হুতোম প্যাচার নক্‌শা – নকশা কেন

লেখক: সৌভিক চ্যাটার্জী

ভূমিকা : সমাজ ও অসংগতি
ঊনিশ শতক যুগসন্ধির শতক। মূলত, ১৭১৭ সালে সম্রাট ফারুকশিয়ারের ফরমান লাভ এবং ১৭৬৫ সালে সুবে-বাংলার দেওয়ানি অধিকার লাভ বাংলায় যথাক্রমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতাপ্রাপ্তির স্তম্ভরূপে বিবেচনা করা যায়। এখান থেকেই কার্যত ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিসত্মার, যা ১৮০০ সালের পর থেকে সামাজিক স্তরে প্রভাব ফেলতে থাকে। এই সময়কালের চরিত্রটি বিশেস্নষণ করলে দেখা যাবে তা আসলে মধ্যযুগীয় সামন্ততন্ত্র এবং ঔপনিবেশিক আধুনিকতার মিলনের যুগ। কলকাতা শহর, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে বাংলার ক্ষমতাকেন্দ্রে পরিণত হয়, যা বাংলায় ধনতান্ত্রিক বণিক পুঁজির জয়যাত্রাকে প্রতিষ্ঠিত করে। পূর্বের ভূমিকেন্দ্রিক সামন্ততন্ত্র যে অর্থনীতির কথা বলত তার চেয়ে এই নববিকশিত শহরের অর্থনীতি অনেকটাই আলাদা হয়ে গেল। কলকাতার বুকে আশপাশের জায়গা থেকে জনসমাগম শুরু হলো অর্থনৈতিক কারণে। এই ‘গ্রামীণ’ মানুষজন এসেছিলেন তাঁদের স্বাভাবিক লোকাচার, বিশ্বাস ও মধ্যযুগীয় ধ্যান-ধারণা নিয়ে। শহরের প্রথম প্রজন্মের ঔপনিবেশিকদের নতুন শহরের গঠনকার্যে যে ‘উৎপাদক’ শ্রেণির প্রয়োজন ছিল, এঁরা সেই দরকার মেটাচ্ছিলেন এবং নতুন ধনিক অর্থনীতির কল্যাণে দ্রম্নতহারে টাকা-পয়সা করে নিতে পারছিলেন। এভাবে একটি সমাজ হয়তো তৈরি হলো; কিন্তু তার মধ্যে লুকিয়ে ছিল পূর্বোক্ত দুটি চরিত্র। ভিন্ন দুটি সংস্কৃতি, মানসিকতা, অর্থনৈতিক ইতিহাস যখন কাছাকাছি এলো – দ্বন্দ্ব শুরু হলো তখনই।
দ্বন্দ্বের কারণ হিসেবে বলা যায় – এই শহরের অর্থনীতি
বণিক-নিয়ন্ত্রিত এবং সমাজ ঔপনিবেশিক বাস্তবতার হলেও শ্রমিক ও উৎপাদক হিসেবে যেসব ভাগ্যান্বেষী এসে প্রতিষ্ঠিত হতে পারলেন, তাঁদের মনন-কাঠামো মধ্যযুগের বলেই তাঁদের কাছে ইংরেজদের আচরণবিধি
ছিল নতুন। সমাজ-ভাষাতত্ত্বের ধারণা মাথায় রাখলে আমরা দেখব এই ভিন্নতর দুটি সংস্কৃতি, যার মধ্যে একটি ঔপনিবেশিকের সংস্কৃতি বলে ‘উচ্চ’ এবং অন্যটি শাসিতের বলে ‘নীচ’, যখন পরস্পরের সান্নিধ্য পেল তখন একটি সংশেস্নষজ সংস্কৃতি তৈরি হলো। এই সংশেস্নষে, স্বাভাবিকভাবেই ‘নীচ’ সংস্কৃতিটিকে মানিয়ে নিতে হলো ‘উচ্চ’ সংস্কৃতির সঙ্গে। ফলে মধ্যযুগীয় সামন্ততান্ত্রিক মননই খোলনলচে পালটে ঔপনিবেশিক আধুনিকতার মুখোশে মুখ ঢাকল। ‘জমিদার’ হলেন ‘বাবু’, বাইজি নাচ হলো ‘খ্যামটা’, ‘হারেম’ হলো ‘বেশ্যালয়’। আবার, নব্য সম্ভ্রান্ত বাবুদের স্ব-সমাজ এই পরিবর্তনকে দেখল পুরনো দিনের পরিপ্রেক্ষিতেই। মধ্যযুগীয় সংস্কার ও মূল্যবোধের প্যারামিটারে শহরের নতুন বৈশিষ্ট্যগুলো, যথা বাবু-কালচার, শহর কলকাতার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, পুরনো গ্রামীণ সামন্ততান্ত্রিক সমাজের ভাঙন ও অর্থের ভিত্তিতে নির্ধারিত কৌলীন্যকে যেন চ-ীম-পে ফেলে বিচার করতে বসল শহর কলকাতার ‘বস্ন্যাক টাউন’। তাদের কাছে এই পরিবর্তন ছিল ‘অসংগতি’।

হাস্যবাদ : দার্শনিক ভিত্তি এবং ‘নকশা’ সংরূপ
হাসির কারণ হিসেবে বিভিন্ন দার্শনিকের কাছ থেকে মূলত যে-মতগুলো পাওয়া গেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো –
১. নিকৃষ্টতাবাদ
২. অসংগতিবাদ
প্রথম মতের বক্তব্য হলো, আকস্মিক গৌরববোধে, নিজ অপেক্ষা অন্যের নিকৃষ্টতা আমাদের ‘হাস’ ভাবকে উদ্দীপিত করে। এটাই হাসির কারণ হয়ে ওঠে। অন্য বহুজনস্বীকৃত মতটি হলো ‘অসংগতিবাদ’, কোনো ঘটনা বা চরিত্রের মধ্যে যদি মানসিক প্রস্ত্ততিমতো ধারণা লাভ করা না সম্ভব হয়, তাহলে সেই অসংগতি আমাদের হাস্যোদ্রেক করে। কৌতুকপ্রবণতার মধ্যে একটি সহৃদয়শূন্যতা আছে তা রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘কৌতুকহাস্যের মাত্রা’ প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করেছেন। অসংগতি culture specific যেহেতু, তাই তা থেকে আসা হাস্য বা কৌতুকও তাই।
সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উনিশ শতকের কলকাতা ও সরস্বতীর ইতর সন্তান বইয়ের ‘কলিকাতা কৌতুকালয়’ প্রবন্ধে বলছেন, ‘কৌতুকের সমাজবিদ্যাগ বিশেস্নষণ বা Sociology of humour নিয়ে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেরই মতে ব্যঙ্গ-কৌতুক আসলে দুর্বলের অস্ত্র ক্ষমতাবান শত্র‍ুকে কথার মারপ্যাঁচে, তির্যকভঙ্গিতে পরাভূত করা, পারিবারিক পরিবেশের অস্বসিত্মকর অবস্থার মোকাবিলা করতে গিয়ে হাসি-ঠাট্টা, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে নিজেদের সত্তাকে সপ্রমাণ করা – এইসব তাগিদই সচরাচর comic-এর উৎস বলে বিবেচিত হয়েছে।’
ঠিক এই কারণেই কলকাতার নব-কুলীন বাবু-সমাজে, সেদিনের জনমানস দুই ভিন্ন মূল্যবোধের দ্বন্দ্বকে উনিশ শতকীয় অসংগতি হিসেবে দেখেছিল এবং ব্যঙ্গবাণে বিদ্ধ করেছিল। গ্রামীণ মূল্যবোধ ও পরিপ্রেক্ষিত, কলকাতার জীবনচর্যাতে culture specific হাস্যের মালমশলা খুঁজে পেয়েছিল। এরই ফলে আমরা উনিশ শতকীয় গদ্যে ‘নকশা’ সংরূপটি পাই। সংসদ বাংলা অভিধান অনুযায়ী নকশার সংজ্ঞা হলো – ‘হাস্যরস পরিপূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক রচনা যার মাধ্যমে সামাজিক অনাচার, ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্রূপ প্রকাশ পায় … নকশা প্রধানত আকৃতিতে হয় নীতিদীর্ঘ, ভাষা হয় লঘু ও ইঙ্গিতপূর্ণ।’
বাংলা সাহিত্যের নানা রূপ বইতে শুদ্ধসত্ত্ব বসু ‘নকশা/ নক্সা’র সংজ্ঞায় বলছেন, ‘কথা-সাহিত্যের যে রচনা শুধু চিত্রধর্মী, মানবজীবনের জটিল আবর্তন ও অনুবর্তনগুলি কার্যকারণ সম্পৃক্ত করে গভীর উপলব্ধির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় না, শুধু পটভূমির চালচিত্র, জীবনের ছবি তাৎপর্যহীনভাবে পরপর উপস্থিত হয় – সে রচনাকে নকশা বলা যেতে পারে।’

হুতোম প্যাঁচার ‘নকশা’
নকশার বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে একটি value of sphere অন্য একটি value of sphere-কে নিজের মতো করে দেখবে এবং তা নিয়ে চর্চা করবে। ফলত, সমাজের ‘আচারের’ বা এক শ্রেণির মূল্যবোধের প্রতি কটাক্ষ থাকবে। এবং সুমন্তবাবুর পূর্বোক্ত মতানুযায়ী, নকশায় ‘দুর্বলের অস্ত্র’ ক্ষমতাবানের প্রতি প্রযুক্ত হয় বলেই ‘নীচু’ সংস্কৃতি তার সমাজ-ভাষা ব্যবহার করবে। সুতরাং, ভাষা হবে সহজ, লঘু, চলিত।
উনিশ শতকে ভবানীচরণ ও রামনারায়ণ নকশাধর্মী ও প্রহসনধর্মী লেখা শুরু করেন। এগুলোতে সমাজ, সমকালের পূর্বচিহ্নিত ‘অসংগতি’গুলো তুলে এনে তাকে ব্যঙ্গের আবহে পরিবেশন করার প্রয়াস পান। তৎকালের ছবি, জীবনচর্যা, মানবচরিত্রের বর্ণনা খাপছাড়া ও খ-চিত্রময়। কাহিনিপরম্পরা আধুনিক উপন্যাস বা নাটকের মতো ঘনপিনদ্ধ নয়। এগুলোতে সমকালের চলিত বাংলা থাকলেও তাতে সাধুভাষার প্রয়োগ অতিরিক্ত। তাই কৌতুকের গতি জায়গায় জায়গায় আড়ষ্ট। তাই নকশার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে যে-ভাষা ব্যবহারের কথা এসেছে তাতে সমাজের ব্যঙ্গকারী অংশের value of sphere-এর ছাপ নেই। প্যারীচাঁদ আংশিকভাবে তা করতে পারলেও তাঁর লেখাতেও সাধুভাষা ছিল এবং রবীন্দ্রনাথ যাকে বলেছেন, ‘সহৃদয়শূন্যতা’ (বা সম্পূর্ণ নৈর্ব্যক্তিকতা) তা আলালে নেই।
কিন্তু হুতোমে দেখা গেল, নির্ভেজাল শেস্নষ ও নির্মম শ্রেণি সমালোচনামূলক ব্যঙ্গের ছড়াছড়ি। এই প্রথম বাংলার লিখিত গদ্যের চেহারায় এরকম ‘নকশা’ পাওয়া গেল। সমস্ত অনুভূতি মুছে, ‘হুতোম’ কলির শহর কলিকাতাকে দেখল নৈর্ব্যক্তিকভাবে। কারো সমালোচনার মধ্যে সমাজকে সংস্কার করার মহত্ত্ব লুকিয়ে ছিল না। যেন কলকাতার দ্বিচারিতা ও কেচ্ছা বলার জন্যই ‘হুতোম’ কলম ধরলেন। করুণহাস্য হিউমার নয়, ব্যঙ্গধর্মী স্যাটায়ার করে গড়ে তুললেন আদ্যোপান্ত গদ্যটি। এটি সোনাগাজীর রাখহরিবাবু, প্যালারামবাবু, নদেরচাঁদ গোস্বামী, কানাইধন দত্ত প্রমুখ হঠাৎ ‘বড়োলোক’ হয়ে-ওঠা বাবুদের যেমন থাপ্পড় মেরেছেন, তেমনি একহাত নিয়েছেন শহরের নুন্নি, মুন্নী নামধারী বাঈদের এবং শ্যাম, ‘খুদু, চুণী’ নাম্নী খ্যামটাওয়ালিদের। লখনৌ থেকে নির্বাসিত ওয়াজেদ আলি শাহ মুচিখোলায় এসে বসতি স্থাপন করলেন এবং ‘চোর বদমাইশ ও বিলক্ষণ দশটাকা উপায় করে নিলে’ ছোটোলোক ও বড়োলোকের মধ্যে খেয়োখেয়ি, অনাস্থা ও অবিশ্বাসের বাস্তব চিত্রই এই গদ্যে ফুটে ওঠে। মধ্যযুগীয় ঈশ্বর কলকাতায় জায়গা পাননি। তাঁর স্থান নিয়েছে টাকা। বণিক অর্থনীতির সৌজন্যে ‘পুঁজির চেহারা ও ক্ষমতা’ই কলকাতার মানুষ ভগবানের মতো দেখল। নির্ধন হলো ধনবান, কিনে নিল সামাজিক কৌলীন্য। ঈশ্বরের মৃতদেহের ওপর দুর্গোৎসব-চড়কের গ্রামীণ সংস্কৃতির নতুন বেদি হয়ে উঠল বেনিয়ার পয়সার গরম দেখানোর জায়গা। রেস্তহীন গুলিখোর, গেঁজেল, মাতালরা লাঠি হাতে করে কানা সেজে আত্মসম্মান বেচে ব্রাহ্মণ হওয়ার ফায়দা তুলে হেঁকে গেল, ‘অন্ধ ব্রাহ্মণকে কিছু দান কর দাতাগণ’ এই যুগোচিত চিত্রময়তা হুতোমে আমরা পেলাম। অবিশ্বাসের এক সমাজ কিভাবে ‘আধুনিক’ নামটির আবডালে সযত্নে নিজেদের দ্বিচারিতা লুকিয়ে রাখত, তাকেই ব্যঙ্গ ও উপহাসে হুতোম নগ্ন করে দিলেন।
নিজেও জমিদার বংশের সন্তান হওয়ায় কালীপ্রসন্ন এই সমাজটি সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত ছিলেন। পাশাপাশি নতুন শহরের রাসত্মাঘাটে ঘুরে বেড়ানো ভাগ্যান্বেষী চরিত্র, ধান্দাবাজ, জুয়াড়ি, মাতাল, গুলিখোরের জীবনযাপনের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন ভালোভাবে। কলকাতার ‘বস্ন্যাক টাউনে’র নানা পরিবেশের নাগরিক জীবনে চেনা চরিত্রটি তিনি দেখেছিলেন – লোক ঠকানো। বেনিয়া-মুৎসুদ্দিরা সাহেব ভজিয়ে দুটো পয়সা আদায় করে নেওয়ার ধান্দায়, তাদের মোসাহেবরা আবার এই হঠাৎ পয়সাওয়ালাদের থেকে লুটে উপার্জন করে ধনী হয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত। আর সমাজের একদম নিচের নিম্নবর্গ ও নিম্নবিত্তরা তাদের চাকরবৃত্তি করে বাঁচার উপায় বের করেছিল। অর্থাৎ ফের দেখা যাবে সেই সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতির পিরামিডের কাঠামো। আসলে সবাই যে ঠগ, কেউ কলকাতায় সৎ হয়ে বাঁচতে পারে না, এই গূঢ় সত্যটিই নির্মোহভাবে তুলে ধরেছেন ‘হুতোম’ … খাঁটি বিদ্রূপের জন্য যে হৃদয়াবেগশূন্যতা লাগে, তাঁর আয়ত্তাধীন ছিল। সমাজকে তীক্ষন ব্যঙ্গের কষাঘাতে আগাপাশতলা চাবকানো আসলে একটি বিসত্মারিত আর্ত ও শ্রেণি সমালোচনা। হুতোম যে সমকালেও এতে সার্থক হয়েছিলেন তা বোঝা যায়, যখন তাঁকে উদ্দেশ করে এই গদ্যের ‘কাউন্টারে’ লেখা হয় ‘আপনার মুখ আপনি দেখ’। বলা চলে ‘হুতোম প্যাঁচা’ মৌচাকে ঠিকভাবেই ঢিলটি ছুড়েছিলেন।
অন্যদিকে, হুতোমের লেখায় যে-চলতি কলকাত্তাইয়া বুলি উঠে এসেছে, তাতে আশপাশের গ্রাম-মফস্বল জীবনের সমাজ মূল্যবোধের ছাপ স্পষ্ট। তাই বলা যায়, এই সদ্যগঠিত ‘ককনি’ আসলে সমকালের চরিত্র ও value of sphere-কে তুলে ধরেছে। সাবলীল ও সহজ এই বুলি, প–তি বুলির একদমই বিপ্রতীপ অবস্থানের। পিউরিটান বঙ্কিম এই ভাষায় খুব প্রীত হননি ও সাহিত্যের ভাষা হিসেবে একে স্বীকার করেননি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এখানেই উপলব্ধি করেছেন, ‘আমাদের
মাতৃভাষা সর্বাঙ্গে বঙ্গময়ী।’
তাই ব্যঙ্গাত্মক সমালোচনায় সমাজচিত্র অঙ্কন এবং ভাষার সাবলীলতা, নকশা হয়ে-ওঠার যে আঙ্গিকগত গুণদুটি দরকার তা এখানে বর্তমান। খাঁটি ব্যঙ্গ নির্মাণের জন্যই ব্যঙ্গ, সমাজ সংস্কারের জন্য নয় বলেই ‘হুতোম’ হতে পেরেছেন ‘নৈর্ব্যক্তিক’, এবং তাঁর চোখে ও মূল্যবোধের বিচারে সামাজিক অসংগতি থেকে কৌতুক হয়ে বেরিয়ে আসা রচনাটি অনেক বেশি ‘নকশা’ হয়ে উঠেছে।

গ্রন্থপঞ্জি
১. উনিশ শতকের কলকাতা ও সরস্বতীর ইতর সন্তান, সুমন্ত
বন্দ্যোপাধ্যায়।
২. বাংলা সাহিত্যের নানারূপ, শুদ্ধসত্ত্ব বসু।
৩. সটীক হুতোম প্যাঁচার নকশা, সম্পাদনা অরুণ নাগ।
৪. উনিশ শতক, অলোক রায়।
৫. পঞ্চভূত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

Leave a Reply

%d bloggers like this: