সৃষ্টি-সন্ধানী আবুল হাসনাত

আমৃত্যু আবুল হাসনাত স্বভাবে ছিলেন নিভৃতচারী এক কর্মযোগী। তাঁর বহুপল্লবিত সৃষ্টিশীল সুকৃতি ও উত্তম সম্পাদনা সারস্বত সমাজে ক্রমশ সুখ্যাত হয়ে ওঠে। তাঁর মতো তন্নিষ্ঠ, পরিশ্রমী, পরিচ্ছন্ন সাহিত্য সম্পাদক বরাবর এদেশে […]

Read more
বিদায়ব্যথার ভৈরবী

আবুল হাসনাতকে আমি বরাবর ভাই বলতাম, তিনি বলতেন বন্ধু। যদিও বয়সে আমি ছোট, তিনি বরাবর ‘আপনি’ এইভাবে সম্বোধন করতেন, বলেকয়েও তাঁকে দিয়ে ‘তুমি’ বলাতে পারিনি। প্রথম পরিচয় ১৯৭২ সালে, মুক্তিযুদ্ধের […]

Read more
মৃত্যুঘোর : আমাদের সব গোলমাল হয়ে গেল হাসনাতদা

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত ‘কেন?’ কবিতায় এই বাক্যগুলো লিখেছিলেন – কেন অবেলায় যাবে? বেলা হোক, ছিন্ন করে যেও সকল সম্পর্ক। যেন গাছ থেকে লতা গেছে ছিঁড়ে একটি বিষণ্ন লোক […]

Read more
কয়েকটি সাক্ষাতের স্মৃতি

হাসনাতভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয় মস্কোয় ১৯৮৬ সালে। বোধ করি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে – শীতের ঠান্ডা তখনো পুরোমাত্রায়। গণসাহিত্যের সম্পাদক হিসেবে তাঁর নামের সঙ্গে আমি পরিচিত ছিলাম, কিন্তু […]

Read more
হাসনাতদা

বিশ্বব্যাপী অতিমারীর কারণে দীর্ঘকাল ধরে বাড়িতে বন্দি। এই অবসরে নিজের অসমাপ্ত কাজগুলো গুছিয়ে নেবার চেষ্টা করছি। তারপর প্রায় মাস আষ্টেক বাদে হঠাৎ একটা  জরুরি কাজে শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় চলেছি ভাড়া-করা […]

Read more
‘অনেক মাইল ব্যেপে পৃথিবীর রাঙা দীর্ঘশ্বাস’

নিকটজনের মৃত্যু ভিন্ন এক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা। যেসব মানুষের স্নেহ-মমতা আমরা একটু বেশি মাত্রায় পাই, তাঁদের মৃত্যু বেশি আঘাত দেয়। আর সেই আঘাত এতটা গভীর হতে পারে যা আগে থেকে কিছুই […]

Read more
প্রিয় হাসনাতভাই

সাতমসজিদ রোডে ছায়ানটের অপরিসর আঙিনায় জনাপনেরো নারী-পুরুষ। সকাল থেকে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। মাস্ক-মোড়া মুখে কয়েকজনকে চেনা-চেনা লাগলেও আমার দৃষ্টি অদূরে লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যানের দিকে। কিন্তু ততক্ষণে ওটার ডালা আটকানো সারা, মৃদু […]

Read more
হাসনাতভাই

নবাবপুরের মাঝামাঝি পশ্চিম দিককার এক রাস্তায় মানসী সিনেমা হল। মানসী হলের নাম তখন ছিল ‘নিশাত’। এই হলের ঠিক উলটোদিকে লোহার বিশাল একটা গেট, টিনশেডের দৈনিক সংবাদ অফিস। যতদূর মনে পড়ে […]

Read more
সাহিত্য সম্পাদক আবুল হাসনাত

প্রারম্ভে কিছুটা ভণিতা। নেত্রকোনার কুমড়ি পল্লিতে আমার জন্ম হয়েছিল আমার নানাবাড়িতে। সেই বাড়িতে একটি বিশাল কোঠা ছিল। তখন প্রায় পরিত্যক্ত এই কোঠায় কাঠের একটি আলমিরা ছিল।  একেবারে শৈশবে লুকোচুরি খেলতে […]

Read more
নীরব-সরব মানুষটি

ঢাকার বাইরে থাকি। ঢাকায় এলেই সুবীরকে (বেঙ্গল শিল্পালয়ের প্রয়াত পরিচালক সুবীর চৌধুরী) ফোন দিই : সুবীর, ঢাকায় এসেছি, একদিন আড্ডার আয়োজন করো। সাধারণত সেদিনই আয়োজনটি হয়ে যেত, কারণ সুবীরের আগ্রহ […]

Read more