কালচক্র 

বিলাসী দ্রোহ উৎসব শেষে মাতি অন্য কোনো উৎসবে! 

কালচক্রে উৎসব মুখরিত জীবনের সচিত্র স্মৃতিরা 

ফিরে ফিরে আসে!

সৌখিন দ্রোহ উৎসবের প্রবহমানতা ধরে রাখতে 

অজান্তেই এসে যায় নতুন উপলক্ষ!

একঘেয়ে জীবননাট্যে বৈচিত্র্য আনতে 

আসে নজিরবিহীন অপরাধসূচি!

আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে দ্রোহ উদ্যাপনে।

প্রযুক্তির ঝলকে জেল্লা ফোটে বিদ্রোহের মুখে!

চটকদার বিদ্রোহের খণ্ডচিত্র 

প্রচারিত সম্প্রচারিত হতে থাকে 

দশ দিক আলোকিত করে!

নিরাপত্তা বলয়ে অবস্থান নিয়ে 

নির্লিপ্ত দর্শকসারির চোখে কৌতূহল;

বুদ্ধিজীবীদের কড়া সমালোচনা, নিন্দার ঝড়,

নিষ্ফল উপদেশবাণী সংবলিত সংলাপ ছোড়াছুড়ি! 

স্থিতি জড়তায় আবিষ্ট কবিদের কাব্যে রচিত

দ্রোহের মশাল,

প্রদীপের মতো কোমল আলো ছড়ায়। 

অতঃপর আত্মকেন্দ্রিকতার শেষ ধাপে বসে 

অপেক্ষারত আমরা একদিন প্রতিবাদী হই, 

যখন আঘাত আসে আত্মজের ওপর, 

জীবনসঙ্গীর ওপর!

বড় হরফে শিরোনাম হই অবশেষে! 

জীবনের নাট্যশালায় চলছে কালজয়ী ধারাবাহিক! 

কুশীলব আপামর জনতা! 

শ্রেষ্ঠাংশে আজ আমি, কাল তুমি! 

তৈরি থেকো!