প্রকাশকের পত্র

লেখক:

কালি ও কলম এখন একাদশ বর্ষ পার করে দ্বাদশ বর্ষে পদার্পণ করল। আমাদের পক্ষে তা যেমন আনন্দের তেমনি গৌরবের কথা। এক অনিশ্চিত পথে শুরু হয়েছিল আমাদের যাত্রা। সে-মুহূর্তে আমরা জানতাম না, পাঠকসমাজ কীভাবে গ্রহণ করবে কালি ও কলমকে, কতখানি সহযোগিতা পত্রিকাটি পাবে লেখকদের, কী দাঁড়াবে এর চরিত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল প্রতি ক্ষেত্রেই আমরা পেয়েছি অনুকূল সাড়া। আজ কালি ও কলম স্বীকৃত হয়েছে বাংলাভাষার এক সেরা সাহিত্যপত্রিকা বলে, এর নিজস্ব একটি চরিত্র দাঁড়িয়ে গেছে, পাঠককুলের সমাদর লাভ করেছে পত্রিকাটি, লেখকেরা সানন্দ সহযোগিতা করেছেন। বেশ কিছু তরুণ লেখক জায়গা করে নিয়েছেন এই পত্রিকায়, তাতে আমরা স্বস্তি পেয়েছি।

গত কয়েক বছর ধরে এইচএসবিসি এবং  কালি ও কলম মিলে তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার প্রদান করে আসছিল। এই পুরস্কারও বেশ সম্মানজনক আসন লাভ করেছিল। এখন থেকে শুরু হলো এই ক্ষেত্রে কালি ও কলমের একক পথচলা। আমরা আশা করি, পুরস্কারটি আগের মতোই আগ্রহ ও সমাদরের সঙ্গে গৃহীত হবে।

বিগত এক বছরে অনেক সুহৃদকে আমরা হারিয়েছি। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এতজন বিশিষ্ট ব্যক্তির মহাপ্রয়াণ ঘটনা হিসেবে যেমন বেদনার, তেমনি বিরল। এ-সময়ে আমরা বেঙ্গল গ্যালারির পরিচালক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সুবীর চৌধুরী, বিশিষ্ট ঐতিহাসিক সালাহ্উদ্দীন আহ্মদ, প্রাবন্ধিক, কবি ও শিক্ষাবিদ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী এবং বরেণ্য শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীকে হারিয়েছি। নতুন বছরে যাত্রার মুহূর্তে আমরা তাঁদের সকলকে স্মরণ করি শ্রদ্ধায় ও ভালোবাসায়।

আজ কৃতজ্ঞচিত্তে ধন্যবাদ জানাই কালি ও কলমের লেখক, পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতাদের। তাঁদের সহযোগিতা ও সমর্থন ছাড়া আমরা এতপথ আসতে পারতাম না। বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য আমরা কামনা করি শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি।

 

আবুল খায়ের

৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সোশ্যাল মিডিয়া

নিউসলেটার