January

  • আবেদিন

    এস. আমজাদ আলী ইংরেজি থেকে অনুবাদ : সুব্রত বড়ুয়া এ-কথা বলা যাবে না যে, জয়নুল আবেদিন তাঁর কালের তরুণ শিল্পীদের মধ্যে শৈল্পিক প্রকাশের প্রতিভা সঞ্চারিত করেছেন, তবে তিনি অবশ্যই সে-প্রতিভার পরিপোষণ ও বিকাশের জন্যে অনেক কিছু করেছেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর, এমনকি তাঁর নিজের সৃজনশীল শিল্পকর্মের বিনিময়েও, তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন চারুকলা কলেজ গড়ে তোলার কাজে।…

  • জয়নুল আবেদিন

    জালালউদ্দীন আহমেদ ইংরেজি থেকে অনুবাদ : সুব্রত বড়ুয়া ‘রিয়েলিস্ট’ গ্রুপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিলেন ৪৫ বছর বয়স্ক জয়নুল আবেদিন, যিনি তুলনামূলকভাবে কম বয়সেই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন – যখন তাঁর বয়স মাত্র ২৬ বছর। সময়টা ১৯৪৩ সাল, যা ছিল বাংলার মহাদুর্ভিক্ষের বছর। এই দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লাখ নর-নারী ও শিশু অনাহারে, রোগে ভুগে ও মহামারিতে মৃত্যুবরণ করেছিল।…

  • রেখার গরিমায় দীপ্র চিত্রপট

    আবুল মনসুর একেবারে প্রাচীনকাল থেকেই ছবি আঁকার প্রাথমিক প্রচেষ্টা রেখাঙ্কনের মাধ্যমে সূচিত হয়। এটা একটা কৌতূহলোদ্দীপক ব্যাপার। কারণ, আসলে প্রকৃতিতে কোথাও রেখা নেই। একটি বস্ত্ত থেকে অন্য একটি বস্ত্তকে আলাদা করে দেখার জন্য বা একটি বস্ত্তর অভ্যন্তরীণ গঠনগুলো প্রতিভাত করার জন্য মানুষ রেখার সাহায্য নিয়েছে। একটি দ্বিমাত্রিক চিত্রতলের ওপর ত্রিমাত্রিক একটি বস্ত্তকে ফুটিয়ে তোলার ব্যাপারটা…

  • জয়নুল আবেদিন : পথিকৃৎ তিনি নানাভাবে

    নজরুল ইসলাম শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বারবার আমার এ-কথাটিই মনে জাগছে যে, বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে তিনি কতভাবেই না পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছেন। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। শিল্পী হিসেবে যেমন, তেমনি শিল্প-সংগঠক হিসেবেও। আমার আলোচনাটি দুটো অংশে উপস্থাপন করব – প্রথমে শিল্পী হিসেবে তাঁর পথিকৃতের ভূমিকার বিষয়, দ্বিতীয় অংশে শিল্প…

  • দেশাত্মবোধের বিশ্বগত রূপ শিল্পী জয়নুল আবেদিন

    মৃণাল ঘোষ অবিভক্ত ভারতে ১৯৪০-এর দশকে প্রতিষ্ঠাপ্রাপ্ত শিল্পীদের মধ্যে জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-৭৬) ছিলেন এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। চল্লিশের প্রতিনিধি-স্থানীয় শিল্পীদের প্রায় সকলেই ১৯৪৩-এর মন্বন্তর দ্বারা আলোড়িত হয়েছিলেন। সেই করুণ বাস্তবতা অনেককেই শিল্পসৃজনে উদ্বুদ্ধ করেছে। সেই প্রতিবাদী প্রকল্পে জয়নুল আবেদিন এক স্বতন্ত্র পরিসর তৈরি করে আজো সকলের মনে মন্বন্তরের প্রধান এক শিল্পী হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে আছেন। আজ…

  • চিত্রশিল্পে তাঁর বাঙালিয়ানা

    রবিউল হুসাইন বাংলাদেশের চিত্রশিল্পে জয়নুল আবেদিন স্বরবর্ণের ব্যঞ্জনায় চিহ্নিত। একটি ভাষা-নির্মাণে যেমন স্বরবর্ণের প্রাথমিক ব্যবহার ও অবশ্যম্ভাবিতা উপযুক্ত, অতিশয় গঠনমূলক, তেমনি জয়নুল আবেদিন। সদ্য বিভক্ত মুসলিম জনগোষ্ঠী ধর্মীয় কুসংস্কারে আকণ্ঠ নিমজ্জিত, যখন অন্যান্য দেশে তার, বিশেষ করে চিত্রশিল্পে বিন্দুমাত্র অমনোযোগ নেই, সেই সময়ে এই উজ্জ্বল আবির্ভাব খুবই প্রয়োজনীয় এবং তাই তিনি এদেশের মানুষ ও শিল্পীদের…

  • জয়নুল আবেদিনের স্মৃতি

    জয়নুল আবেদিনের স্মৃতি

    তাঁর সমস্ত সত্তার গভীরে লোকজ নন্দনতত্ত্ব বাসা বেঁধেছিল। এটাই ছিল তাঁর অর্জন এবং উৎস দানের।

  • জয়নুল আবেদিন মহান ও স্বাধীন

    বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর জয়নুল আবেদিন তাঁর কাজকে মেজর আর্টে উন্নীত করেছেন। মেজর আর্ট অসম্ভব, যদি না পূর্ববর্তী সময়ের মেজর আর্ট থেকে শেখা যায়। জয়নুল বাঙালি ও ইউরোপিয়ান ঐতিহ্য আত্মস্থ করে তার শিখরে পৌঁছেছেন। আর্টিস্টিক সংস্কৃতি তিনি অর্জন করেছেন, বিশেষ করে ইউরোপিয়ান মেজর আর্ট। তিনি বাঙালি সংস্কৃতি থেকে অর্জন করেছেন আবহমানের বোধ আর ইউরোপিয়ান সংস্কৃতি থেকে…

  • জয়নুলের হাতে অন্য তুলি

    জয়নুলের হাতে অন্য তুলি

    বাংলাদেশের নৈসর্গিক দৃশ্যের মাধুরিমায় জয়নুল ছিলেন আবিষ্ট

  • আমার দেখা জয়নুল আবেদিন

    বিজন চৌধুরী জয়নুল আবেদিন সাহেবের সঙ্গে আমার পরিচয় হয় কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে। তখন দেশ ভাগ হয়নি। ১৯৪৫ সালে আমি প্রথমবর্ষে আর্ট স্কুলে ভর্তি হই এবং শিক্ষক হিসেবে তাঁকে পাই। আর্ট স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেও আমরা অনেকে তাঁকে নামে চিনতাম। ১৩৫০-এর দুর্ভিক্ষের বাস্তব রূপ চিত্রিত করে তিনি কলকাতা শহরে তখন আলোচিত ব্যক্তিত্ব। শহরের রাস্তায় অন্নের…

  • শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন উত্তরসূরির চোখে

    মুর্তজা বশীর জয়নুল আবেদিনের যে-ছবিগুলো আমার কাছে সবসময় একটা আবেদন রেখেছে, সেটা হলো দুর্ভিক্ষের ছবি। তার পরের ছবিগুলো দু-একটি ছাড়া আমাকে তেমনভাবে আকর্ষণ করতে পারেনি। প্রথমেই জানতে হবে যে, জয়নুল আবেদিন দুর্ভিক্ষের ছবি কেন আঁকলেন। জয়নুল আবেদিন গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষ, জেলে, জেলেনি, কিষান-কিষানি ও খেটে-খাওয়া জনগোষ্ঠী, তাদের তিনি গভীরভাবে ভালোবাসতেন। তাদের দুঃখ-দুর্দশা, তাদের বেদনায় তাঁর…

  • শিল্পকলার পুরোধা জয়নুল

    বুলবন ওসমান চলচ্চিত্রের রোলটি খুব দ্রুত ধাবমান। এই তো সেদিন ১৯৭৬ সালে জয়নুলের প্রয়াণ। আজ তা ৩৮ বছরের প্রাচীন। কোথা দিয়ে কালের এই যাত্রা? ধারণা করার আগেই তা দিগন্তে মিলিয়ে যাচ্ছে। সময়কে ধরার কোনো কৌশল বা হাতিয়ার আবিষ্কৃত হয়নি। ভেবে অবাক লাগে এই তো সেই ১৯৬৬ সালে ঢাকা চারুকলায় শিক্ষকতায় নিয়োগ পেলাম। হাতটি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন…