পাঠকের চিঠি

সবিনয় নিবেদন

কালি ও কলম পত্রিকার ১ম বর্ষ ৮ম সংখ্যায় সমরেশ মজুমদারের নিয়মিত কলাম ‘নিবেদন’ পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম, কী বলতে চাইছেন লেখক? কথা তো অনেক তুলেছেন, তবে এগুলোর মধ্যে যোগাযোগটা কোথায়? যৌক্তিকতাই বা কী?

তিনি শুরু করলেন লেখক-শিক্ষক হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে। বাংলাদেশে আততায়ীর মরণ ঘা খেয়ে, কটা দিন ভালো হয়ে উঠেও, জার্মানি গিয়ে যাঁর, যেন বিলম্বিত, মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গটি চলতি, প্রাসঙ্গিকও বটে; বিশেষ করে মরহুমের উদ্ধৃত কবিতাটি অসাধারণ। তবে হিন্দু পুরোহিতের মতো ‘নিবেদন’-লেখক উদ্ধৃতিটিকে একদিকে ‘গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোর মতো’ মনে করতে পারলেন; আবার আগের বাক্যে বললেন হুমায়ুন আজাদকে ‘শহীদ-লেখক ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারছি না।’ হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজন ধর্মনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবী; এহেন ব্যক্তিটিকে তার মুত্যুর কদিন পরেই হিন্দুধর্মের পুজোর একটি ভাব আর ইসলামের ধর্মযুদ্ধের একটি ধারণা দিয়ে কী করে প্রশংসিত করতে পারলেন ‘নিবেদন’-লেখক? এ কি দুঃসাহসী প্রয়াত ব্যক্তিটির অভিজ্ঞান ও আদর্শবিরোধী নয়?

দুই

পরে, ২০০৪ সাল থেকে সমরেশ মজুমদার চট্ করে চলে গেলেন ৫৭ বছর আগে, উনিশ শ ‘সাতচল্লিশের আগস্ট মাস বাঙালির কি ক্ষতি করেছিল অথবা করেনি’ প্রসঙ্গে; কিন্তু সেখানে তিনি থাকলেন না। আমার কিন্তু থাকতে ইচ্ছে করছিল, কারণ আমার একসময়ে জানতে খুব ইচ্ছে হতো যে, (দ্বিজাতিতত্ত্ব-অনুসারীদের বাদ দিয়ে) যে-বাঙালিরা ১৯০৫ সনের বঙ্গভঙ্গ রদ করার জন্যে স্বদেশী আন্দোলন করে ব্রিটিশরাজকে টলিয়ে দিতে পেরেছিল তারা ১৯৪৭ সালের বঙ্গভঙ্গটা রোধ করেনি কেন? অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই জীবন যৌবনে যে-একাধিক কারণ বর্ণনা করেছেন তার একটি হলো যে, হিন্দুরা নিজেদের মেয়েদের সতীত্ব বাঁচানোর জন্যে বাংলার ভাগ চেয়েছিল। আবার, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর বাঙালীর জাতীয়তাবাদ বইটিতে দেখিয়েছেন যে, ১৯০৫ সনের বঙ্গভঙ্গ রদ করার ব্যাপারে হিন্দুরা এককভাবে সফল হলেও, মধ্যবিত্ত জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বে, নিজেদের গোষ্ঠীস্বার্থে, তারা ১৯৪৭ সালের বঙ্গভঙ্গ ঘটায়। শিক্ষায় প্রাগ্রসর, সংস্কৃতিতে চর্চিত, অর্থে ধনবান বলে তারা একসময়ে নিজেদের প্রভাবশালী ও প্রতিপত্তিশালী বলে মনে করত। তবে তারা যেন পরে দেখতে পেরেছিল, সারা (অখণ্ড) বাংলায় মুসলমানের সংখ্যা তাদের চেয়ে বেশি হয়ে পড়ছে। আর তাই গণতান্ত্রিকভাবে মুসলমানদের সঙ্গে কোনো একক দেশে টিকতে গেলে মতামতের লড়াইয়ে তারা সবসময়ে না-ও জিততে পারে; ভোটাভুটিতে হেরে যেতে পারে। রাজনৈতিক শাসনক্ষমতাও তাদের চেয়ে মুসলমান নেতাদের হাতেই বেশি থাকবে। এতেই তারা ভয় পায়, নিজের দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে পরিণত হবার, এমনকী পদানত হয়ে থাকবার আশংকা হয় তাদের এবং মুসলমানদের সঙ্গে এক দেশে না থেকে, (আধুনিক) ভারতীয় হবার পথটা বেছে নেয়।

তিন

এরপর সমরেশ মজুমদার অভিযোগ করেন যে, ভারতের বাঙালিরা যথেষ্টরকমে নিজেদের ভারতীয় ভাবেন না। উদাহরণ হিসেবে একটি গল্পও বললেন তিনি। গল্পই যদি যথেষ্ট প্রমাণ হয়, তবে আমিও একটি গল্প বলতে পারি যা দিয়ে তার উলটো কথা প্রমাণ হবে, অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা নিজেদের যথেষ্টরকমে ভারতীয় ভাবেন। স্বনামধন্য লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে বেশ কয়েক বছর আগে, লন্ডনে ভারতীয় হাই কমিশন থেকে একটি সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ঘটনাচক্রে অনুষ্ঠানে আমিও উপস্থিত ছিলাম। অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্তকর্তা (খুব সম্ভবত বাঙালি) স্বনামধন্য বাঙালি লেখকের পরিচয় দিতে গিয়ে ইংরেজি ভাষায় বলেন, ‘ঝঁহরষ রং ধহ ওহফরধহ ৎিরঃবৎ যিড় ৎিরঃবং রহ ইবহমধষর’ (সুনীল একজন ভারতীয় লেখক যিনি বাংলায় লেখেন)। আমার কানে কথাটা বেশ বাজলো। তাহলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় প্রথমে একজন ভারতীয় নাগরিক, এরপর তার পরিচয় হলো যে, তিনি বাংলা ভাষায় লেখেন; বাঙালি বলে তার কোনো পরিচয় বোধহয় নেই। অনুষ্ঠানের পরে কথাটা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে বললাম। তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তাঁর করণীয় কিছু নেই। বুঝলাম, তিনি এ-কথা মেনে নিয়েই অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। আনুগত্যের এ দৃষ্টান্ত কম কী? সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এত বড় লেখক, তিনি যখন মানেন তখন অন্য অনেকেই নিশ্চয়ই মানেন।

চার

‘এত ভঙ্গ বঙ্গদেশ তবু রঙ্গে ভরা Ñ’ এ-কথা আমরা জানি, তবু, সমরেশ মজুমদার এরপর বিভাজন, সোজা কথায়, বাঙালির ভাগাভাগির কথা তুলেছেন। ধর্মের ভাগ যে আছে তা মানছেন। তবে আবার মিলও খুঁজছেন। এপার বাংলা আর ওপার বাংলার মানুষের মধ্যে, তাঁর মতে, ৮০ ভাগ মিল, অমিল ২০ ভাগ। তিনি বলছেন, ‘ঢাকার বেলাল বা চট্টগ্রামের আলতাফ যখন রবীন্দ্রনাথের ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’ পূর্ণ বেগে গান, তখন আমার সঙ্গে তাঁদের বিন্দুমাত্র পার্থক্য থাকে না।’ এবং তখন ২০ শতাংশ পার্থক্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। তবে এই গানটা তথা কেবল রবীন্দ্রসংগীত যদি হিন্দু ও মুসলামান বাঙালির মিলনের মুখ্য বন্ধন হয় তবে ব্যাপারটা নিশ্চয়ই থাকবে আবেগতাড়িত এবং মোটেই শক্ত হবে না। এই মিলনের জন্যে আরো কাঠখড় পোড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, এক হাজারের বেশি বছর ধরে হিন্দু আর মুসলমান প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করে আসছে, তবু তাদের মধ্যে ২০ ভাগ পার্থক্য রয়েই গেছে। আবার, মুসলমান বাঙালি যদি রবীন্দ্রসংগীত গাইলেই হিন্দু প্রতিবেশীর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, তবে প্রশ্ন রয়ে যাবে, একজন হিন্দু বাঙালি কখন বা কীভাবে একজন মুসলমান বাঙালির কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারবে? এই প্রশ্ন তিনি করেননি, এর জবাব তিনি দেননি।

পাঁচ

প্রকৃতপক্ষে সমরেশ মজুমদার আসল কথাটায় যাননি। সেটা হলো, ধর্ম দিয়ে হবে কী হবে না। তিনি জানেন, ধর্মে ধর্মে হানাহানি যুগযুগান্তর ধরে চলে আসছে। অতএব ওপথে মিলন হবার নয়। বরং, তিনি স্বীকার করবেন কিনা জানি না, আমি বলি, যখন বাঙালিরা ধর্মনিরপেক্ষতা মানবে, একে অপরকে শুধু হিন্দু, শুধু মুসলমান, শুধু বৌদ্ধ, শুধু খ্রিষ্টান ইত্যাদি পরিচয়ে দেখবে না; জাত দিয়ে বিচার করবে না, অস্পৃশ্য গণ্য করবে না অথবা না-পাক মনে করবে না, বরং নিজেদের মানুষ বলে জানবে এবং নিজেদের একই ভাষাভাষী একই জাতি (নৃতাত্বিকভাবে) বলে মানবে, তখনই একটা সুস্থ মিলনের সূচনা হতে পারে মনে রাখতে হবে, শুধু সূচনা হতে পারে। শুধু গান গেয়ে হবে না। লালন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের গান কি বাঙালি কম গেয়েছে বা গাইছে, কম শুনেছে বা শুনছে? কিন্তু         দাঙ্গা করতে তো ছাড়ে না। কেবল      হৃদয় নয়, মস্তিষ্ক, বিবেক ও অভিজ্ঞান Ñ বিশেষ করে স্বার্থেরও পালাবদল হতে হবে। ভাবছেন সুদীর্ঘ ফর্দ দিলাম? হ্যাঁ, ফর্দটা দীর্ঘই বটে।

ছয়

‘নিবেদনে’ সমরেশ মজুমদার বলছেন, ‘ধর্ম আমাকে আশ্বাস দেয়নি। ধর্মের কাছে আমি অন্ধবশ্যতা স্বীকার করিনি।’ কথাটা প্রায়     নাস্তিকের মতো। তবু ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি যে, তাঁর চিন্তাধারায় ও ভাষায় ধর্মনিরপেক্ষতার অভাব আছে। এটা তাঁর গুণ যে, নিজের দোষ স্বীকার করে তিনি বলেছেন যে, তিনি মুসলমান বন্ধুদের নাম মনে রাখতে পারেন না। তবে তাঁর এই গুণ থাকাটাই যথেষ্ট নয়, বিশেষ করে একজন লেখক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব আছে। তাঁর সংশোধন হওয়া দরকার। কারণ? কারণ আছে। ধর্মীয় কারণে মানুষের নামকরণের প্রসঙ্গ তুলে, তিনি যখন অকপটে বলেন, ‘মোহাম্মদ হেদায়েতউল্লাহ নামটি অনেক দূরের মানুষ তৈরি করে’, তখন তাঁর এই উক্তিটির মধ্যে আরবি নামধারী সকল ধর্মাবলম্বী বিশেষ করে মুসলমান মানুষদের প্রতি লেখকের নিজ ধর্মীয়, সাম্প্রদায়িক, সম্ভবত জাতিগত (হিন্দু? ভারতীয়?) বিদ্বেষ একসঙ্গে প্রকাশ পায়। তখন তাঁকে ক্ষমা করা চলে না, তিনি আত্মস্বীকৃত জ্ঞানপাপী হলেও নয়।

এরপর, সমরেশ মজুমদার চলে যান কাছেরই একটি বিষয়ে, ‘স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মুসলমান বন্ধুরা তাঁদের জন্মসূত্রে পাওয়া নামের পাশে ব্র্যাকেটে ডাকনাম লিখছেন। তারপর একসময়ে ব্র্যাকেট উঠে গেল। ইমদদাদুল হক মিলনকে তামাম বাঙালি চেনে মিলন বা মিলনভাই বলে। তারও পরে সুন্দর বাংলা শব্দ প্রথম নামের দখল নিলো। সৈকত হাবিব….। এখন বন্যা বললে এই দুই দেশের বাঙালি সঙ্গে সঙ্গে রবীন্দ্র-নিবেদিত একটি তীর্থযাত্রীর মুখ মনে করতে পারেন। আমার অস্বস্তি ক্রমে কমে আসছে।’ ভালোই লক্ষ করেছেন ‘নিবেদন’-লেখক। তবে তাঁর জানায় ঢের ফাঁক আছে। কারণ, বাংলা ডাকনাম বাঙালি মুসলমানরা বহুকাল ধরেই ব্যবহার করছে, সমরেশ মজুমদার আগে তা টের পাননি। সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা এম আর মুকুলের নাম নিশ্চয় সমরেশ মজুমদার জানেন; এই নামেই তো আমৃত্যু তিনি লিখে ও বলে গেছেন। ‘মিলন’, ‘বন্যা’ Ñ এসব নামও হঠাৎ করে বাংলাদেশ আমলে গজিয়ে ওঠেনি। এর আগের আমলেই, তাদের বাবা-মায়েরা এসব রেখেছিলেন। আজকের মতো আগে আগে কাগজে-পত্রে লিখত না, তা ঠিক। তবে সাধারণ বাঙালি মুসলমান কবেইবা লিখতে শিখল? অন্যরাই তো তাদের নামধাম লিখে দিত। রক্ত-মান বিসর্জনে বাংলাদেশ মুক্ত হবার পর, স্বাধীনতার সুফল হিসেবে পুরোনো কুসংস্কার থেকে মুক্ত হবার সুযোগ এসেছে, Ñ ন্যায্য পাওনা হিসেবেই এসেছে। না এলেই অস্বাভাবিক হতো। তবে সবারই স্বীকার করা কর্তব্য যে, বাঙালি মুসলামানদের নাম লেখায় এই যে বিবর্তন এসেছে, তা এসেছে তাদের স্বাধীন ইচ্ছা ও মর্জিমতে।

সাত

শেষ কথা। ‘নিবেদন’-লেখক বলেছেন, ‘মূল ভাষা জানা না থাকায় অনেক নাম নিয়ে ফাঁপরে পড়তে হয়। যেমন আনিসুজ্জামান নামটির জায়গায় আনিসদা বলে ডাকলে তৃপ্তি পাই।’ এর মানে কী দাঁড়াচ্ছে? লেখক বলছেন, আনিসুজ্জামান নামটি যে মূল ভাষা (আরবি) থেকে এসেছে, সেই ভাষাটি তিনি জানেন না। অতএব তিনি ইচ্ছেমতো এটা ব্যবহার করবেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এমনটা তিনি পারেন কি? যৌক্তিক উত্তর হচ্ছে, এখানে নামের ব্যাপারে মূল ভাষা জানা বা না জানার প্রশ্ন আসে না। বাঙালি হিন্দুর নামগুলোর মূল ভাষা সং¯কৃত; এর মানে এই নয় যে, সব বাঙালি হিন্দুই সং¯কৃত ভাষাটি জানেন বা তাঁদের অ-হিন্দু বন্ধু-প্রতিবেশীরাও জানেন। অথচ হিন্দুদের নাম বলায় কোনো সমস্যা হয় কি? আবার, বেশির ভাগ বাঙালি মুসলমানের নাম আরবি-ভাষায়। তবে তাঁরা কেউই হয়তো বলবেন না যে, নিজের বা আপনজনের আরবি নামের সঠিক অর্থ বলার মতো আরবিজ্ঞান তাঁরা রাখেন; তবে হয়তো একটা সাধারণ ও ব্যবহারিক ধারণা রাখেন।

বিলেতে আমরা, বাঙালি হিন্দু ও মুসলমানরা, সারা পৃথিবীর প্রায় সকল ধর্ম, জাতি, গোত্রের মানুষের সঙ্গে বসবাস করছি। সহস্র বর্ষের গোঁড়ামির দুর্গে এখানে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে বহুসাংস্কৃতিক একটি সমাজ। এখানে আমাদের অভিজ্ঞতা কীরকম? ‘যদি তুমি কারো নাম না জানো, তবে যার নাম তাকেই জিজ্ঞেস করে জেনে নাও।’ খুব সহজ, কোনো জটিলতা নেই।

ফলে আনিসুজ্জামান দুটো বিকল্প উত্তর দিতে পারেন। আনিসুজ্জামান হয় বলতে পারেন, ‘না ভাই, তা হয় না। কারণ,       আপনি ইচ্ছেমতো ডাকতে গেলে আমার নামের বিকৃতি ঘটে যাবে। অথবা, আনিসুজ্জামান বলতে পারেন, আমার আপত্তি নেই। আপনি যেভাবে ইচ্ছে আমাকে ডাকতে পারেন।’

এই অবস্থায়, বিবেচক হিসেবে সমরেশ মজুমদার কী করতে পারেন? তাঁর যদি পরামর্শের দরকার হয়, তবে আমি সবিনয়ে নিবেদন করবো, তাঁর কাজ হবে, আনিসুজ্জামান যে-উত্তর দেবেন, সেটাই মাথা পেতে নেওয়া। কেননা, নামটি হচ্ছে আনিসুজ্জামানের, তিনিই এর একমাত্র     মালিক; শুধু তিনিই অনুমতি দিতে পারেন তাঁর নামটা কীভাবে ব্যবহার করে অন্যরা তাঁকে ডাকবেন।

কাদের মাহমুদ

কলিয়ার্স উড, লন্ডন