এখানেই থেকে যাবো, কী মায়াবী আলোরাঙা ভোর!
এই বাংলার মায়াগন্ধা নারী, তার জ্যোৎস্নাধোয়া
সজল নমিত মুখ, তরুণীর রুমুঝুমু নাচের চমক;
শস্যভারানত পূত-স্থির দিগন্তবিস্তৃত মাঠ; বুকের
ওপর দিয়ে বয়ে চলা সহস্র নদীর ঢেউ; ইলিশের
রুপালি ঝিলিক! কী নেই এখানে! আছে স্বপ্ন; হৃদয়ে
হৃদয়ে পূর্ণপ্রাণ ভালোবাসা! ডুব দাও এই বাংলার
রূপসাগরে, দেখো না হীরকদ্যুতির চেয়ে জ্বল্যমান
তার রূপের সুষমা! এখনো সূর্য ওঠে ডাহুকের ডাকে,
ঘুঘুর গানের তোড়ে দুলে ওঠে নিরাক দুপুর, বিকেলের
আলো যেন কুমারীর গায়ে হলুদের রং, যদি শান্ত
পায়ে নেমে আসে গোধূলি-বধূ, আমিও ডুব দিই
ঘোরলাগা সন্ধ্যার মোহন অন্ধকারে! অতঃপর চাঁদের
আলোর মতো হেসে ওঠে প্রিয়তমা, ঘরে-বারান্দায়
দূর-লোকালয়ে; কণ্ঠে কণ্ঠে ভাজি তার মনহরা সুর …
এখানেই থেকে যাবো, কী মায়াবী আলোরাঙা ভোর!

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.