পোয়েট্রি পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ

লেখক:

সুব্রতকুমার দাস

আমেরিকার শিকাগো শহর থেকে প্রকাশিত মাসিক কবিতা পত্রিকা পোয়েট্রির সঙ্গে বাঙালি সাহিত্যিকদের যোগাযোগের ইতিহাস একশ বছর পুরনো। ১৯১২ সালের ডিসেম্বর সংখ্যায় সেই যোগাযোগের সূত্রপাত। কবি এজরা পাউন্ডের (১৮৮৫-১৯৭২) পাঠানো রবীন্দ্রনাথ-রচিত ও অনূদিত ছয়টি কবিতা ছাপা হয়েছিল পত্রিকাটিতে। একই সংখ্যায় পাউন্ডের নিজেরও একটা ছোট লেখা ছাপা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ-বিষয়ে। ১৯৫৯ সালের জানুয়ারি মাসে পত্রিকাটির একটি বিশেষ সংখ্যা ছাপা হয়েছিল ভারত-বিষয় নিয়ে। সূচিবদ্ধ লেখকদের অধিকাংশই ছিলেন বাংলা ভাষার সাহিত্যিক। ১৯৬১ সালের নভেম্বর মাসে রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে সে-পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল কবিকে নিয়ে আমেরিকার বিখ্যাত কবি রবার্ট ফ্রস্টের (১৮৭৪-১৯৬৩) দীর্ঘ মমত্মব্য।

প্রশামত্মকুমার পালের (১৯৩৮-২০০৭) রবিজীবনীর ষষ্ঠ খ– (কলকাতা, দ্বিতীয় পুনর্মুদ্রণ ২০০৪) পোয়েট্রি পত্রিকার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের যোগাযোগের বিষয়টি তথ্য-উপাত্ত সহকারে উপস্থাপিত হয়েছে। লেখক জানিয়েছেন, ১৯১২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এজরা পাউন্ড পোয়েট্রি পত্রিকার সম্পাদিকা হারিয়েট মনরোকে (১৮৬০-১৯৩৬) এক চিঠিতে লেখেন, ‘Also I’ll try to get some of the poems of the very great Bengali Poet, Rabindranath Tagore. They are going to be the sensation of the winter. …They are translated by the author into very beautiful english prose, with mastery of cadence.’ D. D. Paige-সম্পাদিত The Letters of Ezra Pound : 1907-1941 (লন্ডন, ১৯৫০) গ্রন্থে চিঠিটি অমত্মর্ভুক্ত হয়েছে। সে-বই থেকে প্রশামত্মকুমার তাঁর গ্রন্থে উদ্ধৃতিটি উৎকলন করেছেন (পৃ ৩৪১)। ১৯১২ সালের ডিসেম্বর সংখ্যাটি ছিল মাসিক পোয়েট্রি পত্রিকার তৃতীয় সংখ্যা। এতে প্রকাশিত কবির ছয়টি কবিতা হলো :

১. Thou hast made me known to friends…

২. No more noisy loud words from me…

৩. On the day when the lots bloomed…

৪. By all means they try to hold me…

৫. I was not aware of the moment…

৬. Thou art the sky and thou art the nest…

আমেরিকার কোনো পত্রপত্রিকায় সেবারই প্রথম রবীন্দ্রনাথের কোনো লেখার প্রকাশ ঘটে। সে-সংখ্যায় খ্যাতিমান ইংরেজ কবি ডবিস্নউ বি ইয়েটসের (১৮৬৫-১৯৩৯) পাঁচটি কবিতা ছাপা হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের কবিতার শিরোনাম ছিল ‘Poems’ আর পাউন্ডের লেখার শিরোনাম ছিল ‘Tagore’s Poems’। সেই ছোট লেখায় পাউন্ড জানিয়েছিলেন, ‘The six poems now published were chosen from a hundred lyrics about to appear in book form. They might just as well have been any other six, for they do not represent a summit of attainment but and average.’ বলে রাখা প্রয়োজন যে, এই ক্ষুদ্র রচনাটি পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ নিয়ে পাউন্ডের একটি বিশাল রচনার ভিত্তিভূমি হিসেবে কাজ করেছিল। রবীন্দ্রনাথকে এক চিঠিতে পাউন্ড লিখেও ছিলেন যে, ওটা একটা নোটিশ মাত্র, প্রবন্ধ হয়নি। এজরা পাউন্ড-রচিত রবীন্দ্রনাথবিষয়ক দীর্ঘ প্রবন্ধটি ছাপা হয় Fortnightly Review পত্রিকায় ১৯১৩ সালের মার্চ সংখ্যায় একই শিরোনামে। সে-পত্রিকাটির নভেম্বর সংখ্যায় গীতাঞ্জলি নিয়ে নয় পৃষ্ঠাব্যাপী আলোচনা ছাপা হয়েছিল পাউন্ডের।

আমাদের জানা আছে, ততদিনে লন্ডনে ইংরেজি গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয়ে গেছে। পোয়েট্রিতে প্রকাশিত কবিতার জন্য রবীন্দ্রনাথ পেয়েছিলেন সম্মানী হিসেবে ত্রিশ ডলার। বলে রাখা প্রয়োজন, রবিজীবনীর সপ্তম খ- বা অন্য আর কোনো খ– পোয়েট্রি পত্রিকা এবং এর সম্পাদক মনরোকে নিয়ে আর কিছু লেখা নেই। ষষ্ঠ খ– অন্যত্র (পৃ ৪১৯) লেখক জানিয়েছেন যে, পোয়েট্রি পত্রিকার জুন সংখ্যা দেখার সুযোগ তাঁর হয়নি। তিনি Katherine Henn (১৯৪০) সংকলিত Rabindranath Tagore : A Biography (১৯৮৫) গ্রন্থ থেকে জুন সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতাগুলোর শিরোনাম সংগ্রহ করেছেন। ধারণা করা যায়, রবিজীবনীর লেখক পত্রিকাটির পরবর্তী আর কোনো সংখ্যা দেখার সুযোগ পাননি।

আমরা দেখেছি, প্রথমবার যখন রবীন্দ্রনাথের কবিতা ছাপা হলো তখন সূচিপত্রে বাঙালি কবির নাম ছিল সব শেষে। যদিও ছয় মাস যেতে না যেতেই রবীন্দ্রনাথের নাম উঠে আসে সবার ওপরে। ১৯১৩ সালের জুন সংখ্যায় ‘Poems’ শিরোনামে তাঁর যে-কবিতাগুলো ছাপা হয় সেগুলোর নিচে ছিল পরবর্তীকালের আমেরিকার অনেক বিখ্যাত কবির সঙ্গে William Carlos Williams (১৮৮৩-১৯৬৩)-এর কবিতা। জুন সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ-রচিত ও অনূদিত ১৪টি কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল। সেগুলো হলো :

১. I found a few old letters…

২. We both live in the same village…

৩. Sing the song of the moment…

৪. O you mad, you superbly drunk!

৫. With a glance of your eyes…

৬. I asked of Destiny…

৭. Tell me if this is all true…

৮. Amidst the rush and roar of life…

৯. Lest I should know you…

১০. Come as you are…

১১. Leave off your works, bride…

১২. My soul is alight…

১৩. Keep me fully glad…

১৪. Over the green and yellow…

১৯১৩ সালের ডিসেম্বর সংখ্যার পোয়েট্রি পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল পাঁচটি কবিতা। কবিতাগুলো হলো : ‘The Temple of Gold’, ‘The Price’, ‘Union’, ‘The Gift’, ‘The Tryst’।
সে-কবিতাগুলো সম্পাদক কবিকে তাগিদ দিয়ে নিয়েছিলেন, কেননা ঠিক আগের মাসেই রবীন্দ্রনাথের নাম ঘোষিত হয়েছিল নোবেল সাহিত্য পুরস্কার প্রাপক হিসেবে। ১৯১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথের অনেকগুলো ক্ষুদ্র কবিতা। শিরোনাম ছিল ‘Epigram’। গভীর পাঠে খুঁজে পাওয়া সম্ভব সে-ক্ষুদ্র কবিতাগুলোর কোনগুলো কবির পরবর্তীকালে ক্ষুদ্র কবিতার সংকলন হিসেবে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ Stray Birds (১৯১৬) এবং একই শহর থেকে বারো বছর পর Fireflies-এ অমত্মর্ভুক্ত হয়।

এবার আসছি পোয়েট্রি পত্রিকার ভারত সংখ্যায়। সূচিবদ্ধ বাঙালি কবিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ছাড়াও ছিলেন বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪), রাজলক্ষ্মী দেবী (১৯২৭-২০০৫), অশোক বিজয় রাহা (১৯১০-১৯৯০), করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯৫৫), নরেশ গুহ (১৯২৪-২০০৯), জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪), সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-৬০), হুমায়ুন কবির (১৯০৬-৬৭) এবং অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-৮৬)। হুমায়ুন কবির নিজেই অনুবাদ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের কবিতা ‘I Will Not Let You Go’। কবিতাগুলোর তিনটির অনুবাদক ছিলেন লীলা রায় (১৯১০-৯২)। আর বুদ্ধদেব বসু, রাজলক্ষ্মী দেবী, জীবনানন্দ, হুমায়ুন কবির এবং অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা ছিল স্ব-অনূদিত। উলেস্নখ করা প্রয়োজন, ততদিনে প্রয়াত জীবনানন্দ দাশের যে-অনুবাদটি সে-সংখ্যায় ছাপা হয় তার ইংরেজি শিরোনাম হলো ‘Twenty Years After’।

১৯৬১ সালে বিশ্বব্যাপী উদ্যাপিত হয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশতবার্ষিকী। সে-উপলক্ষে পোয়েট্রি রবীন্দ্রনাথের প্রতি বিশেষ দায়িত্ব পালন করে। এপ্রিল মাসের ১৯ তারিখে নিউইয়র্কে রেকর্ড করা হয় রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আমেরিকার বিখ্যাত কবি রবার্ট ফ্রস্টের মমত্মব্য। নভেম্বরে প্রকাশিত সে-মমত্মব্যের শিরোনাম ছিল – ‘Remarks of the Occasion of the Tagore Centenary’। দীর্ঘ ১৪ পৃষ্ঠার সে-মমত্মব্যে ফ্রস্ট কবিকে প্রধানত একজন জাতীয়তাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি এও বলেছেন যে, রবীন্দ্রনাথ হলেন এমন একজন কবি, যিনি শিল্পের জন্য শিল্পকে (Art for Art’s sake) তাঁর মতবাদ হিসেবে নির্ভীকচিত্তে ঘোষণা করেছিলেন। ফ্রস্টের ভাষায় – ‘তাঁর ছিল মানবতার জন্য প্রগাঢ় ভালোবাসা। তিনি তাঁর শত্রু ছাড়া প্রতিটি মানুষকে ভালোবাসতেন। তিনি তাদের সবার সম্পর্কেই ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেন। তাঁর ইতিবাচক কথাবার্তা শুনতে খুবই আকর্ষণীয় লাগত। এমনকি তাঁর শত্রুদের জন্য তাঁর এক ধরনের প্রশ্রয় ছিল।’ ফ্রস্ট জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথ ব্যাপকভাবে তাঁর কবিতায় ঈশ্বরের কথা বলেছেন। তিনি রবীন্দ্র-রচনা থেকে উৎকলন করে রবীন্দ্রনাথের ঈশ্বরের স্বরূপকে চিহ্নিত করেছেন। যদিও ফ্রস্ট মুক্তছন্দের কবিতার পক্ষপাতী ছিলেন না। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন, ‘I don’t know how to read free verse; I’m a sing-song man. And I always want meter and all that. I can read straight prose, but I’m all bothered by this that’s somewhere between. I think they meant to intone; you ‘intone’ when you don’t know what else to do with anything.’ এ-প্রসঙ্গে স্মরণ করা যেতে পারে, দিলিস্নর সাহিত্য আকাদেমি ড. রাধাকৃষ্ণণের সম্পাদনায় ১৯৬১ সালে Rabindranath Tagore : A Centenary Volume 1861 শিরোনামের বিপুলায়তন গ্রন্থ প্রকাশ করে, যাতে ‘Tagore’s Poetry overflowed national boundaries’ নামে ফ্রস্টের একটি ক্ষুদ্র লেখা অমত্মর্ভুক্ত হয়েছিল।

পোয়েট্রি পত্রিকার দীর্ঘ লেখায় ফ্রস্ট বলেছেন, ‘Now I have interests with Ireland, have been friends with the poets that made Ireland. I knew them quite well. And I Knew best of all an Indian, Rabindranath Tagore.’ (পৃ ১০৬)। এ থেকে ধারণা করা যেতে পারে যে, রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে ফ্রস্টের যোগাযোগ ঘটেছিল। প্রবন্ধটির অন্যত্র ফ্রস্ট লিখেছেন, তিনি রবীন্দ্রনাথকে অনেকখানি জেনেছিলেন পঞ্চাশ বছর আগে আমেরিকার প্রধান কবিদের অন্যতম মিসেস উইলিয়াম ভন মোডির মাধ্যমে (পৃ ১১২)। অরিভিয়া হাওয়ার্ড ডানবার লিখিত মোডির জীবনীমূলক গ্রন্থ A House in Chicago-তে চোদ্দো পৃষ্ঠাজুড়ে রবীন্দ্রনাথ-প্রসঙ্গ বিবৃত (শিকাগো, ১৯৪৮, দ্বিতীয় সংস্করণ, পৃ ৯৩-১০৬)। এখানে স্মরণ করা যেতে পারে মোডি হলেন আমেরিকার শিকাগো শহরের শিল্প-সাহিত্যের অনুরাগী সেই ব্যবসায়ী মহিলা, যাঁর বাসায় রবীন্দ্রনাথ ১৯১২ ও ১৯১৬ সালে আমেরিকা ভ্রমণকালে আতিথ্য গ্রহণ করেন। মিসেস মোডির তত্ত্বাবধানে Les Petits Jeux Floraux নামের সাহিত্যবাসরে পোয়েট্রি পত্রিকার সম্পাদিকা মনরো নিয়মিত আসতেন। অন্য আরো বিখ্যাত কবি-সাহিত্যিকের মধ্যে যাঁরা নিয়মিত সে-আসরে উপস্থিত থাকতেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন তরুণ কবি রবার্ট ফ্রস্ট। আদি বাড়ি কুমিলস্নার বিশিষ্ট রবীন্দ্র-বিশেষজ্ঞ হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০৩-১৯৯৫) তাঁর অ-চেনা রবীন্দ্রনাথ (কলকাতা, ১৯৮৪) গ্রন্থের ‘রবীন্দ্রভক্ত মিসেস ভন মোডি’ প্রবন্ধে এমন তথ্য দিয়েছেন। কৃষ্ণ কৃপালনী (১৯০৭-৯২) তাঁর Rabindranath Tagore : A Biography বইয়ে জানিয়েছেন যে, রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে ফ্রস্টের দুবার দেখা হয়েছে : ১৯১২ সালে এবং ১৯৩০ সালে। প্রথমবার লন্ডনে আর দ্বিতীয়বার আমেরিকায় (বিশ্বভারতী নতুন সংস্করণ ১৯৮০ পৃ ৩৭৪)।

এ-প্রসঙ্গে আরো স্মরণ করা যেতে পারে যে, ১৯৬৮ সালের মার্চ সংখ্যায় পত্রিকাটিতে ‘From the Bengali’ শিরোনামে যে-সমালোচনাটি প্রকাশিত হয়, তাতে অমত্মর্ভুক্ত ছিল হুমায়ুন কবির-সম্পাদিত One Hundred and One : Poems by Rabindranath Tagore, এবং  Richard Lewis-সম্পাদিত  Moon, For What Do You Wait? Poems by Tagore নামের গ্রন্থদুটি ছাড়াও তৃতীয় আরেকটি গ্রন্থ। সমালোচক ছিলেন Leila Laughlin. One Hundred and One : Poems by Rabindranath Tagore সমালোচকের দৃষ্টিতে নন্দিত হয়নি। তিনি লিখেছিলেন, ‘More than a dozen Indian writers have contributed translations to this collection, but the result is neither good poetry, nor with a few exceptions, very good prose.’ তিনি রবীন্দ্র-অনুবাদের আদ্যোপামত্ম ইতিহাস আলোকপাত করে অনুবাদের অমত্মর্নিহিত সমালোচনায় গিয়েছেন। তবে নিউইয়র্ক থেকে ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত লুইসের গ্রন্থটি নিয়ে তাঁর বক্তব্য ইতিবাচক। লুইস রবীন্দ্রনাথের ছোট কবিতাগুলোকে নিয়েছেন, একেকটির পর ফাঁকা জায়গা রেখেছেন অলংকরণের জন্য। শেষ করেছেন এই বলে যে, ‘It is a charming and unpretentious little book’।

পোয়েট্রি পত্রিকার ষাট বছর পূর্তি হয় ১৯৭২ সালে। সে-বছরের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত বিশেষ সংখ্যায় একটি রচনার শিরোনাম ছিল – ‘Comment of Six Decades’ যাতে ১৯১২ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এজরা পাউন্ডের ‘Tagore’s Poems’ লেখাটি পুনর্মুদ্রিত হয়। r

শেয়ার করুন

Leave a Reply