বৈশাখের ভোর

বৈশাখের পরিপক্ব ভোর আনন্দের কথা নিয়ে সেতার-বাদনে হাঁটে।

সর্বত্র সজাগ গতিবিধি; অত্যন্ত সহজ সত্যে সৃষ্টির বিষয়ে

ঐক্যবদ্ধ করে দৃষ্টি। আলোক-উপমা হাসে, রুচি অনুসারে

গাণিতিক অভিজ্ঞান মাধুর্যের বিশ্লেষণেও ওড়ে।

এসব সম্পর্কযুক্ত বিশিষ্ট ক্রিয়াকলাপ আমাকে চিনিয়ে দেয় পথ।

এইসব সাবলীল গুঞ্জনের চারিপাশ আমি বিনষ্ট করি না।

নজরদারি ঋতুর স্বাক্ষরে নথিভুক্ত হয়েছে

গ্রীষ্মকাল, স্বনামধন্যতার পক্ষে অরণ্যের প্রান্তর আলোময়;

ব্যাখ্যার আবিষ্ট রূপ কী পথপ্রদর্শক সেজে মুখাপেক্ষী হয়

নিজস্ব সংলাপ?

বৈশাখের ভোরে মনোরম এক ‘অনুভব’ নিজের ভাষায় –

রং ও সৌরভের ভিন্নতা খুঁজে, স্পষ্ট করেছে ছন্দের অনুপ্রাস রূপ।

এ-রঙের প্রতীতির সঙ্গে সবেগে চলেছে ছুটে ইতিহাস;

নববর্ষের স্বস্তি যে, আলেখ্যের গান শুনিয়ে স্বপ্ন দেখায় –

সেহেতু সে সব সুর ঐতিহ্যের কেতন উড়িয়ে

বিস্ময়ে বিভোলে স্বকীয়তার অঞ্চলে অভ্যর্থনাও জানায়

রোমাঞ্চিত রূপান্তর যেন পরিপূর্ণ হয়ে

বরণ আমেজে নতুন বাতাসে ওড়ে।

বৈশাখীর ‘অনুভব’ অন্যমনস্ক নয় সৌরভে।