শ্রদ্ধান্জলি

  • কবীর চৌধুরী

    আনিসুজ্জামান   ৮৮ বছর বয়সে, নিজে কষ্ট না পেয়ে এবং অন্য কাউকে কষ্ট না দিয়ে, মহাপ্রস্থান করলেন অধ্যাপক কবীর চৌধুরী। আমাদের সংস্কৃতিক্ষেত্রে এবং সামাজিক জীবনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় করে রেখে গেলেন। পিতা খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী ছিলেন ব্রিটিশ আমলের বেঙ্গল সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা। তাঁর তখনকার কর্মক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবীর চৌধুরীর জন্ম হয় ১৯২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারিতে।…

  • সেতারের খেয়ালিয়া উস্তাদ বিলায়েত খাঁ

    সেতারের খেয়ালিয়া উস্তাদ বিলায়েত খাঁ

    যুগান্তকারী সেতারি বিলায়েত খাঁ প্রায় দুদশক আগে আমেরিকার নিউ জার্সিতে চলে গিয়েছিলেন। তবে কোনো জনপ্রিয় কিংবা মিডিয়া-মাতানো কর্মসূচি নিয়ে নয়। শোম্যানশিপের মেজাজও তাঁর ছিল না। ইউনিভার্সিটি টাউন প্রিন্সটনে বিলায়েতের সেতারবাজের বিশাল আর্কাইভ তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাংলার সঙ্গে, বিশেষত কলকাতার সঙ্গে, তাঁর সম্পর্কের গভীরতায় ভাটা পড়েনি কখনো। প্রায়ই আসতেন, বিশেষত শীতকালে (শেষের দিকে গরম সইতে পারতেন…

  • এনগেজমেন্ট রিং হিসেবে আমাকে একটা মেজরাব দিয়েছিলেন : মনীষা

    এনগেজমেন্ট রিং হিসেবে আমাকে একটা মেজরাব দিয়েছিলেন : মনীষা

    প্রথমা স্ত্রী মনীষা স্মৃতিচারণা করছেন উস্তাদ বিলায়েত খাঁ সাহেবের। শঙ্করলাল ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথোপকথনে।খাঁ সাহেবকে প্রথম দেখা ১৯৫৯, এপ্রিল মাস। আমি, আমার বোন, আর এক বন্ধু গিয়েছিলুম ওবেরয় গ্র্যান্ডের শেরাজাডে, প্রিন্সেসে নয়। তখন তো পয়সাও কম ছিল … ও ঃযরহশ ঝপযবৎধুধফব ঁংবফ ঃড় নব পড়সঢ়ধৎধঃরাবষু পযবধঢ়বৎ. আর সেখানে ফোর্ট উইলিয়ামের কিছু তরুণ আর্মি অফিসারও ছিলেন সেদিন।…

  • ‘ঘরেরও নয় পারেরও নয়’ : এডওয়ার্ড সাঈদের আউট অফ প্লেস

    ‘ঘরেরও নয় পারেরও নয়’ : এডওয়ার্ড সাঈদের আউট অফ প্লেস

    যারা এডওয়ার্ড সাঈদের ওরিয়েন্টালিজম (১৯৭৮) গ্রন্থটি পড়েছেন এবং যারা তাঁর উত্তর-উপনিবেশী নানা চিন্তা-ভাবনাকে অনুসরণ করেন, প্যালেস্টাইন সম্বন্ধে তাঁর লেখালেখি ও তাঁর মানবতাবাদী বিশ্বাসের সঙ্গে যাদের পরিচয় রয়েছে এবং যারা তাঁর গৃহহীনতার বেদনাকে বুঝতে চান, তাদের জন্য আউট অফ প্লেস অবশ্যপাঠ্য। এ বইটি সাঈদ লিখতে শুরু করেন ১৯৯৪ সাল থেকে – এর মাত্র তিন বছর আগে…

  • এডওয়ার্ড সাঈদের প্রাচ্যভাবনা

    এডওয়ার্ড সাঈদের প্রাচ্যভাবনা

    এডওয়ার্ড সাঈদ চলে গেলেন। কিছুটা আকস্মিক হলেও তাঁর মৃত্যুর জন্যে অনেকেই প্রস্তুতই ছিলেন। তাঁর দেহে দীর্ঘদিন থেকে কর্কট রোগ বাসা বেঁধেছিল। ১৯৭৮ সালে বেরিয়েছিল তাঁর সেই সাড়া জাগানো, দুনিয়া কাঁপানো গ্রন্থ ওরিয়েন্টালিজম। সেই থেকে ২০০৩ সাল-এই পঁচিশ বছরে আমাদের চিন্তার ভুবনে তিনি মহীরুহের ছায়া বিলিয়ে গেছেন। প্রাচ্যকে তিনি যে অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখেছেন, তা-ই যে একেবারে…