টোকন ঠাকুর
-
উত্তরের হাওয়া
টোকন ঠাকুর কার কথা কীভাবে বলব আমি? বন থেকে প্রকাশিত দৈনিক ঝরাপাতা কারা তাতে লেখে আর কারাই বা পাঠক-পাঠিকা? কার কাছে বলা যায় উত্তরের হাওয়া আসে গুপ্তচর হয়ে? সন্ধে থেকেই ওঁৎ পেতে বসে আছে আততায়ী ঘ্রাণ, চন্দ্রমল্লিকার! মনে হয়, ভাবনা সম্প্রচার কেন্দ্রের আজ রজতজয়ন্তী, তুমুল ভাবনাসূচি : ভাবনাকে দেখতে আসে বুদ্বুদ, দোস্তে দোস্তে জুয়া…
-
বাথরুমের দেয়ালে উৎকীর্ণ প্রতারিতের অভিজ্ঞান খেলারাম খেলে যার চলচ্চিত্রিক বাস্তবতা
টোকন ঠাকুর চলমান দৃশ্যের সত্যকে আমরা কীভাবে এড়িয়ে যেতে পারি, যখন দেখি, মানুষ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে সামনে। অবশ্য আমরা জানি না, সে কতদূর যাবে, কার কাছে যাবে? সত্য যে, মানুষের পেছনে ফেরার রাস্তা নেই, যেতে হয় – যেতে হবে সামনেই। কিন্তু পেছনের যা কিছু রেখে আসা, ফেলে আসা ঘরবাড়ি-ঘটমানতা বা স্মৃতিসমগ্র, তা কি আমরা…
-
বসন্ত রজনীতে বসিয়া রচিত কবিতা
টোকন ঠাকুর নিষ্প্রয়োজনে আমি ছোট নাম লেখাতে গেছি কবির খাতায় নিজ প্রয়োজনে আমি নক্ষত্রের দেনা নিয়েছি মাথায় বিষ-প্রয়োজনে আমি সাপ ও বেদেনি চেয়েছি দুটোয় দুহাতে দুধের ছানা, বেপরোয়া মুঠোয় মুঠোয় সম্পূর্ণ ফুটেও নারী ক্লাসিক্যালি অস্ফুট সুতরাং, আজ আমাকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হলো – আমি কি কবি ছিলাম? সাপুড়ে ছিলাম? নাকি ছিলাম যা, তাই? শিস প্রয়োজনে…
-
মিলনের দ্বন্দ্ব
টোকন ঠাকুর ভাষা কি সামর্থ্য রাখে, আলো দেওয়ার, তাকে, যে অন্ধ? ‘দাম্পত্য মধুর মিলন’ বইটি মুখস্থ করেও আপা-দুলাভাইয়ের দ্বন্দ্ব এক ইঞ্চিও কমল না, বরং তা বাড়ল, বেড়ে এখন বত্রিশ ইঞ্চি… একদা পালিয়ে প্রেমের বিয়ে করা ছিল প্রথম বিপ্লব, ভেঙে অনুশাসনের ছন্দ আজ ছন্দহীন দিন, ফ্যাকাসে-মার্কা-রঙিন, আমিও হয়েছি মামা এবং আপা-দুলাভাইয়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে, প্রায় নেই…
