স্মৃতিমেদুর কথন

লেখক:

স্মৃতিমেদুর কথন
হাসান শাহ্রিয়ার
টান
হাসান আজিজুল হক

বেঙ্গল পাবলিকেশন্স
ঢাকা, ২০১৩

১৭৫ টাকা

বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে এক অনবদ্য নাম হাসান আজিজুল হক। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলছে তাঁর সাহিত্যচর্চা। ছোটগল্প, উপন্যাসসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর পদচারণা। যে-কোনো ঘটনা সহজ-সরল ভাষায় বর্ণনায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। বিষয়াবলি নির্বাচন ও চরিত্র নির্মাণে তিনি বরাবরই সিদ্ধহস্ত। সম্প্রতি বেরিয়েছে তার স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ টান। নিজের ফেলে আসা জীবন আর জনপদের কথা অত্যন্ত মুনশিয়ানার সঙ্গে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন এ-গ্রন্থে। শব্দের পর শব্দ গেঁথে পাঠককে টেনে নিয়ে গেছেন স্মৃতির গভীরে। পাঠকও নিমগ্নচিত্তে বিভোর হয়েছেন স্মৃতিকাতরতায়।
চারটি পরিচ্ছদে আবদ্ধ টানের স্মৃতিকথন – ‘টান’, ‘দূরবাসী’, ‘আবার যদি ইচ্ছে করো’ ও ‘ভোরবেলাকার চোখ’।
প্রথম পরিচ্ছদে নিজের জন্মস্থানের বর্ণনা দিয়েছেন স্মৃতি-বিস্মৃতির দোলাচালে। হাসান আজিজুল হকের জন্ম পশ্চিমবাংলার রাঢ় এলাকায় এক সাধারণ গ্রামে। একসময় পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে চলে আসেন তিনি। কিন্তু ছেলেবেলাকার মাটির টান তাকে ছাড়েনি। অনেক পরে তিনি একবার দেখতে যান তাঁর শৈশবের ফেলে-আসা গ্রামে। সে-সময় অদ্ভুত এক বোধ কাজ করতে থাকে তাঁর ভেতর। যে-পথেই তিনি যাচ্ছিলেন মনে হচ্ছিল – এদিক দিয়ে কোনোদিন আসেননি। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে তার চোখ দেখছিল এক সবুজ বাংলাকে। মনে খেলে যাচ্ছিল নতুন কোনো কিছু দেখার বোধ। এরপর একে-একে স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোয় গিয়ে তাঁর মনের দ্বিধান্বিত উক্তি – ‘কৃষ্ণনগর শহরে পৌঁছে মনে পড়ল, কখনোই এ-শহরে আসিনি। নবদ্বীপ গিয়ে মনে পড়ল, ছোট্ট একটা মেসে এসেছিলাম এক বন্ধুর কাছে। হোটেলে খেতে নিয়ে গিয়ে সে আমাকে বলেছিল, তুই যে মুসলমান তা বলিস না। এখানে মাটিতে আসন পেতে দিয়ে কাঁসার থালা-বাটিতে খাবার পরিবেশন করে মহিলারা। তটস্থ হয়ে ক-মুঠো ভাত খেয়ে একটা সিনেমা হলে গিয়ে ‘কংস’ সিনেমা দেখেছিলাম।’
নিটোল বর্ণনায় তিনি তুলে এনেছেন স্মৃতির কুঠুরিতে হারিয়ে যাওয়া ঘটনাংশ। কিন্তু সময়ের ফাঁদে পড়ে অনেক কিছুই তাঁর কাছে অচেনা ঠেকে। শহুরে ছাপ ফেলে যাওয়া নিজের জন্ম-গাঁও তাঁর চোখে কেমন এক অপরিচিত ছবি নিয়ে ভেসে ওঠে। তবে পথ তিনি ভুলে যাননি। তাই তো একসময় ঠিকই পৌঁছে যান তার ভূমিষ্ঠালয়ে। সেখানে চেনা-অচেনা অনেক মুখের ভিড়ে খুঁজে ফেরেন চেনা মুখ। কথা হয় তাঁদের সঙ্গে হারিয়ে যান ফেলে আসা শৈশবে।
তবে একটি ঘটনা এখানে শিক্ষকের প্রতি লেখকের শ্রদ্ধার গভীরতা প্রমাণ করে। তা হলো, তাঁর পাঠশালার এবং স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে শতবর্ষ ছুঁইছুঁই একমাত্র জীবিত মাস্টারমশাই শিবরাম চৌধুরীর সামনে গিয়ে দাঁড়ানো। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার ঠিকানা না পেয়ে হতাশ ও বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন। ভেবেছিলেন, এই ভ্রমণের সবটাই প্রায় মাটি। ঠিক তখনই খোঁজ পান সেই শিক্ষকের। মাস্টারমশাইয়ের সামনে দাঁড়িয়ে প্রথমে চিনতে পারেননি। সেই খাটো ধুতি আর মোটা পাঞ্জাবি পরনে। শীর্ণ মানুষটি – একেবারে দম্ভহীন। সামনে দাঁড়াতেই লেখককে তিনি জড়িয়ে ধরেন। লেখক জিজ্ঞেস করেন, ‘চিনতে পারছেন তো?’ উত্তরে বলেন, ‘তোমাকে চিনব না! তুমি আমার গর্ব, তুমি আমার দেশের গর্ব।’ কণ্ঠস্বরে আর বলার ভঙ্গিতেই লেখক খুঁজে পান ছোট্টবেলার সেই মাস্টারমশাইকে।
সৃষ্টিশীল মানুষ তাঁর ভেতরকার জগৎ এবং পরিদৃশ্যমান জগতের সমন্বয়, অনুরাগ, অনুভূতি, চেতনা আর অপ্রকাশের ভার মুক্তির জন্যই লেখেন। সে-অভিজ্ঞতা যত তীব্র আর উদ্বেগজনকই হোক না কেন। তাই তো অন্য অধ্যায়ে তিনি লিখেছেন ডা. দেবী শেঠির কাছে চিকিৎসার কথা, অনেকদিন পর গ্রামে গিয়ে বুড়ো  মা-বাবার সঙ্গে দেখা করার কথা। মায়ের øেহের কথা – ‘মা জড়িত গলায় বলে যান, কেমন আছিস বাবা? ভালো ছিলি? এতদিন আসিসনি কেন? এলি তাহলে?’ রাতে মায়ের কাছে শুয়ে মনে পড়ে ছোট্টবেলায়  মায়ের বুক ঘেঁষে শুয়ে রূপকথা শোনার কথা।
ক্লাস নাইনে ফাইনাল পরীক্ষার ফরম পূরণ করার দিন হাসান আজিজুল হকের জন্মতারিখ তার বাবা ২ ফেব্র“য়ারি ১৯৩৯ লিখলেও, তাঁর আসল জন্মতারিখ এটি নয়। লেখকের জন্মতারিখ তার বাবা লিখে রাখেননি। কারণ তার জ্যেষ্ঠ ছেলের টাইফয়েডে মৃত্যুর পর কিছুকাল সবকিছুতেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে লেখকের মায়ের স্মৃতিশক্তি প্রখর থাকলেও মুদ্রিত অক্ষরের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাই ছেলের জন্মদিন সম্পর্কে তিনি তার নিজস্ব পদ্ধতিতে মনে করার চেষ্টা করতেন – ‘খরার বছরের ঠিক পরে’, ‘শুকোর’ বছরের আগের বছর (দুর্ভিক্ষের বছর),  ‘আশিন’ মাসের ঝড়ের সময় ‘ভুঁইকম্পের বছর’ ইত্যাদি ছিল তার মনে করার উপায়। লেখকের স্মৃতিকথায় উঠে এসেছে সে-সময়কার মুসলমানদের ঈদ, শবেবরাত, শবেকদর পালনের কথা। হিন্দুদের পূজা পালনসহ নানা উৎসবের হৃদয়ছোঁয়া বর্ণনা।
পরিশেষে এ-কথা বলা যায়, লেখক শেকড়ের টানে বারংবারই ফিরে দেখেছেন জন্মভূমির মানুষজন আর পরিবেশকে। ফেলে আসা দিনগুলো নতুন এক আবেগ নিয়ে, কষ্ট নিয়ে উন্মোচিত হয়েছে তাঁর চোখে। কষ্ট আর বেদনার এই তাপকে তিনি সঞ্চারিত করেছেন পাঠকের হৃদয়মনে। বাংলা সাহিত্যের অগ্রগণ্য কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের প্রত্যক্ষণে ও বিবরণে তাঁর কথনশৈলী এক নবরূপ পেয়েছে টানে। গ্রন্থটি যে-কোনো পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। চোখের সামনে মেলে ধরবে অতীতদিনের ছবি। পাঠক অনুভব করবেন নাড়ির টান।

¯§„wZ‡g`yi K_b

nvmvb kvn&wiqvi

Uvb

nvmvb AvwRRyj nK

 

†e½j cvewj‡Kkb&m

XvKv, 2013

 

175 UvKv

 

evsjv‡`‡ki K_vmvwn‡Z¨ GK Abe`¨ bvg nvmvb AvwRRyj nK| Aa©kZvãxiI †ewk mgq a‡i Pj‡Q Zuvi mvwnZ¨PP©v| †QvUMí, Dcb¨vmmn mvwn‡Z¨i wewfbœ kvLvq Zuvi c`PviYv| †h-†Kv‡bv NUbv mnR-mij fvlvq eY©bvq Zuvi Rywo †gjv fvi| welqvewj wbe©vPb I PwiÎ wbg©v‡Y wZwb eiveiB wm×n¯—| m¤cÖwZ †ewi‡q‡Q Zvi ¯§„wZPviYg~jK MÖš’ Uvb| wb‡Ri †d‡j Avmv Rxeb Avi Rbc‡`i K_v AZ¨š— gybwkqvbvi m‡½ wZwb dzwU‡q Zz‡j‡Qb G-MÖ‡š’| k‡ãi ci kã †Mu‡_ cvVK‡K †U‡b wb‡q †M‡Qb ¯§„wZi Mfx‡i| cvVKI wbgMœwP‡Ë we‡fvi n‡q‡Qb ¯§„wZKvZiZvq|

PviwU cwi”Q‡` Ave× Uv‡bi ¯§„wZK_b – ÔUvbÕ, Ô`~ievmxÕ, ÔAvevi hw` B‡”Q K‡ivÕ I Ô†fvi‡ejvKvi †PvLÕ| 

cÖ_g cwi”Q‡` wb‡Ri Rb¥¯’v‡bi eY©bv w`‡q‡Qb ¯§„wZ-we¯§„wZi †`vjvPv‡j| nvmvb AvwRRyj n‡Ki Rb¥ cwðgevsjvi ivp GjvKvq GK mvaviY MÖv‡g| GKmgq cwiev‡ii m‡½ evsjv‡`‡k P‡j Av‡mb wZwb| wKš‘ †Q‡j‡ejvKvi gvwUi Uvb Zv‡K Qv‡owb| A‡bK c‡i wZwb GKevi †`L‡Z hvb Zuvi ˆkk‡ei †d‡j-Avmv MÖv‡g| †m-mgq A™¢yZ GK †eva KvR Ki‡Z _v‡K Zuvi †fZi| †h-c‡_B wZwb hvw”Q‡jb g‡b nw”Qj – Gw`K w`‡q †Kv‡bvw`b Av‡mbwb| MÖvg †_‡K MÖvgvš—‡i Zvi †PvL †`LwQj GK meyR evsjv‡K| g‡b †L‡j hvw”Qj bZzb †Kv‡bv wKQy †`Lvi †eva| Gici G‡K-G‡K ¯§„wZweRwoZ ¯’vb¸‡jvq wM‡q Zuvi g‡bi wØavwš^Z Dw³ – ÔK…òbMi kn‡i †cuŠ‡Q g‡b coj, KL‡bvB G-kn‡i Avwmwb| beØxc wM‡q g‡b coj, †QvÆ GKUv †g‡m G‡mwQjvg GK eÜzi Kv‡Q| †nv‡U‡j †L‡Z wb‡q wM‡q †m Avgv‡K e‡jwQj, ZzB †h gymjgvb Zv ewjm bv| GLv‡b gvwU‡Z Avmb †c‡Z w`‡q Kuvmvi _vjv-evwU‡Z Lvevi cwi‡ekb K‡i gwnjviv| ZU¯’ n‡q K-gy‡Vv fvZ †L‡q GKUv wm‡bgv n‡j wM‡q ÔKsmÕ wm‡bgv †`‡LwQjvg|Õ

wb‡Uvj eY©bvq wZwb Zz‡j G‡b‡Qb ¯§„wZi KzVywi‡Z nvwi‡q hvIqv NUbvsk| wKš‘ mg‡qi duv‡` c‡o A‡bK wKQyB Zuvi Kv‡Q A‡Pbv †V‡K| kû‡i Qvc †d‡j hvIqv wb‡Ri Rb¥-MuvI Zuvi †Pv‡L †Kgb GK AcwiwPZ Qwe wb‡q †f‡m I‡V| Z‡e c_ wZwb fy‡j hvbwb| ZvB †Zv GKmgq wVKB †cuŠ‡Q hvb Zvi f~wgôvj‡q| †mLv‡b †Pbv-A‡Pbv A‡bK gy‡Li wf‡o Lyu‡R †d‡ib †Pbv gyL| K_v nq Zuv‡`i m‡½ nvwi‡q hvb †d‡j Avmv ˆkk‡e|

Z‡e GKwU NUbv GLv‡b wk¶‡Ki cÖwZ †jL‡Ki kª×vi MfxiZv cÖgvY K‡i| Zv n‡jv, Zuvi cvVkvjvi Ges ¯‹z‡ji wk¶K‡`i g‡a¨ kZel© QyuBQyuB GKgvÎ RxweZ gv÷vigkvB wkeivg †PŠayixi mvg‡b wM‡q `uvov‡bv| A‡bK †LuvRvLyuwRi ci Zvi wVKvbv bv †c‡q nZvk I wegl© n‡q c‡owQ‡jb| †f‡ewQ‡jb, GB åg‡Yi meUvB cÖvq gvwU| wVK ZLbB †LuvR cvb †mB wk¶‡Ki| gv÷vigkvB‡qi mvg‡b `uvwo‡q cÖ_‡g wPb‡Z cv‡ibwb| †mB Lv‡Uv aywZ Avi †gvUv cvÄvwe ci‡b| kxY© gvbylwU – G‡Kev‡i `¤¢nxb| mvg‡b `uvov‡ZB †jLK‡K wZwb Rwo‡q a‡ib| †jLK wR‡Ám K‡ib, ÔwPb‡Z cvi‡Qb †Zv?Õ Dˇi e‡jb, Ô†Zvgv‡K wPbe bv! Zzwg Avgvi Me©, Zzwg Avgvi †`‡ki Me©|Õ Kɯ^‡i Avi ejvi fw½‡ZB †jLK Lyu‡R cvb †QvƇejvi †mB gv÷vigkvB‡K|

m„wókxj gvbyl Zuvi †fZiKvi RMr Ges cwi`„k¨gvb RM‡Zi mgš^q, AbyivM, Abyf~wZ, †PZbv Avi AcÖKv‡ki fvi gyw³i Rb¨B †j‡Lb| †m-AwfÁZv hZ Zxeª Avi D‡ØMRbKB †nvK bv †Kb| ZvB †Zv Ab¨ Aa¨v‡q wZwb wj‡L‡Qb Wv. †`ex †kwVi Kv‡Q wPwKrmvi K_v, A‡bKw`b ci MÖv‡g wM‡q ey‡ov  gv-evevi m‡½ †`Lv Kivi K_v| gv‡qi †ø‡ni K_v – Ôgv RwoZ Mjvq e‡j hvb, †Kgb AvwQm evev? fv‡jv wQwj? GZw`b Avwmmwb †Kb? Gwj Zvn‡j?Õ iv‡Z gv‡qi Kv‡Q ï‡q g‡b c‡o †QvƇejvq  gv‡qi eyK †Nu‡l ï‡q iƒcK_v †kvbvi K_v|

K¬vm bvB‡b dvBbvj cix¶vi dig c~iY Kivi w`b nvmvb AvwRRyj n‡Ki Rb¥ZvwiL Zvi evev 2 †deª“qvwi 1939 wjL‡jI, Zuvi Avmj Rb¥ZvwiL GwU bq| †jL‡Ki Rb¥ZvwiL Zvi evev wj‡L iv‡Lbwb| KviY Zvi †R¨ô †Q‡ji UvBd‡q‡W g„Zz¨i ci wKQyKvj mewKQy‡ZB AvMÖn nvwi‡q †d‡jwQ‡jb| Z‡e †jL‡Ki gv‡qi ¯§„wZkw³ cÖLi _vK‡jI gyw`ªZ A¶‡ii m‡½ Zuvi †Kv‡bv †hvMv‡hvM wQj bv| ZvB †Q‡ji Rb¥w`b m¤ú‡K© wZwb Zvi wbR¯^ c×wZ‡Z g‡b Kivi †Póv Ki‡Zb – ÔLivi eQ‡ii wVK c‡iÕ, Ôï‡KviÕ eQ‡ii Av‡Mi eQi (`ywf©‡¶i eQi),  ÔAvwkbÕ gv‡mi S‡oi mgq ÔfyuBK‡¤úi eQiÕ BZ¨vw` wQj Zvi g‡b Kivi Dcvq| †jL‡Ki ¯§„wZK_vq D‡V G‡m‡Q †m-mgqKvi gymjgvb‡`i C`, k‡eeivZ, k‡eK`i cvj‡bi K_v| wn›`y‡`i c~Rv cvjbmn bvbv Drm‡ei ü`q‡Quvqv eY©bv|

cwi‡k‡l G-K_v ejv hvq, †jLK †kK‡oi Uv‡b eviseviB wd‡i †`‡L‡Qb Rb¥f~wgi gvbylRb Avi cwi‡ek‡K| †d‡j Avmv w`b¸‡jv bZzb GK Av‡eM wb‡q, Kó wb‡q D‡b¥vwPZ n‡q‡Q Zuvi †Pv‡L| Kó Avi †e`bvi GB Zvc‡K wZwb mÂvwiZ K‡i‡Qb cvV‡Ki ü`qg‡b| evsjv mvwn‡Z¨i AMÖMY¨ K_vmvwnwZ¨K nvmvb AvwRRyj n‡Ki cÖZ¨¶‡Y I weei‡Y Zuvi K_b‰kjx GK beiƒc †c‡q‡Q Uv‡b| MÖš’wU †h-†Kv‡bv cvV‡Ki ü`q Qyu‡q hv‡e| †Pv‡Li mvg‡b †g‡j ai‡e AZxZw`‡bi Qwe| cvVK Abyfe Ki‡eb bvwoi Uvb|

সোশ্যাল মিডিয়া

নিউসলেটার