জানি শুধু পোশাকের অবল¤¦নেই সাঁতার কেটেছিÑ
ডেকেছি ঝর্নার নাম ধরে
টিলার অনেক নিচে যে যমুনা তাকে আমি চুঁইয়ে চুঁইয়ে আরও জল
আরও বেশি আত্মা হয়ে বিনিময় হয়েছে, তারপর,Ñ
একদম মরে গেছি
গরম লাভার স্রোতে হিমবাহ গলে যায়, গলে যায় মঞ্জরীর
পাশেই মৌচাক!
আমি কি মাদক, প্রিয়?
না, কি মধু? না হলে কেন যে,Ñ
আমাকে অধিকার দিলে মৃত্যুর নির্জনে ঢুকে ঘুমিয়ে পড়বার?
এ মুহূর্ত স্তব্ধ হোক, চলো খুলে ফেলি এ নরকঙ্কালের
নরম গরম চামড়া, পোড়া দাগ, নগ্ন লোম,Ñ
শুধু ছুঁয়ে থেকে-
ছুঁয়ে থাকা বোঝা যায় যেরকম
কবে কারা ঐভাবে শুয়েছিল?
মৈথুনের ফসিল, মন্থর
অবাক ভাস্কর্য যেন বেদনায় মুখ ঢেকে আছে।
পবিত্র এ শিল্প তোমার
আদিঅন্তহীন
ভঙ্গিমায় গন্ধ নিতে নিতে
পৃথিবীও সম্মোহিত হয়ে যায় যদি
প্রকৃতিও প্রেমিকার নিজস্ব ঈশ্বরী হয়ে যদি যায়, তবে
যে নদী অমন করে ভেসে এলো তাকে দাও ভেসে যেতে দাও
আমি তো মরেই গেছি কবে…
সমাধিফলকে নয়, বাতাসেই লিখে রাখো আমার অক্ষর।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.