খনির ঠিকানা সকলেই পায়
ঘরে কিংবা সিটি স্কোয়ারে
যে যার মতো আনন্দখনির সন্ধান
পেয়ে গেছে। আসছে মশাল, গাঁইতি।
ঐখানে মূল কথা, খনির ভিতর নামা
অন্ধকার সুড়ঙ্গ ধরে কে কীভাবে যাবে
আনন্দের কত চুনি, পান্না; স্বপ্নে মাতাল হয়ে আছি
তুমি আমি সাদা কালো মজুরেরা
খনির নিচে কবিতার গুপ্ত সরোবর
ঐ জলে ডুব দিতে চায় প্রত্যেকে,
গোলমাল হয়ে যায় সুড়ঙ্গে নামার দিন
সুরা ও সঙ্গীতের উৎসবে তুমুল হল্লায়
কবিতা পড়ছে নিমগ্ন তরুণী
নিঝুম বাড়ি, জানালার পাশে নিমডালে কাক
চৈত্রদুপুরে পাওয়া যায় কবিতার পবিত্র প্রহর
মাত্র কশ্জন এ সত্য জেনে মরে।
কবিতা উলঙ্গ হয়ে নাচছে মাহ্ফিলে
্লনাচো সুন্দরী, নাচো রাতভর…শ্
ছুড়ে মারি দিনার, আশরাফি, লাল ফুল
ঘুঙুরে কেটে রক্তাক্ত কবিতার পা
একা মানুষেরা নিঃশব্দে খনিতে নামে
মোমের আলোয় সরোবর দেখা যায়,
ঐ তো কবিতা! এবার নির্জন সাঁতার
খুব অশ্রু ঝরেছে মাঠে-মঞ্চে কবিতার বলাৎকারে
চৈত্রদুপুরে তরুণীর নিঝুম বাড়ি হয়ে আসে কবিতার অবাক গুপ্ত জলরাশি।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.