মানবীবর্মের নভোচারী : হামিদ সারাহা

লেখক:

তরুণ সান্যাল

বোরাক, গড়ুর, উচ্চৈঃশ্রবা বা পুমুক কিংবা পক্ষেরাজ ঘোড়া
কোনোটা নয়, ওড়াচ্ছিলে উপমহাদেশে বিমান, ছিমছাম গড়নে বিমানবালা
আরব্য রজনী পড়া, বাংলার জাদুঘোড়া ছিলও না কাঠে-কাঠ জোড়া
এক কানে মোচড় দিলে যার নাকি খুলে যেত পায়ে পুরনো তালা।
হামিদ সারাহা আমেদ তুমি আমাদেরও নতুন মালালা।
ছবি দেখি সকালে কাগজে – ঘাড়ে ব্যোম নৌ-চিহ্ন বাঁ-কাঁধে উড়ান এক ডানা
মনে পড়ছে টিপু ঘরানা – মোহাম্মদি মা আয়েশা হিন্দুস্থানের ঘর আলা
পুরুষ বা নারী অভেদ যে-বাহনে, সেখানে দেখছি কোমলাক্ষি তীক্ষন শ্যেন পক্ষেচোখ, আকাশেও শুনছো নাদেশ্বরম নাকি কর্ণাটকি সেই যেদিন প্রথম উড়ান?
তুমিই তো অর্ধেক আকাশ, অর্ধেক কল্পনা হয়েও ছিঁড়েছো নির্মোক!
গড়েছিলেন দেব সমাজে তোমাকেই অদিতি পুরাণ
ভূর্জপাতায় দাগ-দাগালি আঁকা, ছিলে ব্যাস বাল্মীকির
কল্পনা চাওলার ছোট বোন তুমি, শেখালে জ্ঞান বিশ্বে প্রীতি
এখন বন্ধনমুক্ত নীলাকাশ পটীয়সী, মানবীবর্মের নভোচারী \

সোশ্যাল মিডিয়া

নিউসলেটার