আশফাক খান

রাবেয়া খাতুন – শক্তিশালী ও সাহসী কথাসাহিত্যিক, শুধু এ-পরিচয়ই যথেষ্ট তাঁর জন্য, আর কোনো বিশেষণের বিশেষ প্রয়োজন নেই। গত শতাব্দীর পঞ্চাশ ও তৎপরবর্তী দশকসমূহে বাংলা সাহিত্যকে পরম নিষ্ঠা ও সাধনায় যাঁরা সমৃদ্ধ করে তুলেছেন তাঁদের অন্যতম তিনি। লিখেছেন দু-হাত খুলে – উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি, কিশোর উপন্যাস, স্মৃতিকথা –    সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় রয়েছে তাঁর পদচ্ছাপ। তাঁর সাহিত্য নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ও নাটক। সবচেয়ে বড় কথা, সে-সময় রক্ষণশীল মুসলমান সমাজে থেকেও অবগুণ্ঠন ভেঙে সাহসিকতার সঙ্গে বহিরাঙ্গনে পা রেখেছেন তিনি, করেছেন নির্ভীকভাবে সাহিত্যচর্চা।

সহস্রাধিক ছোটগল্পে সমৃদ্ধ রাবেয়া খাতুনের ৬০ বছরেরও অধিককালের লেখকজীবন। নানামুখী বিষয় ও চরিত্রে অনিন্দ্যসুন্দর এক সাহিত্যভুবন গড়ে তুলেছেন তিনি। তাঁর সাহিত্যমানস ও দর্শন বোঝার জন্য এই বিপুল সম্ভার একজন পাঠকের জন্য যথেষ্টই শুধু নয় যথোপযুক্ত বলেও বিবেচিত হবে।

ছোটগল্পে যে-রাবেয়া খাতুন পাঠকদের সামনে নিজস্ব ধারা ও স্বকীয়তায় সমুজ্জ্বল তা আরো গতিশীল ও প্রাণবন্ত রূপ পেয়েছে তাঁর উপন্যাসের মধ্য দিয়ে। উপন্যাস নিয়ে সর্বদা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিবিষ্ট এক কথাকার তিনি। মূলত বিভিন্ন বিভাগে তাঁর উপন্যাসের জমিন বিভক্ত। ইতিহাসকেন্দ্রিক উপন্যাস রচনায় তাঁর স্বাচ্ছন্দ্য সর্বজনবিদিত। আনন্দ পেতেন ইতিহাসের আকরগ্রন্থ পাঠে।  সাধারণত বাংলাভাষায় ইতিহাসনির্ভর উপন্যাসে চরিত্রকে কেন্দ্র করে ঘটনাকাল প্রকাশিত হয়ে থাকে। এই সহজ-সরল পথে না হেঁটে তিনি কাহিনিবিন্যাসের মধ্য দিয়ে বিস্মৃত সময়কে জীবন্ত করে তুলেছেন। মধুমতী তাঁর তেমনই একটি অবিস্মরণীয় সাহিত্যকর্ম, যেখানে কাহিনিকে প্রাধান্য দিয়ে সময়কে উপন্যাসের ফ্রেমে বন্দি করেছেন রাবেয়া খাতুন। উপন্যাসটি এখনো, এবং ভবিষ্যতেও, বাংলাভাষায় রচিত উপন্যাসের আলোচনায় শীর্ষবিন্দুতে থাকবে নিঃসন্দেহে। এছাড়া সাহেব বাজার, বায়ান্ন গলির এক গলি, শালিমার বাগসহ নানা উপন্যাসে তিনি তুলে ধরেছেন একসময়ের পুরান ঢাকার জীবনচিত্র। পাঠক-সমালোচকের দৃষ্টিতে এসব উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাসনির্ভরতা বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে।

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকেও তিনি তাঁর সাহিত্যের মধ্য দিয়ে পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন অত্যন্ত গতিশীল ও সাবলীল বর্ণনার মধ্য দিয়ে। ফেরারী সূর্য তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বহুল পঠিত ও আলোচিত। এছাড়াও রয়েছে বাগানের নাম মালনীছড়া, ঘাতক রাত্রি, মেঘের পরে মেঘ – এসব উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, সময়কাল ও তৎকালীন পরিস্থিতি সুনিপুণভাবে উপস্থাপিত।

আগেই বলেছি বহুমুখী ধারায় নিজের সাহিত্যচর্চাকে বইয়ে দিয়েছেন গুণী এ-কথাশিল্পী। শুধু রূঢ় বাস্তবতা আর ইতিহাস-সময়ের ফ্রেমে নিজেকে বন্দি রাখেননি তিনি, সব সময়ে সব পরিবেশে মানুষের অতি-আকাঙ্ক্ষিত ‘প্রেম’ নিয়েও লিখেছেন অনবদ্য ভঙ্গিমায়। সেখানে মূর্ত হয়ে উঠেছে নারী-পুরুষ সম্পর্কের জটিল হিসাব-নিকাশ, টানাপড়েন, শরীরী-প্রত্যাশার বিচিত্র গতিপ্রকৃতি, নারীর নারী হয়ে ওঠার ও মাথা তুলে দাঁড়ানোর দৃপ্ত অভিপ্রায়। অত্যন্ত কৌশলী শব্দবন্ধে শক্তিশালী (বাজারি সস্তা প্রেমকাহিনি নয়) প্রেমের উপন্যাস পাঠকের হাতে তুলে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সাধারণত পঞ্চাশোর্ধ্ব সময়ে গিয়ে ইহজাগতিকতা থেকে আধ্যাত্মিকতার দিকে ধাবিত হয় বেশিরভাগ মানুষের মন। অনেকেই অতীত জীবনাচরণ ও ধ্যান-ধারণাকে হৃদয়ে লালন করে নিজের অজান্তে বর্তমান থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে ফেলেন। কিন্তু রাবেয়া খাতুন কখনোই সে-পথে হাঁটেননি। সব সময় সমকালীনতার সঙ্গে সমান তালে পা ফেলেছেন তিনি। মানিয়ে নিয়েছেন সময়ের চাহিদার সঙ্গে নিজেকে। মোট কথা সকল সময়ই তিনি ছিলেন আধুনিক ও প্রগতিশীলতার ধারক-বাহক। তাই তাঁর সাম্প্রতিক অনেক উপন্যাসে ধরা পড়েছে নর-নারীর বৈধ-অবৈধ সম্পর্কের দোদুল্যমানতা, যা এ-সমাজ ঢেকে রাখে বা রাখতে চায়। কিন্তু সে-সব বিষয় তিনি পাঠকের সামনে উন্মোচন করে দেন, কদর্য বা স্থূলভাবে নয়, শৈল্পিকভাবে। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে – শঙ্খ সকাল প্রকৃতি, শুধু তোমার জন্য, মন এক শ্বেত কপোতী, সৌন্দর্য সংবাদ, রঙিন কাচের জানালা, ছায়া হরিণী প্রভৃতি।

দুই

কথাশিল্পী রাবেয়া খাতুনের লেখালেখির শুরুটা কি বর্তমান সময়ের নারীদের মতো সহজ-স্বচ্ছন্দ ছিল? এমন প্রশ্নের উত্তর সহজ – না, কখনোই তা ছিল না। তাঁর জন্ম অবিভক্ত ভারতে ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর, তৎকালীন ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে মামাবাড়ি পাউসার গ্রামে। তাঁর বাবার বাড়ি ছিল শ্রীনগর থানার ষোলঘর গ্রামে। তাঁদের পরিবার ছিল অবস্থাপন্ন রক্ষণশীল মুসলমান পরিবার। ১৯৪৮ সালে তিনি আরমানিটোলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (মাধ্যমিক) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং এখানেই তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে। কারণ সে-সময় মুসলমান মেয়েদের ক্ষেত্রে – ‘মেয়েদের বেশি শিক্ষার প্রয়োজন নেই’ – এই ধারণা তাঁর পরিবারেও বদ্ধমূল ছিল। ফলে পড়াশোনা বন্ধ। অবশ্য তাতে খুব একটা

লাভ-ক্ষতি হয়নি রাবেয়া খাতুনের, কারণ তাঁর বরাবরই পাঠ্যবইয়ের চেয়ে ‘আউট বই’য়ের (গল্প-উপন্যাস বা পাঠ্যবইয়ের বাইরের বইকে একসময় আউট বই বলা হতো) প্রতি আগ্রহ বেশি ছিল।

পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকে তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ও অন্যান্য শহরে। সে-সময় তাঁরা ছিলেন রায়সাহেব বাজারের নাসিরুদ্দিন সর্দার লেনে। পুরান ঢাকায় তিনি থেকেছেন প্রায় ১০ বছর। এর মধ্যে তাঁর বাবা বদলি হয়েছেন বিভিন্ন শহরে। তখন তাঁদের প্রতিবেশীরা ছিলেন আদি ঢাকাইয়া। তাঁদের বাসায় যাওয়া বারণ ছিল। কিন্তু তিনি কখনো এসব বারণের ধার ধারেননি। ফলে অনিবার্যভাবেই তাঁর কপালে জুটত বাবা-মায়ের শাসন। এছাড়া বাবা ছুটি পেলে যখনই গ্রামে যেতেন সবাই মিলে, তখন তাঁকে আর পায় কে – দস্যিপনায় দিন কাটত তাঁর। এক অনাবিল আনন্দময় শৈশব-কৈশোর কাটিয়েছেন রাবেয়া খাতুন, যাঁকে শৈশবে সবাই চিনতেন ‘রাবু’ বলে।

লেখালেখি শুরু হয়েছিল সেই ১২-১৩ বছর বয়স থেকে। শুরু উপন্যাস দিয়ে, অর্থাৎ প্রথমেই কথাসাহিত্যের বিস্তৃত পরিসরকেই বেছে নিয়েছিলেন তিনি। সে-সময় তাঁদের বাড়িতে নিয়ম করে সপ্তাহে দুটি সিনেমা দেখা হতো, আর সেই সব সিনেমার কাহিনি থেকেই উপন্যাসের রসদ জোগাড় করতেন কিশোরী রাবু। সেই কাঁচা-হাতে লেখা তাঁর উপন্যাস নিরাশ্রয়া, পরে বিদায়, অশোক-রেবা। অবশ্য এগুলো শুধু তাঁর লেখার খাতাতেই বন্দি ছিল, কখনো পাঠকের মুখ দেখেনি, অর্থাৎ প্রকাশিত হয়নি। পরবর্তীকালে ছোটগল্পের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এ নিয়ে তাঁর মা খুব বিরক্ত হতেন, এমনকি রাবুর বড় বোনকে শ্বশুরবাড়ির কথাও শুনতে হতো। কারণ ১৯৪৮-৪৯ সালের দিকে তাঁর দু-চারটা গল্প কয়েকটি কাগজে প্রকাশিত হয়। পরপুরুষের সঙ্গে একই কাগজে লেখা প্রকাশ! সে-সময়ের জন্য এ ছিল এক বিরাট অপরাধ! তাই নিয়ে নানা জনে নানা কথা বলত। বাদ যেত না বড় বোনের শ্বশুরালয়ও। তাই নিয়ে নিজের বাড়িতে পাঠানো এক চিঠিতে বড় বোন ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই বলে –    ‘রাবুর হাতের লেখা পত্রিকা অফিসের পরপুরুষরা দেখে, এজন্য আমাকে গঞ্জনা সহিতে হয়।’ কিন্তু রাবু যে তখন সাহিত্যিক হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। সাহিত্যচর্চা-বিরোধী কোনো কথাই তাঁর কানে ঢুকে মনে পশছে না। লিখে চললেন তিনি সকল বাধা ডিঙিয়ে এবং তারই পরিণতি আজকের কথাশিল্পী রাবেয়া খাতুন। 

জাহানারা ইমামের পাক্ষিক পত্রিকা খাওয়াতীনে একসময় কাজ করতেন রাবেয়া খাতুন। সে-সময় সিনেমা দেখতে গিয়ে দূর থেকে দেখেন সম্পাদক ও চিত্রপরিচালক এটিএম ফজলুল হককে। তারপর কোথা থেকে কী হয়ে গেল, ফজলুল হকের মন বাঁধা পড়ল রাবেয়া খাতুনের মনের ঘাটে। ফজলুল হক সরাসরিই বললেন, বিয়ে করতে চান তাঁকে। তিনি রাজি থাকলে বাড়িতে প্রস্তাব পাঠাবেন। রাবেয়াও রাজি। অতএব বাড়িতে প্রস্তাব এলো। পরিবার থেকেও কোনো বাধা এলো না। ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই তাঁদের বিয়ে হয়।

আত্মপ্রচারবিমুখ রাবেয়া খাতুন ব্যক্তিজীবনে ছিলেন অত্যন্ত কোমলস্বভাবের। তাঁর অনেক শুভাকাক্সক্ষী ও কাছের মানুষের লেখাতেই শুধু নয়, তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন সাহিত্য-আড্ডায় যে আলাপ-আলোচনা হয়েছে তা থেকে বিষয়টি বেশ স্পষ্ট। পরম করুণাময়ের আশীর্বাদে তাঁর জীবন ছিল স্বাচ্ছন্দ্যময়। অর্থবিত্তের কমতি ছিল না; কিন্তু সে-সবের সঙ্গে তাঁকে মেলানো কখনোই সম্ভব নয়। এর কারণ তাঁর সাদামাটা জীবনযাপন; নিরহংকার, অমায়িক, হাস্যোজ্জ্বল, নিম্নকণ্ঠ চরিত্র। রাজনীতির জটিল আবর্ত থেকে সব সময় দূরে থেকেছেন সযতনে। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দলবাজিতে – যেমনটা অনেকের মধ্যেই দেখা যায় – বিশ্বাসী ছিলেন না।

নবীন সাহিত্যিকদের প্রতি ছিল তাঁর অফুরান ভালোবাসা ও সমর্থন। তাঁদের সাহিত্যচর্চার খোঁজখবর রাখতেন নিয়মিত। কারো লেখা ভালো হলে তার প্রশংসা করতেন কণ্ঠ ছেড়ে। এতে তাঁর কোনো কার্পণ্য ছিল না। তবে কেউ কেউ অনেক উচ্চমার্গীয়ভাবে তাঁর সামনে নিজেকে উপস্থাপনের চেষ্টা করলে তিনি সহজেই বুঝতে পারতেন কার কোথায় ঘাটতি। এসব ক্ষেত্রে স্পষ্টবাদী রাবেয়া খাতুনের কথা – হাবভাবেই তিনি জানিয়ে দিতেন – এসব তাঁর পছন্দ নয়।

জীবনে ছোটখাটো ঝড় বয়ে গেলেও তিনি জীবনকে ভালোবাসতেন। কোনো দুঃখ-যন্ত্রণা তাঁর পথে বাধা হতে পারেনি। তিনি সব বাধা জয় করে এগিয়ে গিয়েছেন সমুখপানে দৃপ্ত পদক্ষেপে, ইতিহাসের পাতায় পদচিহ্ন রেখে।

লেখালেখির পাশাপাশি জড়িত ছিলেন শিক্ষকতার সঙ্গে। এছাড়া ইত্তেফাক, সিনেমা পত্রিকা ছাড়াও তাঁর সম্পাদনায় পঞ্চাশের দশকে প্রকাশিত হতো অঙ্গনা নামে নারীদের একটি মাসিক পত্রিকা। ছিলেন বাংলা একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের মেম্বার, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের গঠনতন্ত্র পরিচালনা পরিষদের সদস্য, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডের বিচারক, শিশু একাডেমির কাউন্সিল মেম্বার ও টেলিভিশনের ‘নতুন কুঁড়ি’র বিচারক। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জাতীয় বিতর্কের জুরি বোর্ডের বিচারক ও সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ, ঢাকা লেডিজ ক্লাব, বিজনেস ও প্রফেশনাল উইমেন্স ক্লাব, বাংলাদেশ লেখক শিবির, বাংলাদেশ কথাশিল্পী সংসদ ও মহিলা সমিতির সঙ্গে।

তিনি ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার, ১৯৯৩ সালে একুশে পদক, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ পুরস্কার, ১৯৯৫ সালে নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, ১৯৯৬ সালে জসিমউদ্দিন পুরস্কার, শেরে বাংলা স্বর্ণপদক ও শাপলা দোয়েল পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে টেনাশিনাস পুরস্কার, ১৯৯৮ সালে ঋষিজ সাহিত্য পদকসহ  বহু পুরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন। মহীয়সী লেখিকা রাবেয়া খাতুন সম্প্রতি অনন্তের পথে যাত্রা করেছেন। আশি-ঊর্ধ্ব বয়সে তাঁর এই চলে যাওয়া স্বাভাবিক হলেও অনেক অপূর্ণতা থেকেই যায় – হয়তো আরো অনেক উচ্চমানসম্পন্ন সাহিত্য তাঁর কাছ থেকে আমরা পেতে পারতাম; কিন্তু হলো না। আমাদের শুধু এটাই প্রার্থনা, তিনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন; আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর সবার ভালোবাসা ঘিরে থাকুক তাঁকে সব সময়, অনন্তকাল।

Leave a Reply