মনে পড়ে না :
সুখ নিয়ে সাত-সতেরো ভাবনায় কবিতা লিখতে চেয়েছে – বিবাগী এই মন!
স্বল্প-আয়ুর সুখ?
কবিতা লেখার টেবিল অবধি যেতে যেতে ফিরে গেছে সে অন্যের সিংহ-দরোজায় –
বিষণ্ণতা?
আনন্দের বিপরীত স্রোতে তীরের ফলার মতো
ছুটে এসে, ভেঙেছে সে হৃদয়, হৃদয়ের নিঃসঙ্গতা ও একাকিত্ব!
দুঃখ?
কারণে অকারণে সে আমার বুকের মধ্যে মায়াবন-বিহারিণী,
অথৈ বেনোজলে … হারানো তৃণদল
যেমন মরীচিকা বৃক্ষে দোলে শত সহস্র অসীমের ফুল!
দীর্ঘশ্বাস ও হাহাকার?
দ্বৈত সত্তায় আমাকে তারা বিরলে হাসায় আর কাঁদায়।
মৃত্যুভারাতুর শোকভারে প্রবিদ্ধ করে অনিত্যের কাঁটায়!
শূন্যতা?
ক্ষণবাদী সংসারে শূন্যতা শেষ কথা হলেও, সংখ্যার চেয়ে চিরকাল আমি শূন্যতাকে ভালোবেসে
গেছি প্রাণপণ!
উদাসীনতা?
অলস দুপুরে আমার শিয়রে সে দাঁড়ায় এসে নির্ভয়ে –
শনি ও শুক্রবার নেই … যুদ্ধাকীর্ণ এ-পৃথিবীর রক্তপাতে নিরন্তর নির্বাক উদাসীনতায় ভেসে যাই
বারবার –
ব্যর্থতা?
সে তো, আজন্ম পিপাসার জলে হতাশার আধেক নুন
বাউলের ঝাঁকড়া চুলে যেমন বাসা বেঁধে থাকে উকুন।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.