স্ত্রীকে ওষুধ খাওয়াবেন বলে
ঠিক সাড়ে ন’টায় বেরিয়ে যাচ্ছেন
যে-কোনো আয়োজন থেকে
যে-কোনো কাজের সময় নিয়ন্ত্রিত
নক্ষত্রের আচরণে বাঁধা হাসি
নিমীলিত হাত
পকেটে কিংবা আতরে রেখে
হাঁটছেন মৃদু লয়ে ভাবছেন কি-না কিছু
না-কি পথের গোলাপ তুলে
পাপড়িসমূহ ছড়াচ্ছেন প্রজন্মের করতলে
বিহ্বল শিক্ষক
সমস্ত রাতের পাতায় চোখ রেখে
পাঠে নিচ্ছেন প্রাত্যহিক বিশ্বজগৎ
পাতা ও পুঁতির বুননে
গাঁথা হচ্ছে আলোর মিছিল
আপনি যার
অনির্বাণ শিখা
তরুণতম কবির কবিতাটিকে
দক্ষ অনুবাদের আসরে সযত্নে ঠাঁই
না করে ফিরিয়ে দিতে পারতেন
যেমন ফেরালেন লোভ, অগভীর উচ্ছ্বাস
যেমন শেখালেন সুর
রবীন্দ্রনাথের মতো পদ্মায় বোটে ভেসে ভেসে
সময় আর অগণিত নক্ষত্রের নীরব কোলাহল
আর সে বা তাদের গুমরে মরার গান
যেমন বোঝালেন বৈভব
অন্ধকারের পরতে পরতে বিছিয়ে থাকা
আলোর পাঠ চিরকাল
আর তড়িঘড়ি ভেড়ালেন তরী
নিরুদ্দেশে অজানা কারণে অথচ
অনেক বিবিধ পরিচয়ের থার্মালে
তুলনামূলক শিল্প-সমালোচনা সীমানায়
আপনি এক অভিনব অভিধান।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.