আমি কি বৃষ্টির সন্তান ছিলাম, নাকি প্রেমিক – কৃত্রিম ঝরনার কাছে
এ খবর থাকবে না, শহুরে দৈনিকগুলোও ছাপবে না কোনো কিছু –
মাঝে মাঝে নিজেকেও খুব অচেনা মনে হয়, শুধু খোলস আছে
খোলসের ভেতর মানুষ, নাকি মাছি – কোথায় ছুটেছি কার পিছু?
আমারও তো মাঝে মাঝে একা লাগতে পারে, এসব ওরা বোঝে না
এসির বাতাসে কীভাবে নেব বৃষ্টি-হাওয়ার স্বাদ, এই অনিবার্য সন্ন্যাসে –
চেনা রাস্তা, চেনা ঘর, শহরের সাজানো গাছপালা সব তবু লাগে অচেনা
ত্রস্ত পায়ে এগিয়ে গিয়ে জানালায় হাত বাড়াই – দম বন্ধ হয়ে আসে।
দুপানির কোলছাপা ঘোলাজল আর সোনাইয়ের কলকল স্বচ্ছ পানি
জেনে রেখো তোমরা, একদিন এইসব হাঁসফাঁস অন্ধকার ছেড়েছুড়ে
আবার আসবো ফিরে – ধূসর ছায়াপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে ঠিকই জানি
পৌঁছে যাব তোমাদের কাছে, কোলাহল থেকে দূরে নিমগ্ন মাটির ঘরে।
হয়তো তখন স্রোতের আকাল – তোমরাও বন্দি পরাবাস্তব ফাঁদে,
আর এই বুক বুড়ি সোনাই, রুক্ষ দুপানি – বেদনার মতো কাঁদে।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.