দেশে বিদেশি

লেখক:

সুদর্শন সাহা

 একটা আধবুড়ো লোক, মাথায় কাঁচা-পাকা চুল, গায়ে চাদর জড়ানো, জবুথবু হয়ে পুলুর সামনে দাঁড়িয়ে। ওকে দেখে কেমন চেনা চেনা মনে হচ্ছে, আমি পুলুকে বললাম, হ্যাঁ রে, ও দয়াল না?

পুলু অবাক হয়ে বলল, হ্যাঁ, তুই কী করে চিনলি?

আমি বললাম, কেন চিনব না, ওকে তোদের বাড়িতে এতো দেখেছি, তখন ও হাফপ্যান্ট পরত, সদ্য দাড়ি-গোঁফ গজিয়েছে, তুই দুপুরে ভাত খাওয়ার পর হাঁক দিতিস, দয়াল্যা, ফান লা, ফানি লা।

পুলু মিটিমিটি হাসছে। চিটাগাংয়ের লোকেরা ‘প’কে ‘ফ’ বলে, ফান হলো পান। ফানি হলো পানি।

পুলু আমাকে দিয়ে দয়ালকে জিজ্ঞাসা করে, দ্যাখ তো তুই ওকে চিনতে পারিস কিনা?

দয়াল কিছুক্ষণ আমার মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থেকে মাথা নেড়ে বলল, না, ঠিক চিনতে পারছি না। পুলু আমার নাম বলল, আমি কোন বাড়িতে থাকি তা-ও বলল। তবু ও আমাকে চিনতে পারল না।

আমি একটু অবাকই হলাম, আমি পুলুদের  দু-তিনটে বাড়ির পরেই থাকি। ওদের বাড়িতে এতো যাতায়াত ছিল, তবু ও আমায় চিনতে পারল না।

দয়াল লজ্জা পেয়ে ঘর ছেড়ে চলে গেল।

পুলু বলল, ওর মাথাটা গেছে, কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। ও কী করে যে সুদূর আসাম থেকে এতোটা রাস্তা চিনি চিনে           এ-বাড়িতে এলো। আমি হেসে বললাম, এ তো সেই গল্প যে হারিয়ে যায়। তাকে আসামে খুঁজে পাওয়া যায়। ও তাহলে আসামে হারিয়ে গিয়েছিল।

পুলু বলল, ও তো তাই বলছে। এতোদিন সেখানে কার বাড়িতে যেন কাজ করছিল। হঠাৎ আমাদের কথা মনে পড়ায় ফিরে এসেছে। আর যেতে চাইছে না। কী করা যায় বল তো?

আমি বললাম, ভালোই হয়েছে। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে।

পুলু বিষাদের গলায় বলল, আমি তো এখানে থাকব না। দুদিন পরেই চলে যাবো। ছোটভাই তপু ওকে রাখতে রাজি হচ্ছে না।

আমি বললাম, কেন, ও কী বলছে? পুলু বলল, ও বলছে দয়াল চোখে দেখতে পায় না, কানে শোনে না। এখানে আসার পর হঠাৎ কী করে যেন পড়ে গিয়ে হাতটা ভেঙেছে। ওকে দিয়ে কোনো কাজ হবে না। শুধু শুধু বসিয়ে ওকে খাওয়াতে পারবে না। আমি বললাম, ওর খাওয়ার খরচটা না-হয় আমিই দেবো। তবু ও রাজি নয়। ওর যা শরীরের অবস্থা, যদি ও অসুখে পড়ে যায়, কে দেখবে? তুমি তো ওদেশে চলে যাবে।

আমি জিজ্ঞাসা করি, ও তোদের বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল কেন? পুলু বলে, ঠিক বলতে পারব না। আমি তো তখন এখানে ছিলাম না। তবে শুনেছি, ভাইয়েরা ভিন্ন হয়ে গেলে তপু আর ওকে রাখতে রাজি হয়নি।

আমি বলি, তোর দাদারাও কেউ রাখল না।

পুলু বলল, না।

দয়াল যে ফিরেছে, তোর বোনেরা জানে?

আমি জিজ্ঞাসা করি।

পুলু বলল, না, এখনো জানায়নি। ও আসা অবধি তো বোনেদের কথাই বলছে। কে কোথায় আছে খোঁজ নিচ্ছে। ও সবার সঙ্গে দেখা করতে যাবে।

ওর ছেলেবেলাটা তো এই বাড়িতেই কেটেছে, আমার বোনদের সঙ্গে ওর খুব ভাব ছিল। ওরাও দয়ালদা, দয়ালদা করত। ও কাউকে ভোলেনি।

এতোটা রাস্তা খুঁজে খুঁজে এই বাড়িটায় এসে পড়েছে।

এখানে পুলুর অবস্থাও বিশেষ ভালো না। এই বাড়িটা পুলুর বাবা দুভাইয়ের নামে উইল করে দিয়ে গেছে। দোতলায় পুলু থাকে, একতলাটা ওর ছোট ভাই তপুর। তপুর দুই ছেলেমেয়ে। পুলু না থাকলে দোতলাটা ওরাই ব্যবহার করে। পুলু থাকলে অসুবিধা হয়।

পুলুর দেশের প্রতি খুব টান, প্রতি বছরেই একবার আসা চাই। একবার দেশে ফিরেও এসেছিল, বেশিদিন থাকতে পারেনি। ওর কোমরে একটা ব্যথা হয়, তার জন্য মাঝে মাঝে হসপিটালে ভর্তি হতে হয়। ট্রাকশন নিতে হয়। এখানকার হসপিটালগুলোর অবস্থা দেখে ও আর এখানে থাকার ভরসা পায়নি।

বছর কয়েক আগে পুলু চিঠিতে লেখে, ও দেশে ফিরে আসছে, নয়তো ব্রাজিল চলে যাবে। বিয়ে না করলে ও দেশে আর থাকা যাবে না।

আমরা আশায় ছিলাম পুলু হয়তো ফিরে আসছে। কিছুদিন পরে আবার ওর চিঠি পাই, ও বিয়ে করেছে। আপাতত দেশে ফেরা স্থগিত।

পুলু বউকে নিয়েও দু-তিনবার দেশে এসেছে। ওর বউটা বেশ ভালো। অন্য জার্মান বউদের মতো নাক উঁচু নয়। সবার সঙ্গে মিশতে চায়, কিন্তু ও জার্মান ভাষা ছাড়া কথা বলতে পারে না, অল্প অল্প ইংরেজি বলে। পুলু ওকে বাংলা ভাষা শেখানোর চেষ্টা করেছিল। বাংলায় ভালো, খুব ভালো, আপনি কেমন আছেন, আমি ভালো, এর বেশি এগোয়নি।

পুলু বিয়ের পর বাড়ির দোতলাটা ভেঙে নতুন করে করেছে। ও টাকা পাঠাত। ওর ভাই  দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করিয়েছে। পুলু বউকে নিয়ে এখানে থাকবে, বউয়ের যেন কোনো অসুবিধা না হয়।

ফিরে এসে দোতলাটা দেখার পর ও যে খুশি হয়েছে তাও নয়। প্রায়ই আমার কাছে গজগজ করত, এতগুলো টাকা পাঠালাম, ও যে কী করল।

পুলু দোতলাটা ভাড়া দিতে চেয়েছিল। ও এলে না-হয় হোটেলে উঠবে। বাইরের লোক বাড়ির ভেতরে ঢুকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠবে, ওর ভাই রাজি হয়নি। বউ সঙ্গে এলে পুলুর সঙ্গে আড্ডা তেমন জমে ওঠে না। ওর বউ আমাদের মাঝে এসে বসে থাকে। আমরা বাংলায় কথা বলি, হাসাহাসি করি। ওর বউ এক বর্ণও বোঝে না। শেষে উঠে পড়ে। ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়ে।

পুলুর বউ ছবি অাঁকে। পুলু ওর অাঁকা দু-একটা ছবি আমাকে দেখিয়েছিল। আমি ছবি বিশেষ বুঝি না। তাই ভালো-মন্দ কিছুই বলতে পারিনি।

পুলুর বউ কবিতারও ভক্ত। হোল্ডার্লিন, রিলকের কবিতা টানা মুখস্থ বলতে পারে। অনূদিত নয়। অরিজিনাল জার্মান ভাষায়। আমি তো জার্মান জানি না। তাই আমাদের শোনায়নি। এসব পুলুর মুখেই শোনা।

পুলুর বউ কয়েক বছর ধরে আসছে না। পুলু এলে ছোটভাইয়ের কাছেই খাওয়া-দাওয়া করে। ইদানীং দু-ভাইয়ের মধ্যে যে কী হয়েছে। পুলু আর ওদের ওখানে খায় না। দুমাসের জন্য একটা কাজের মেয়ে রেখে দিয়েছে। সে-ই রান্নাবান্না করে। ঘরদোর মোছে। পুলু বাজার করে আনে।

পুরনো দিনের কথা উঠলে পুলু মুচকি মুচকি হাসে। জয়িতার কথাও ওঠে। ওর সঙ্গে কি জয়িতার পরে দেখা হয়েছিল?

জয়িতারা নাকি পরে লন্ডনে চলে গিয়েছিল। জয়িতার দিদি নমিতার বিয়ে নিয়ে কী গোলমাল বাধে, নমিতার ডিভোর্স হয়ে যায়। ওর মা দুই মেয়েকে নিয়ে লন্ডনে চলে যায়। সেখানে জয়িতা ব্যারিস্টারি পড়ে।

জয়িতা কার কাছে যেন পুলুর জার্মানির ঠিকানা জোগাড় করে। পুলুর এখন আর মনে নেই। জয়িতা ওকে চিঠি দেয়। ফোনেও কথা হয়। ওদের দুবোনের গলা প্রায় একই রকম শোনায়। পুলু জয়িতা ভেবে কথা বলে যাচ্ছে। হঠাৎ অপর প্রান্ত থেকে বলে, আমি জয়িতা নই, নমিতা। আমি জয়িতাকে দিচ্ছি। পুলু খুব লজ্জায় পড়ে যায়।

লুক্সেমবার্গ না কোথায় পুলুর সঙ্গে জয়িতার দেখা হয়। জয়িতা ছুটি কাটাতে এসেছিল, পুলুও চলে যায় সেখানে। তখন নাকি জয়িতার প্রায়-ই মনে হতো, পুলু নিশ্চয় কোনো নীলনয়না ব্লন্ড সুন্দরীর পাশে শুয়ে আছে। জয়িতার কথা ওর আর মনে নেই।

জয়িতা দেশে ফিরে এলে পুলুর সঙ্গে আর যোগাযোগ করেনি, তারপরে তো জয়িতার বিয়ে হয়ে গেল।

আমি বললাম, জয়িতাকে তো প্রায়ই দেখি, ও কাছে-পিঠে কোথাও থাকে যেন, আমাকে দেখলে সেই আগের মতো ভুরু কুঁচকে যায়। মুখ ঘুরিয়ে নেয়। ওর আমার ওপর এতো রাগ কেন রে? পুলু বলল, ও সাদা শাড়ি পরে কোথায় যেন যাচ্ছিল, তুই নাকি ওকে দেখে বলেছিলি, পুলু তো বেঁচে আছে। ও এখনই সাদা শাড়ি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে কেন? আমি বললাম, ভ্যাট, এ-কথা আমি বলতেই পারি না।

পুলু বলল, হয়তো বলেছিস। এখন আর তোর মনে নেই।

পুলু মাঝে মাঝে বন্ধুদের ওপরেও খুব বিরক্ত হয়। কেউ দেখা করতে আসে না। ও ঘরে একা একা শুয়ে দিন কাটায়। আমার সঙ্গে দেখা হলে বলে, আসছে বছর থেকে আমি আর দেশে ফিরব না। কী হয় এখানে এসে, কারো পাত্তা পাওয়া যায় না, সবাই ব্যস্ত, শুধু শুধু এতগুলো টাকা গচ্চা, প্লেনভাড়া তো কম নয়।

পুলুর মুখেই শোনা, ওদেশে যাওয়ার কিছুদিন পরেই মনে হতে থাকে, কবে আবার দেশে ফিরবে। পরের বছরের শীত পড়লেই আমরা পুলুর আসার দিন গুনতে থাকি। খোঁজখবর রাখি কবে পুলু ফিরছে। ওর ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলে জিজ্ঞাসা করি। আজকাল তো চিঠি-চাপাটি বন্ধ হয়ে গেছে। পুলুও দেয় না, আমরাও লিখি না। প্রতি বছরই ফিরে এসে পুলু কারোর না কারোর মৃত্যুসংবাদ পায়। পুলু খুব ভেঙে পড়ে। আমাদের বন্ধুদের সংখ্যা ক্রমে কমে আসছে।

আমি একদিন পুলুদের দোতলায় উঠে দেখি, দয়াল বিষণ্ণ মুখে পুলুর সামনে বসে আছে। দয়াল আমাকে দেখে উঠে গেল।

আমি পুলুকে জিজ্ঞাসা করি, হ্যাঁ রে, দয়ালের কিছু ব্যবস্থা হলো। পুলু বলল, না, এখনো হয়নি। আমি বলি, তুই তোর বোনদের বলেছিলি? পুলু বলল, হ্যাঁ, বলেছিলাম। ওরা কেউ রাজি নয়, সেই এক কথা। ওকে বসিয়ে খাওয়াতে পারবে না। অসুখ-বিসুখ হলে কে দেখবে। আমি অবশ্য বোনদের দোষ দিই না। ওরা শ্বশুরবাড়ির ঘর করে। একটা উটকো লোককে বাড়িতে রাখা মুশকিল।

আমি বলি, তাহলে কী করবি ঠিক করেছিস। পুলু বলে, আমি এখানে একটা আশ্রমে মোটা ডোনেশন দিই। সেই আশ্রমের মহারাজকে বলে দেখি, যদি উনি একটা ব্যবস্থা করেন। আমি তাচ্ছিল্যের সুরে বলি, আশ্রমের মহারাজটা কে? এই যে সেদিন তোদের বাড়িতে এসেছিল, গেরুয়া পোশাক পরা?

পুলু গম্ভীর হয়ে বলল, ওকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করি। তিনি জার্মানিতেও গেছেন। আমাদের বাড়িতে উঠেছিলেন। আমি ঠাট্টার ছলে বলি, তোরা কি ওর কাছে দীক্ষা নিয়েছিস? পুলু বলে, এখনো নিইনি। তবে নেব ভাবছি। এরপর পুলু বলে, ওনার একটা কুষ্ঠাশ্রম আছে।

আমি প্রায় অাঁতকে উঠি, তুই কি দয়ালকে কুষ্ঠাশ্রমে পাঠাতে চাস নাকি? ও যেতে চাইবে? পুলু বলল, কুষ্ঠাশ্রম শুনে ভয় পাওয়ার কী আছে। জানিস যিশু কুষ্ঠদের সেবা করতেন। আমিও কলকাতায় এলে দু-চারদিন আশ্রমে গিয়ে কাটাই। আমার বউ এলে ওকেও নিয়ে যাই। মহারাজ আমাদের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করে দেন।

আমি আর কথা বাড়াই না। বলি, দয়ালকে বলে দ্যাখ। ও যদি যেতে চায়। পুলু বলে, এ ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই।

 

পুলুর যাওয়ার দিন ঘনিয়ে আসছে। আমি একদিন পুলুর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। দয়ালকে কোথাও দেখতে পাচ্ছি না। আমি পুলুকে জিজ্ঞাসা করলাম, দয়াল কোথায় রে? ওকে দেখছি না।

পুলু বলল, ওখানে নেই, ওকে আমি আশ্রমে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমি বললাম, ও যেতে রাজি হলো? পুলু বলল, কী করবে বেচারা। ওকে আমি অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে রাজি করিয়েছি।

আমি পুলুর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি, ওর মুখটা খুব বিষণ্ণ দেখাচ্ছে। আমি পুলুকে বললাম, তোর আবার কী হলো?

পুলু বলল, আমি একদিন আশ্রমে গিয়েছিলাম দয়ালকে দেখতে। দয়াল খুব কান্নাকাটি করল, ও কিছুতেই থাকতে চাইছে না, মহারাজ নাকি ওকে খুব বকাবকি করে। ও বেশি ভাত খায়, পড়ে পড়ে ঘুমোয়। কাজকর্ম করে না। ও আমার সঙ্গে চলে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি ওকে কোথায় নিয়ে আসব, আমি নিজেই তো চলে যাচ্ছি। ওকে আমি কার কাছে রেখে যাব, তাই আমি পালিয়ে এসেছি।

পুলু একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। তারপর ছলছল চোখে বলে, আমারও তো বয়স হচ্ছে। আমার কী হবে রে!

আমি বলি, তোর আবার কী হবে, তোর বউ আছে। সে-ই তোর দেখাশোনা করবে। পুলু বলে, সে তো ঠিকই। আমি বউকে দেখব, বউ আমাকে দেখবে। আমাদের তো ছেলেপুলে হয়নি; কিন্তু ধর, বউ আমার আগে মারা গেল। আমি খুব একা হয়ে পড়ব। আমি আর ওদেশে থাকতে পারব না। আমি তো বউয়ের জন্যই ওদেশে পড়ে আছি, নইলে কবে চলে আসতাম। সবাই তো নিজের লোকদের মধ্যে থাকতে চায়। দয়ালও তাই চেয়েছিল। আমি বললাম, তোর আর চিন্তা কিসের? তোর কাছে টাকা আছে, ডলার, মার্ক। পুলু বলে, টাকা থাকলেই কি সব হয়। এই তো দেখলি, দয়ালের জন্যে আমি টাকা পাঠাতে চাইলাম, তবু কেউ ওকে রাখতে চাইল না। আশ্রম থেকে ফেরার পথে দয়ালের মুখটা আমার খুব মনে পড়ে যায়। ও হাঁটুতে মুখ গুঁজে কাঁদছিল। আমি সেই ফাঁকে পালিয়ে এসেছি। আমার অবস্থাও কি দয়ালের মতো হবে?

পুলু কাঁদছে। ও নিজের জন্য, না দয়ালের জন্য, ঠিক বুঝতে পারি না। আমি পুলুকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষা খুঁজে পাই না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply