম-সম্পাদক।

১৯৫৯             :   রেলওয়ে টাইমটেবল প্রচ্ছদ অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার। গভর্নমেন্ট ইনসটিটিউট অব আর্টসের বার্ষিক প্রদর্শনী।

১৯৬০             :   শিল্পী তাহেরা খানমের সঙ্গে পরিণয়। নকশাবিদ হিসেবে ডিজাইন সেন্টারে যোগদান।

১৯৬১             :   ঢাকায় অনুষ্ঠিত সমকালীন চিত্রকলা-প্রদর্শনী। রেলওয়ে টাইমটেবল প্রচ্ছদ অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার। লাহোরে অনুষ্ঠিত জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে চারুশিল্পে প্রথম পুরস্কারলাভ। ডিজাইন সেন্টার ছেড়ে অবজারভার গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে প্রধান শিল্পী হিসেবে যোগদান।

১৯৬২             :   রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের চিত্রশিল্পীদের প্রদর্শনী। ঢাকা স্কুল অব পেইন্টিংস প্রদর্শনী।

১৯৬৩             :   সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানীর শিল্প উপদেষ্টা।

১৯৬৪             :   জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র থেকে শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ চিত্রের (জসীম উদ্দীনের জীবন কথা), পুরস্কারলাভ। শিল্পনির্দেশক হিসেবে নবাঙ্কুর আর্ট পাবলিসিটিতে যোগদান। লাহোরে অনুষ্ঠিত জাতীয় চিত্র-প্রদর্শনী।

১৯৬৫             :   গ্রাফিক ডিজাইনের প্রভাষক হিসেবে গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্টস অ্যান্ড ক্রাফট্সে যোগদান। জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী, ঢাকা। অ্যাবসট্রাকট পেইন্টিং প্রদর্শনী, ঢাকা। শিল্প উপদেষ্টা নিক্কন, অ্যাডভারটাইজার্স, ঢাকা। সহকারী হিসেবে সৈয়দ শামসুল হকের উর্দু ছবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি অব এরর্স অবলম্বনে ফির মিলেঙ্গে হাম দোনোতে দায়িত্ব পালন।

১৯৬৬             :   পঞ্চম তেহরান বিয়েনালে আরসিডিভুক্ত দেশ পাকিস্তান, তুরস্ক ও ইরানের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ এবং চিত্রকলায় ইম্পেরিয়াল কোর্ট প্রাইজ অর্জন। রাওয়ালপিন্ডিতে সমকালীন আর্ট গ্যালারির পঞ্চম বার্ষিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার               (আবুল ফজল-রচিত রেখাচিত্র)।

১৯৬৭             :   ঢাকায় অনুষ্ঠিত লায়নস ক্লাব প্রদর্শনী। ফিল্ম টাইটেল ও পাবলিসিটি ম্যাটেরিয়াল তৈরিতে অংশগ্রহণ। অন্তরঙ্গের যুগ্ম-সম্পাদক।

১৯৬৮             :   জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (আবদুল আহাদ-রচিত গণচীনে চবিবশ দিন)।

১৯৬৯             :   সন্ধানী প্রকাশনী থেকে ছড়ার বই তাই তাই তাই প্রকাশিত। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (কবি জসীম উদ্দীনের বাঙ্গালীর  হাসির গল্প)। ইংরেজি সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস পত্রিকার শিল্প-সম্পাদক। ‘নবান্ন’ নামে অনুষ্ঠিত চিত্র-প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। সিনেমা পত্রিকা সিকোয়েন্সের যুগ্ম-সম্পাদক।

১৯৭০             :   জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (সৈয়দ মুর্তজা আলী-রচিত আমাদের কালের কথা)। ‘কালবৈশাখী’ নামে অনুষ্ঠিত চিত্র-প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

১৯৭২             :   মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার ওপর ছয়টি চিত্র অঙ্কন। ভারতের দিল্লিতে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় অনুষ্ঠিত চিত্র-প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

১৯৭৩             :   সাহিত্যিক চলচ্চিত্র-নির্মাতা জহির রায়হান স্মরণে সন্ধানী প্রকাশনী প্রকাশিত স্যুভেনিরের নকশা অংকন। কলকাতা, দিল্লি, বোম্বেতে (বর্তমানে মুম্বাই) অনুষ্ঠিত সমকালীন বাংলাদেশের চিত্রকলা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। গভর্নমেন্ট ইনসটিটিউট অব আর্টসের রজতজয়ন্তী প্রদর্শনীতে রজতজয়ন্তী পুরস্কার লাভ। স্কেচ গ্রুপ প্রদর্শনী। ডাক বিভাগের নকশা প্রণয়ন কমিটির সদস্য।

১৯৭৪              :   গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনাসমূহের নকশা প্রণয়ন। বিজয় দিবসে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

১৯৭৫        :   জাতীয় চিত্রকলা-প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। গ্রন্থনকশা প্রণয়নে সামগ্রিক অবদানের জন্য জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র স্বর্ণপদক লাভ। গ্রন্থ কেন্দ্র কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রচ্ছদ প্রদর্শনী। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (শামসুর রাহমান-রচিত আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি)। ভারতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ট্রায়েনাল, ঢাকাতে অনুষ্ঠিত প্রিন্ট এবং ড্রইং প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। সন্ধানী প্রকাশনীর সংবর্ধনা।

১৯৭৬        :   জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের প্রচ্ছদ পুরস্কার (আবুল হাসান-রচিত পৃথক পালঙ্ক)। ‘লাইফ ইন বাংলাদেশ’ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

১৯৭৭        :   বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী-আয়োজিত প্রথম একক চিত্র-প্রদর্শনী। তৃতীয় জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী, ঢাকা। শিল্পকলা একাডেমী পুরস্কারলাভ। ওয়াশিংটন ডিসিতে একক চিত্র-প্রদর্শনী। পূর্ব জার্মানিতে গ্রাফিক প্রিন্ট প্রদর্শনী।

১৯৭৮        :   চতুর্থ ট্রায়েনাল প্রদর্শনী, ভারত। চতুর্থ জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী, ঢাকা।

১৯৭৯        :   সাওপাওলো, ব্রাজিলে আন্তর্জাতিক বিয়েনাল। প্রথম এশিয়ান গ্রাফিক ডিজাইন প্রদর্শনী, তেহরান।

১৯৮০        :   জলরং ও প্রিন্ট-প্রদর্শনী, ঢাকা। সমকালীন এশিয়ান পেইন্টিং ফেস্টিভাল, ফুকুওকা, জাপান। পঞ্চম জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী।

১৯৮১        :   এশিয়ান আর্ট ফেস্টিভাল, হংকং। প্রথম এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল, বাংলাদেশ।

১৯৮২        :   গ্রাফিক ডিজাইন বিয়েনাল, ব্রনো, চেকোস্লোভাকিয়া। জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী।

১৯৮৩       :   পূর্ব জার্মানির লাইপজিগে অনুষ্ঠিত গ্রন্থমেলায় ইলাস্ট্রেশন এবং গ্রন্থনকশার জন্য পুরস্কার  (আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কখনো রং কখনো সুর)। দ্বিতীয় এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল, বাংলাদেশ।

১৯৮৪        :   সদস্য, বোর্ড অব গভর্নরস, চারুকলা ইনসটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আলজিয়ার্সে আফ্রো-এশীয় গণ-সংহতি পরিষদের সম্মেলনে যোগদান। সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সদস্য।

১৯৮৫        :   দ্বিতীয় সাফ গেমসে ডিজাইন কমিটির উপদেষ্টা।

১৯৮৬       :   ট্রায়েনাল, ভারত। একুশে পদক। থিয়েটার গ্রুপের সম্মাননা।

১৯৮৮       :   আন্তর্জাতিক পোস্টার-প্রদর্শনী, প্যারিস। জাপানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী।

১৯৮৯        :   বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী। চীন, হংকং ও ব্যাংকক সফর। জাতীয় চিত্রকলা-প্রদর্শনী, ঢাকা। ইউনিসেফের উদ্যোগে শিশুজন্ম ও টিকাদানের ওপর পোস্টার প্রদর্শনী, ঢাকা। সম্মাননা, চারুশিল্পী সংসদ। সদস্য, জুরি বোর্ড, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড কমিটি।

১৯৯০             :   পশ্চিম জার্মানিতে বাংলাদেশের ছয় শিল্পীর প্রদর্শনী। জিম্বাবুয়ের হারারেতে বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা-প্রদর্শনী।

১৯৯১              :   সম্মাননা, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি। সম্মাননা, মাহবুবউল্লাহ জেবুন্নেসা স্মৃতি ট্রাস্ট।

১৯৯৩             :   বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আয়োজিত বাংলাদেশের নয় আধুনিক চিত্রশিল্পীর প্রদর্শনী, ঢাকা। মুক্তিযুদ্ধের ওপর চিত্রকলা প্রদর্শনী। জুরি বোর্ডের সদস্য এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল, বাংলাদেশ। ষষ্ঠ সাফ গেমসের ডিজাইন কমিটির উপদেষ্টা। সম্মাননা, ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী।

১৯৯৪              :   মস্কোয় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী। রাশিয়া সফর। ষষ্ঠ বঙ্গবন্ধু পুরস্কারলাভ।

১৯৯৫             :   শিল্প-উপদেষ্টা, বাংলা একাডেমি।

১৯৯৬             :   জাতীয় চিত্রকলা-প্রদর্শনী। সদস্য, কারেন্সি ডিজাইন কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৯৯৭             :   মাসকাট, ওমানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ             চিত্রকলা-প্রদর্শনী।

১৯৯৮       :   বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী-আয়োজিত জাতীয় চিত্রকলা-প্রদর্শনী। বাংলাদেশের চারুকলার পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনী। জুরি বোর্ডের সদস্য, এশিয়ান আর্ট বাংলাদেশ। রাজশাহীর বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে মুক্তিযুদ্ধের ওপর (৯০০ x ৫১০ সেন্টিমিটার) মোজাইক ম্যুরাল।

১৯৯৯       :   তৃতীয় একক চিত্রকলা-প্রদর্শনী। সুলতান ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্বর্ণপদক প্রদান।

২০০০       :   শেলটেক অ্যাওয়ার্ড অর্জন।

২০০১       :   কবিতালাপ সম্মাননা লাভ।

২০০২       :   প্যারিস, মাদ্রিদ, আমস্টারডাম ভ্রমণ ও বিভিন্ন গ্যালারি পরিদর্শন। সুপার নিউমেরারি অধ্যাপক হিসেবে চারুকলা ইনসটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ।

২০০৪       :   চতুর্থ একক চিত্র-প্রদর্শনী।

২০০৭       :   পঞ্চম একক চিত্র-প্রদর্শনী।

২০০৮      : ৭৫তম জন্মবার্ষিকীতে পক্ষকালব্যাপী একক চিত্র-প্রদর্শনী।

২০১০       :   সুফিয়া কামাল পদক লাভ।

২০১৪       :   শহিদ আলতাফ মাহমুদ পদকে ভূষিত।

৩০ নভেম্বর মৃত্যু।