আলতাফ হোসেন
-
দ্বৈত
এই যে এখানে এলে বাদামের খোসা পেলে অবশিষ্ট হাতে যাকে ভাবলে বাওবাব সে একটি নৈশ ক্লাব ফুরায় প্রভাতে সকালে এমনই তোর তৈরি হয়েছিল ঘোর কীভাবে বেরোবি নতুন বর্ষ আসে ডোবা তাতে পোকা ভাসে বিধ্বস্ত ছবি পদ্ম যে অবিচল তোর কী হয়েছে বল্ কালো দেখছিস পিরিচে সাজানো বেল নাগলিঙ্গমে উদ্বেল …
-
কী করব কোথায় যাব ঘরেই হাঁটছি
কী করব কোথায় যাব ঘরেই হাঁটছি কিছু কি ভাবছি? এই ভাবছি, এই ভাবছি না আর কতদিন? হাসনাতকে মনে পড়ল, মনে পড়ল কালি ও কলম মনে পড়ল কবিতা দেবেন আলতাফ। বিষণ্ন দুপুর রোদ এই চড়া, এই মরা যাচ্ছে মরে ফের আসছে ফিরে চলে যাবে চলে যাবে বলে
-
দুনিয়ায় একটি দুপুর
আমি গ্রিক বলি আর তুমি বলো ল্যাটিন ল্যাটিন তা নিয়েই বাসে উঠি, বাস ওঠে আমার ওপর মিল দিতে আসে যন্ত্রবাঘ, তার গর্র ঘর্ঘর জাকির খান আসেন, তবলা বাজে ধিন তা তা ধিন রোদে ও ছায়ায় বলে একদিন এক কবিতা ছিল এ রকম দুইভাগে, তাতেই আহ্লাদ একদিন হয়েছিল তাতে হাসি পায়, হাসি পায় না, দাড়িগাঙ দিকচিহ্নহীন ছুটে চলে তার সঙ্গে পাল্লা দেয় সুনীলও নিখিলও তুমি কি লাতিং বলো, আর আমি বলে চলি গ্রিং? তোদের কি চিনি আমি, তোরা বুঝি আমাকে চিনিস ডিসকভারি চ্যানেল আপনি আসে, তাতে গোখরো, হিস হিস মন (আয়রনি!) যাবে চিতওয়ানে, সেই যে গো উতরোল র্যাফটিং… সেই যে গো হস্তিপৃষ্ঠ, গণ্ডারটি, বেঁচে থাকা দায় দৃশ্য এসে দৃশ্যে, দৃশ্য দৃশ্যে এসে দৃশ্যে মিশে যায় তুমি কি ওরাঙ বলো, তুমি কি ওটান, বল্ কী তোর খবরতা নিয়েই বাসে উঠব, বাস উঠবে আমার ওপর।
