মহাশ্বেতা দেবী : এক অনবদ্য অধ্যায়

লেখক:

সায়মন স্বপন

বাংলা সাহিত্যের বহুমাত্রিক লেখিকা মহাশ্বেতা দেবী। প্রান্তিক মানুষকে নিয়ে চিন্তা করার এই প্রিয় মানুষ নববইটি বসন্ত পার করে বিদায় নিলেন দিকশূন্যপুরের পথে। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন এ-লেখিকা। হাজার চুরাশির মা-খ্যাত এই সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী গত ২৮ জুলাই ২০১৬ কলকাতার একটি নার্সিং হোমে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ১৯২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি অবিভক্ত ভারতে পূর্ববঙ্গের ঢাকায় এক খ্যাতনামা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কলেস্নাল যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক মনীশ ঘটক তাঁর পিতা এবং প্রখ্যাত চিত্র-পরিচালক ঋত্বিক ঘটক ছিলেন কাকা। মহাশ্বেতা দেবীর মাও লেখিকা। তাঁর বড় মামা শচীন চৌধুরী পৃথিবীবিখ্যাত ইকোনমিক্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি কাগজের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ছিলেন। মহাশ্বেতা দেবীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বেশ স্মৃতি জড়িয়ে আছে। শান্তিনিকেতনে ১৯৩৬-৩৮ সালে রবীন্দ্রনাথের সংস্পর্শে আসার সুযোগ হয়েছিল তাঁর। রবীন্দ্রনাথ কয়েকটা ক্লাসও নিয়েছিলেন মহাশ্বেতা দেবীদের। সে-সময়টিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাসের দেশ, চিত্রাঙ্গদা, চ-ালিকা প্রভৃতি রচনা করেন।

মহাশ্বেতা দেবী বিশ্বভারতী থেকে স্নাতক ডিগ্রি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৪ সালে শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবন শুরু হয়। পরে তিনি সাংবাদিকতা, বিশেষ করে লেখিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পশ্চিমবঙ্গের উপজাতি ও নারীদের ওপর শোষণের চিত্রকল্প তুলে আনেন তাঁর লেখায়। সমালোচনার ঝুড়িতে বাড়তে থাকে বিতর্ক। সবক্ষেত্রে ছিল তাঁর সরব প্রতিবাদী উপস্থিতি। সাহিত্যকে মহাশ্বেতা দেবী নিয়েছিলেন পেশাগতভাবে। হয়তো এজন্য তিনি খালি হাতে ফেরেননি। সাহিত্যচর্চার ফলে পেয়েছেন যশ। ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় আসেন তিনি। সে-সময় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাক্ষাৎকারের এক অংশে তিনি বলেন, ‘আমার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে। বইটি লিখে আমি টাকা পেয়েছিলাম। সেই থেকে আমি প্রফেশনাল লেখাতে বিশ্বাসী। লেখা আমার প্রফেশন, আমার আর কোনো জীবিকা নেই।’

মহাশ্বেতা দেবী ছিলেন দেশজ আখ্যান ও প্রান্তিকবাসীর দরদি মানুষ। নকশালবাড়ি আন্দোলন নিয়ে লিখলেন হাজার চুরাশির মা। এই উপন্যাসে বাঙালির কপালে ভাঁজপড়া শহুরে মধ্যবিত্ত জীবনবোধের সামান্য মূল্যবোধ ভেঙে সুজাতা নামের এক নারীকে ওপরে তুলে আনেন লেখিকা। উপন্যাসে গল্পের কেন্দ্র শুধু সুজাতার নয়, উচ্চবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত ঘরের নারীর কথা। এই গল্পের সঙ্গে বাস্তবেও অনেক মায়ের অভিজ্ঞতা একই রেখায় মিশে গেছে। এক মধ্যবিত্ত বাঙালি মায়ের মনে নকশাল করা ছেলেটিকে হারিয়ে যে-বেদনার অবতারণা হয়, যে-কষ্টের সূচনা হয়, সে-শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে একটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরা
হয়েছে এ-উপন্যাসে। মূলত হাজার চুরাশির মা তাঁর সাহিত্যজীবনে আরো একটি বাঁক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। জীবন-দর্শনের এক মহাঅধ্যায়ের সূচনা করেন তিনি। জীবন কতটা ভয়ংকর সুন্দর হতে পারে, তিনি তাঁর উপন্যাসে সে-প্রমাণ রেখেছেন। আমরা কেউই এই ভয়ংকর সুন্দরের ঊর্ধ্বে নই। জীবন কখনো-কখনো বিচিত্রভাবে চিত্রিত হতে পারে – এটা আমাদের অজানা নয়, তবে জীবনের দর্শন কখনো একই রেখায় না-ও মিলতে পারে। ১৯৭৯ সালে ঘরে ফেরা উপন্যাসে তিনি রাজনৈতিক-অভ্যন্তরীণ বিশেস্নষণের মাধ্যমে ভিন্ন-ভিন্ন দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করেন। তিনি আদিবাসীদের ভেতরের কষ্টকে জীবনভিত্তিক স্রোতের সঙ্গে একাত্ম করেছেন। তাঁদের পৌরাণিক ব্যথার ইতিহাস থেকে বেদনাগুলোকে তুলে এনে আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন। তাদের বেদনার স্রোতোধারা মূলস্রোতের সঙ্গে এক করার জন্য স্বপ্ন এঁকেছেন মহাশ্বেতা দেবী। ভারতীয় ইতিহাসের পটভূমিতে আদিবাসীদের জীবন ও জীবিকার পরিবর্তন তিনি বর্ণনা করেছেন অকপটে, যা আমাদের পরিশীলিত জ্ঞানকে করেছে আরো ঋদ্ধ ও শাণিত। তিনি পাহাড়ি জীবনবোধকে মূলধারার সঙ্গে একাত্ম করার চেষ্টা করেছেন তাঁর লেখায়। এসব দ্যোতনা আমাদের অহর্নিশ বিচলিত করে। আদিবাসীদের নিয়ে যেসব গল্প-উপন্যাস লিখেছেন, সেসব গল্প-উপন্যাসে তাদের বিভিন্ন প্রতিবাদী চরিত্র পরিচয় করিয়েছেন। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সামরিক শোষণের বিপক্ষে প্রতিবাদী চরিত্রগুলোকে চিত্রায়ণ করা হয়েছে নিপুণ হাতে।

তাঁর ‘বেহুলা’ গল্পে নদী ও গ্রামের নাম বেহুলা। ‘বেহুলা’র মাধ্যমে সমাজ ও জীবনের এক নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক তুলে ধরেছেন মহাশ্বেতা দেবী। প্রান্তিক মানুষের দৈনন্দিন যাপন এক-একটি গল্পের অবতারণা করেছে। ঘুটঘুটে অন্ধকার অঞ্চলে আলো জ্বালানোর চেষ্টা করা হয়েছে এ-গল্পে। ছোটগল্প ‘মৌল অধিকার ও ভিখারি দুসাদে’ তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে সেসব মানুষের শিকড়ের কথা, যাদের ঘামে ভিজে গেছে মেঠোপথ। মহাশ্বেতা দেবীর গল্পের মূল উপাদান ছিল এসব খেটে-খাওয়া মানুষ। তিনি বলেছেন, ‘সাহিত্যকে শুধু ভাষা, শৈলী, আঙ্গিক নিরিখে বিচার করার মানদ-টি ভুল। সাহিত্য-বিচার ইতিহাস প্রেক্ষিত হওয়া দরকার। লেখকের লেখার সময় ও ইতিহাসের প্রেক্ষিত মাথায় না রাখলে কোনো লেখককেই মূল্যায়ন করা যায় না। পুরাকথাকে, পৌরাণিক চরিত্র ও ঘটনাকে আমি বর্তমানের পরিপ্রেক্ষিতে ফিরিয়ে এনে ব্যবহার করি অতীত ও বর্তমান যে লোকবৃত্তে আসলে অবিচ্ছিন্ন ধারায় গ্রথিত তা-ই বলার জন্য।’ যারা সমাজের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন, সংস্কারের বটছায়া থেকে বঞ্চিত তাদের জন্য জীবনভর জয়গান গেয়েছেন এ-লেখিকা। তাঁর ‘সাঁঝ-সকালের মা’ গল্পে গর্ভধারিণী মা কীভাবে সাঁঝসকালের মা হয়ে গেল, তার অতুলনীয় বৃত্তান্ত তুলে ধরেছেন মৌলিকভাবে। এক সাধন কান্দোরী ও তার মাকে নিয়ে জীবনদর্শন ফুটে উঠেছে এই গল্পে। মহাশ্বেতা অধিকাংশ গল্প-উপন্যাসে আঞ্চলিকতার যে-ছাপ রেখেছেন, সেসব তৃণমূল মানুষের জীবনের কাছাকাছি না এলে তো সম্ভব নয়। তাঁর প্রথমদিকের লেখা আলোচনায় আসে ঝাঁসির রানীর জীবনী নিয়ে। স্বাধীনতাসংগ্রামে ঝাঁসির রানীর অবদান উলেস্নখ করেছেন তিনি। এ-বিষয়ের ওপর লেখার জন্য তিনি ঝাঁসির পথে-পথে হেঁটেছেন দিনের পর দিন। ঝাঁসির রানীর বংশের লোকের সংস্পর্শে থেকে জেনেছেন বিস্তর তথ্য। সেখানে গিয়ে ইতিহাসের দলিল-দস্তাবেজ, বিভিন্ন কাগজপত্র ঘেঁটেছেন নিরলসভাবে। যে-রানী সংগ্রামের জন্য নিজেকে সঁপেছিলেন মানুষের কল্যাণে, সে-মানুষটিকে তুলে এনেছেন বিশ্বের দরজায়। নারীরাও যে ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ হতে পারেন তিনি সেটি প্রমাণ করেছেন। রাজনৈতিক পটভূমিতে এমন একজন নারীর স্বচ্ছ চিন্তা, স্বদেশপ্রেম, মানুষের জন্য প্রীতি – সবকিছুই সাহিত্যে একটি নতুন ধারা প্রবর্তন করেছে। মহাশ্বেতা দেবী ইতিহাসের পাতা থেকে এমন এক রমণীকে আবিষ্কার করেছিলেন, যে-কারণে তাঁর সাহিত্যজীবনে নতুন এক স্রোতের সূচনা হয়, যে-স্রোত আর থামেনি। শুধু অহর্নিশ প্রবহমান থেকেছে। এভাবে উঁচুস্তর থেকে নিচুস্তরের মানুষকে নিয়েও তিনি লিখেছেন। এমনকি সামান্য একজন পতিতার মাঝেও স্বদেশপ্রেম ও রাজনৈতিক কিংবা সাংস্কৃতিক চেতনা চিহ্নিত করতে পেরেছেন। স্বাধীনতার জন্য সেই পতিতার জীবন উৎসর্গের যে-প্রবণতা, তাও তিনি খুঁজে পেয়েছেন। এমনি করে শুরু হওয়া ভিন্নধর্মী দ্যোতনা ও দর্শনের অনুভূতিগুলো ভাগ করে গেছেন মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে হৃদ্যতা গড়তে। শুধু সাহিত্যচর্চা নয়, সেসব খেটে-খাওয়া মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঠে নেমেছেন, তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন সেসব মানুষের হাসি-কান্না আর অচেনা মানুষগুলোর চেনা অনুভূতি। এসব খেটে-খাওয়া মানুষের মৌলিক দাবির কথা খুব কম মানুষই ভাবে, তবে তিনি সেটি প্রমাণ করেছেন – মানুষের কাছাকাছি না এলে শিকড়ের খোঁজ মেলে না। তিনি ইতিহাস ও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিত থেকে সাহিত্যচর্চা করলেও তা দেশের মানুষের প্রতিবাদী দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাহাড়ি বনাঞ্চলের জীবন ও জীবিকার কষ্টমাখা দিনগুলোর কথা তুলে ধরেছেন তাঁর লেখনীতে। ফলে তিনি পেয়েছেন পারদর্শিতার খেতাব।

মহাশ্বেতা দেবী মনে করতেন, ইতিহাসের ভেতর থেকেই বের হয়ে আসে সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং এর আনুষঙ্গিক লোকাচার, লোকজ সংস্কৃতি, লোকায়ত জীবন ও জীবিকা। প্রথম পর্যায়ে তিনি লোকজ নৃত্য ও সংগীতশিল্পীদের জীবনধারা নিয়ে লিখেছেন মধুরে মধুর। এমনকি সার্কাসের রঙিন মানুষগুলোর সাদাকালো জীবন নিয়ে লিখেছেন প্রেমতারা। প্রান্তিক আদিবাসীদের নিয়ে লিখেছেন বেশকিছু জীবনভিত্তিক উপন্যাস। যেমন – চোট্টি মু-া এবং তার তীর,  টেরোড্যাকটিল, পূরণসহায় ও পিরথা, সবুজ গাগরাই প্রভৃতি। তাঁর উলেস্নখযোগ্য অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে হাজার চুরাশির মা, অরণ্যের অধিকার, অগ্নিগর্ভ, নীলছবি, সাম্প্রতিক, বন্দোবসত্মী, প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে, বেনে বৌ, কৃষ্ণা দ্বাদশী, ৬ই ডিসেম্বরের পর, মিলুর জন্য, ঘোরানো সিঁড়ি, ডাস্ট অন দ্য রোড, আওয়ার নন-ভেজ কাউ ইত্যাদি অন্যতম। মহাশ্বেতা দেবী তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য অজস্র প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সম্মানিত হয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে। তাঁর সাহিত্যকর্ম ইংরেজি, জার্মান, জাপানি, ফরাসি, হিন্দি, অসমিয়া, তেলেগু, গুজরাটি, মারাঠি, মালয়মি, পাঞ্জাবি, ওড়িয়া ও আদিবাসী হো ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি ভুবনমোহিনী পদক, নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য স্বর্ণপদক এবং ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মশ্রী পদক লাভ করেন।
তাঁকে জ্ঞানপীঠ, জগত্তারিণী ও আদিবাসীদের মাঝে কাজ করার জন্য র‌্যামন ম্যাগসাইসাই (১৯৯৭) এবং পদ্মবিভূষণে (২০০৬) সম্মানিত করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে অরণ্যের অধিকার উপন্যাসের জন্য তিনি ভারতীয় সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-প্রদত্ত লীলা পুরস্কার, ১৯৯৮ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডক্টরেট লাভ করেন। এ ছাড়া ২০০৭ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে সার্ক সাহিত্য পুরস্কারসহ আরো অনেক পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে।

এক শোষণমুক্ত সমাজের স্বপ্ন দেখতেন মহাশ্বেতা দেবী। তাঁর সাহিত্যে ভেসে ওঠে রাজনীতি-চেতনা। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের মাঝে ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামী চেতনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। অন্ধকারের মানুষকে আলোর দীক্ষায় দীক্ষিত হওয়ার জন্য লিখে গেছেন নিরলসভাবে। সমাজের উঁচুতলার মানুষের কাছে প্রান্তিক মানুষের দাবির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি যে-ধরনের আদর্শে দীক্ষিত তার প্রমাণ রেখেছেন তাঁর সাহিত্যচর্চা ও যাপিত জীবনে। ছেলেবেলা থেকেই তিনি বড় হয়েছেন সাহিত্যের শিকড়ভিত্তিক পরিবারে। সুতরাং কোনো না কোনোভাবে সাহিত্যের প্রতি তাঁর ভালোবাসা গড়ে উঠেছে। সেই থেকেই পথচলা শুরু। ক্লান্তিহীন পায়ে এগিয়েছেন মানুষের দরজায় কড়া নাড়তে। পারিবারিকভাবে তিনি রাজনৈতিক চেতনার মাঝেও বড় হয়ে ওঠেন, যার কারণে তাঁর লেখায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উঠে এসেছে বারবার। প্রান্তিক মানুষের মুখ হয়ে উঠেছে তাঁর কলম ও কাগজ। ভালোবাসাটাও ছড়িয়ে পড়েছে দ্রম্নত। মানুষের কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন তাঁর লেখনী দিয়ে। এজন্য গ্রামশি বলেছেন, ‘কৃষকদের পক্ষে কলম ধরতে হবে বুদ্ধিজীবীদের।’ এ-কাজটি মহাশ্বেতা দেবী করেছেন। তাঁর লেখায় খুঁজে পাওয়া যায় প্রতিবাদী সুখ-বিচ্ছেদ-বিরহ-বেদনা এবং প্রান্তিক মানুষের জীবন ও জীবিকার দর্শন।

 

তথ্যসূত্র

১. অন দ্য কালচারাল ফ্রন্টিয়ার্স, ঋত্বিক ঘটক।

২. মার্কসিস্ট লিটারেচার, টেরি ঈগলটন।

৩. প্রান্তিকের কণ্ঠস্বর : মহাশ্বেতা দেবী, বদরুন নাহার।

৪. উইকিপিডিয়া

৫. প্রথম আলো (২৭.০৩.২০১০)। r