ধান্যসংস্কৃতির এই মৃত্তিকা

লেখক:

রবিউল হুসাইন

যুদ্ধ প্রেম শিল্প আর রাজনীতির কোনো স্থায়িত্ব নেই
সর্বদাই পরিবর্তনবান্ধব
জীবিত না থাকলে মানুষ বা প্রাণীর মৃত্যু হয় না
যার কিছু নেই, সে কীভাবে নিঃশেষ হবে
যে ঘর থেকে বেরই হয় না, সে কী করে পথ হারাবে
জলে পড়লে অতলে ডুবতে হয়, তা না হলে সাঁতার
নিহত হতে হলে আগে আহত হতে হয়
মাটিতে যে-শায়িত তার আর উঁচু থেকে পড়া
হয়ে ওঠে না, ওড়াউড়ি তো দূরের কথা
গড়ে ওঠা কিছু কিছুকেই ভাঙাভাঙি করা যায়
চুক্তি সম্পর্ক সেতু মন ভালোবাসা আয়না
জলের গ্লাস জানালার কাচ সড়ক সবই ভঙ্গুর
সুখ শান্তি শ্রেয়তা বন্ধুতা কল্যাণীয়তা সহমর্মিতা
সবই অবশেষে ভেঙে ভেঙে খ–বিখ-
হীরক নীলকান্তমণি মুক্তো হয়ে চারিদিক
উদ্ভাসিত উজ্জ্বলিত বর্ণালি আলোর ঝর্ণায়
যে সুখী তার দুঃখ হয় না, সুখ বিশ্বস্ত শত্রু
যে দুঃখী তার সুখ নেই, দুঃখ নির্মম বন্ধু
একমাত্র সম্মানিতজনকেই অসম্মানিত হতে হয়
ভেতরে কিছু না থাকলে কেউ তার প্রতি
আকৃষ্ট বা কাছে আসে না, এদেশের মাটি মানুষ
কোনোদিন পরাজিত হয়নি, তারা অধিকৃত
বহির্শত্রু দ্বারা যুগে যুগে, এরা স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বয়ম্ভু
যুদ্ধের প্রয়োজন কখনো হয়নি, পরধনের লোভহীন
এই দেশ তাহলে কীভাবে পরাজিত হয়
ধান্যসংস্কৃতির এই মৃত্তিকা ছিল অধীনে, কোনোদিন পরাজিত নয়

শেয়ার করুন

Leave a Reply