থিওডোর বস্নখ, ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দ

গৌতম বসু

 

বৃষ্টি মাথায় ক’রে উঠোন পার হতে দেখলেই

তাঁর বউমা যতবার হাঁই-হাঁই ক’রে উঠতেন

ততবার বেলামা সহাস্যে তাকে বোঝাতেন, ওরে,

বৃষ্টির ফোঁটা মাথায় পড়া মঙ্গল, বুদ্ধি গজায়।

কামিনী স্টোর্সের ছাউনির নিচে দাঁড়িয়েছিলাম

পুরনো কথাটা সহসা মনে প’ড়ে গেলেও, স্যর

ওটা বৃষ্টিপতন সংক্রামত্ম ক্ষণেকের মোহঘোর,

অধুনা আমি আপনার কথাই ভাবি, ঘুরে-ফিরে

কাজে-অকাজে আপনার কথা, রামগড়ের টিলা,

সে-টিলার যোগীমারা গুহায় তিন পঙ্ক্তির কাব্য –

এইসব তাৎপর্যহীন চিমত্মায় দিন কাটছে।

ভাবি, রাখালবালকেরাই সর্বাগ্রে দিব্যলিখন

দেখতে পায়, কেন পায়, আপনি কি জানেন, স্যর?

বর্ষণক্লামত্ম এই মোহনসন্ধ্যাকালে, আমি একা,

কম্পিতস্বরে ব্রাহ্মীলিপি পাঠ ক’রে চলেছি, আর

অসংখ্য ভাবমগ্ন বাদুড় আমায় ঘিরে রয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: