শিহাব সরকার
-
মনজুর, তার চেয়ার
মাদুর কিংবা পিঁড়ি জলচৌকি, সে যাই হোক চেয়ারের হাতছানিতে মৌতাতে উড়ুউড়ু মন, তমাল-তরুর ছায়ায় চেয়ারে বসা মনজুর মায়ামর্মর শোনে অবাক ঝাউবনে, তেপান্তরে দূরসমুদ্রের সুবাসে গুরু-গুর্বীরা বিভোর ধূপধুনোর ধোঁয়ায় আচার্যেরা দিব্য জ্যোতির্ময় নামতে থাকেন কখনো বা অজানা বিবরে। পথভোলা জ্ঞানার্থীকে মূল পথ চেনাতে চেনাতে এইসব মানুষেরা হাঁটে রেনেসাঁসের রৌদ্রে হারানো নগরীর আলোচ্ছায়া পরগণায়। চৈত্রদুপুরে আগুন, পুড়ছে…
-
সেঞ্চুরি ফুলের সৌরভে
ফুটিছে ফুল প্রতিদিন, মেলে দিচ্ছে রক্তলাল পাপড়ি সুদূর উনিশশো কুড়ি থেকে আমরা সবাই পতঙ্গ প্রজাপতি পোকামাকড় ঘিরে আছি ওই ফুলের চারদিক। ফুলদলে পড়েছিলো দৈত্যের থাবা তাতে কী? ফুলকলি ফুটবে অনাদিকাল বাংলাদেশ নামের উদ্যানব্যাপী। তার সৌরভ ছড়িয়ে যায় মহাকালে, কম্পিত হাতে জল ঢেলেছি গাছের গোড়ায় ফুলঘ্রাণে আমাদের রক্তে অগ্নিকণা। এই ফুল ছুঁয়েছে শতাব্দীর সীমানা বাগানে আরো…
-

মিথিলার অন্ধকার
পঞ্চগড়ে বাস এসে থামার আগেই রকিবুলের চোখের পাতা ভারি হয়ে আসছিল। জার্নিতে ওর ঘুম হয় না, তা বাসে বা ট্রেনে হোক – বা পেস্ননেই হোক। অনেকে দিব্যি ঘুমিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার করে দেয়। …
-
কবিতার প্রহর
খনির ঠিকানা সকলেই পায় ঘরে কিংবা সিটি স্কোয়ারে যে যার মতো আনন্দখনির সন্ধান পেয়ে গেছে। আসছে মশাল, গাঁইতি। ঐখানে মূল কথা, খনির ভিতর নামা অন্ধকার সুড়ঙ্গ ধরে কে কীভাবে যাবে আনন্দের কত চুনি, পান্না; স্বপ্নে মাতাল হয়ে আছি তুমি আমি সাদা কালো মজুরেরা খনির নিচে কবিতার গুপ্ত সরোবর ঐ জলে ডুব দিতে চায় প্রত্যেকে, গোলমাল…
