(কবি ও সম্পাদক আবুল হাসনাত সম্মানিতেষু )

মনে হচ্ছে এই সেদিন আপনার সাথে দেখা হলো। আগের মতোই

স্মিত, স্বল্পবাক, আন্তরিক

আড্ডায়, সভায় উজ্জ্বল অতিথি

নিউইয়র্কের ঠান্ডায় ঈষৎ কাবু

নিজেকে আড়াল করার স্বভাবজাত আনন্দে নমিত

তবু নৌবিহারে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায়  উচ্ছল হয়েছিলেন সেদিন।

মনে পড়ে যখন ‘সংবাদ সাময়িকী’র ঈর্ষণীয় সাহিত্য সম্পাদক আপনি

মফস্বলের অচেনা কবি যশোপ্রার্থীর কবিতা, গল্প ছেপেছিলেন একের পর এক

তারও অনেক অনেক বছর পর যখন আপনার সাথে প্রথম দেখা

তখন নীরবে স্বাগত জানিয়েছিলেন

প্রয়াত কবি সায়ীদ আতীকুল্লাহ বলেছিলেন ‘ওর কবিতা দেশে ছাপা হয়েছে’ ।

আপনি ছোট্ট করে বলেছিলেন – দেখেছি ।

চিরকাল আপনি এরকমই ছিলেন আপাত নৈর্ব্যক্তিক

অথচ কী গাঢ় কী অসাধারণ শৈল্পিকতায়

আপনি তৈরি করতেন সাময়িকীর পাতা

লেখায়, রেখায় অনবদ্য।

আপনার  ‘ভুবনডাঙার জ্যোৎস্না’  মনোহর ‘সবিতা হালদার’ ও

অপরাপর কবিতায় বুঁদ হয়ে থেকেছি কতবার

জলরঙে আঁকা ছবির মতো ভেসে ওঠে সব।

কবিতা ও সম্পাদনায় আপনি শোভিত ছিলেন নিজস্ব বাগানে

আর আজ আপনি স্থিত হয়েছেন স্মৃতির গোলাপে।

Leave a Reply