(কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে নিবেদিত)

রুদ্র,

তুমি কি শুনতে পাচ্ছো?

শেষ দরজায় করাঘাতের আওয়াজ?

নিঃশব্দে চলার ধ্বনি?

স্তব্ধতা – যেন বজ্রের পূর্বাভাস!

স্মৃতিদের নির্বাক চিৎকার!

রুদ্র,

খসেপড়া তারাগুলো তোমার ঠিকানা জানে?

ওরা নিঃসঙ্গতায় ভালো লাগা খুঁজে ফেরে, নাকি

দূরত্বের গল্প বলে কাছে থাকার মিথ্যে অভিলাষ জাগায়!

আচ্ছা, তুমি কি জানো?

কাগজেরা মেঘেদের মতো সাদা কেন?

কেন চিঠিগুলো সঠিক গন্তব্য পায় না?

তুমি কি এখনো খুঁজছো?

অকারণের কারণগুলো!

ভুলে ভরা বিষাদগুলো!

অবোধ মনের প্রবোধগুলো!

রুদ্র,

তুমি শুনবে বলেই বলছি,

মানুষেরা বৃক্ষ হতে পারে না।

মানুষ তো ঠিকঠাক মানুষটুকুও হতে ভুলে যায়,

মানুষের ক্লান্তি থাকে, স্বার্থ থাকে, লালসা থাকে;

বৃক্ষের থাকে শুধুই পরার্থ।

সাজানো ঘাসের ওপর যে সবুজ পাতা ঝরে পড়ে,

তাদের উপশিরায় আমি তোমার নাম লিখে দিলাম।

Leave a Reply