জাপানি ভাষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-র লালসালু
পূর্ব বাংলার বাংলা সাহিত্য জাপানি অনুবাদে প্রায় অবহেলিত। এর মূল কারণ সম্ভবত বাংলাভাষা-চর্চায় নিয়োজিত জাপানের লোকজনের বেশ বড় একটা সময় ধরে কলকাতার বাংলার প্রভাব অথবা মোহে আচ্ছন্ন থাকা। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাবের আগে পর্যন্ত মুষ্টিমেয় যে-কজন জাপানি বাংলাভাষা-চর্চায় নিয়োজিত ছিলেন, তাঁদের প্রায় সকলেই ভাষা শেখার প্রাথমিক পাঠ জাপানে শেষ করে নতুন শেখা ভাষার ভিত আরো শক্ত করে নিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কিছুদিন অবস্থান করে। এমন কী এই একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নেও কূটনৈতিক নিয়োগ লাভকারী জাপানি তরুণদের বাংলাভাষা শেখার জন্য পাঠানো হয় কলকাতাতেই, যদিও ভাষাচর্চার সাথে সম্পর্কিত পেশাগত দায়িত্ব পালনের বড় একটা অংশ তাঁদের কাটে বাংলাদেশে। এ-ও নিশ্চিতভাবেই হচ্ছে পূর্ববর্তী প্রজন্মের বাংলাভাষাচর্চার পীঠস্থান হিসেবে কলকাতাকে গণ্য করে আসার স্বাভাবিক ফল।
তবে সেই ধারায় ইদানীং চোখে পড়ার মতো ব্যতিক্রমি সংযোজন হচ্ছেন সেইসব জাপানি তরুণ-তরুণী, যারা স্বেচ্ছাসেবীর দায়িত্ব পালন করতে বাংলাদেশে কয়েক বছর কাটিয়ে অনেকটা ভালোবাসার টানে বাংলাভাষা রপ্ত করে জাপানে বাংলাদেশের পরিচিতি তুলে ধরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে বুদ্ধিবৃত্তিগত উচ্চমার্গের বাংলা এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবাধীন থেকে যাওয়ায় বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জাপানে প্রবেশের সুযোগলাভ করছে খুবই কম। সেদিক থেকে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে প্রকাশিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-র লালসালুর জাপানি অনুবাদকে নিশ্চিতভাবেই নতুন এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। গত বছর জাপানের একটি প্রকাশনা সংস্থা হুমায়ুন আজাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুটি শিশুতোষ গ্রন্থ আব্বুকে মনে পড়ে আর ফুলের গন্ধে ঘুম আসেনা প্রকাশ করলেও লালসালু হচ্ছে বাঙালি মুসলমানের জীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত পূর্ণাঙ্গ কোনো উপন্যাসের প্রথম
জাপানি অনুবাদ।
লালসালু-র জাপানি অনুবাদের প্রকাশক হচ্ছে ওসাকা ভিত্তিক দাইদো লাইফ ফাউন্ডেশন। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লাভক্ষতির হিসাব ধরে নিয়ে পুস্তক-প্রকাশনায় নিয়োজিত সংস্থা এই ফাউন্ডেশন নয়। সাহিত্যের মাধ্যমে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে যোগসূত্র গড়ে তোলা ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য হওয়ায় কাটতির দিক থেকে মারকাট ধরনের বই নয়, বরং প্রকৃত সাহিত্যিক মূল্যবোধের প্রকাশ ঘটানো
গ্রন্থই অনুবাদের জন্যে ফাউন্ডেশন বেছে নেয়।
সেদিক থেকে বাংলাদেশের প্রথম উপন্যাস হিসেবে লালসালু-র প্রকাশ দাইদো ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য আর চিন্তাধারার সঠিক প্রতিফলন তুলে ধরছে।
এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সাহিত্য-বিষয়ক আদান-প্রদানে দুটি ভিন্ন কার্যক্রম ফাউন্ডেশনের রয়েছে। একটি হচ্ছে এশিয়ার অন্যান্য দেশের গল্প-উপন্যাস জাপানি ভাষায় প্রকাশ করা, আর অন্যটি হলো জাপানি ভাষার বিভিন্ন বইয়ের অনুবাদ এশিয়ার অন্যান্য ভাষায় প্রকাশে সহায়তা প্রদান। প্রথম কর্মসূচির আওতায় ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও অন্য আরো কয়েকটি দেশের গল্প-উপন্যাসের অনুবাদ ইতোমধ্যে জাপানে প্রকাশিত হয়েছে। ভারতীয় লেখকদের তালিকায় ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত তারাশঙ্করের জলসাঘর হচ্ছে বাংলাভাষার কোনো উপন্যাসের দাইদো ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রথম জাপানি অনুবাদ। সেদিক থেকে এগারো বছরের ব্যবধানে লালসালু ফাউন্ডেশনের কর্মসূচির আওতায় জাপানি অনুবাদে প্রকাশিত দ্বিতীয় বাংলা গ্রন্থ।
জাপানি ভাষায় লালসালু অনুবাদ করেছেন বিশিষ্ট ভাষাবিদ ও অনুবাদিকা অধ্যাপিকা কিওকো নিওয়া। তারাশঙ্করের জলসাঘর, মহাশ্বেতা দেবীর গল্প সংকলন এবং নজরুলের নির্বাচিত কবিতার জাপানি অনুবাদের মধ্য দিয়ে জাপানে বাংলা সাহিত্যের পরিচিতি তুলে ধরায় ইতোমধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তিনি পালন করেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে পিএইচডি ডিগ্রি লাভকারী জাপানি এই শিক্ষাবিদ একই সঙ্গে হচ্ছেন জাপানের নেতৃস্থানীয় বঙ্গবিশারদ। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন প্রতিনিধিত্বশীল রচনাবলি অনুবাদের পাশাপাশি তিনি জাপানের লোকজনের জন্যে বাংলাভাষা শেখায় সহায়ক একাধিক গ্রন্থেরও রচয়িতা। কিছুদিন আগে টোকিওতে কালি ও কলমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-র রচনা এবং লালসালু অনুবাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলাখুলি বক্তব্য রাখেন।
‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-র প্রকৃতির বর্ণনায় আছে চমকের ছোয়া’
কালি ও কলম: লালসালু তো তেমন সহজ কোনো উপন্যাস নয়। বিশেষ করে এর যে-বিস্তৃত সামাজিক প্রেক্ষাপট, ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত বাঙালি মুসলমানের সামাজিক জীবনের নানা দিকের প্রকাশ যেখানে দেখা যায়, সেটাকে বুঝতে হলে সঠিক ভাষাচর্চার বাইরেও অনেক কিছু জানা থাকা দরকার। সেদিক থেকে উপন্যাসের অনুবাদ শুরু করে কোনোরকম সমস্যার মুখোমুখি আপনাকে হতে হয়েছে কি?
কিওকো নিওয়া: সমস্যা তো অবশ্যই অনেক ছিল। যেমন ধরুন, বাংলাভাষার উপর লেখাপড়া আমি কলকাতায় করেছি। আর তাই বাংলাদেশের জীবন, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের জীবনের অনেকটাই আমার অজানা রয়ে গেছে। সেটা ছিল প্রধান সমস্যা। তবে সেদিক থেকে আবার অনুবাদের প্রক্রিয়ায় নতুন অনেক কিছু আমি শিখতেও পেরেছি।
প্রশ্ন: আপনি তো এর আগে নজরুলের কবিতা অনুবাদ করেছেন। নজরুলের কাব্য আর সংগীতেও বাঙালি মুসলমানের জীবনধারার প্রভাব লক্ষণীয়। সেদিক থেকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আর নজরুলের অনুবাদ প্রক্রিয়ায় কোনো মিল আপনি খুঁজে পেয়েছেন কি?
উত্তর: তা কিন্তু নয়। নজরুলের কবিতায় মুসলমান সমাজের প্রতিফলন কিছু কিছু লক্ষ করা গেলেও তা তেমন ব্যাপক নয়। আর কবিতার অনুবাদের সাথে উপন্যাসের অনুবাদের পার্থক্য সবসময়েই থেকে যায়।
প্রশ্ন: অনুবাদ করতে গিয়ে তো লালসালু ভালোভাবে পাঠ করা ছাড়াও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সম্পর্কেও অনেক কিছু আপনাকে জানতে হয়েছে। বিশেষ করে উপন্যাসের শেষে ওয়ালীউল্লাহ-র দীর্ঘ পরিচিতি আপনি সংযোজন করায় আমরা ধরে নিতে পারি লালসালু-র বাইরেও আপনি এর লেখককে পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করেছেন। এই উপন্যাস এবং সার্বিকভাবে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-র সাহিত্যের মূল্যায়ন আপনি কীভাবে করবেন?
উত্তর: বাংলাদেশের উপন্যাস এর আগে আমি তেমন একটা পড়িনি। আগেই আমি বলেছি উচ্চশিক্ষা আমি গ্রহণ করি কলকাতায়। বাংলাদেশের সাহিত্য, বিশেষ করে গদ্য-সাহিত্য সম্পর্কে তেমন কিছু জানার সুযোগ সেখানে আমার হয়নি। তবে সেখানে কিন্তু
লালসালু-র ভিন্ন একটা পরিচিতি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের কোনো কোনো লেখক যে এই উপন্যাসের প্রশংসা করেছেন সে-সম্পর্কে আমি পড়েছি। তবে তারপরও বলতে হয়, পশ্চিমবঙ্গের কোনো কোনো লোকজনের মধ্যে এরকম ধারণা রয়েছে যে, বাংলাদেশের উপন্যাস বিশুদ্ধ কিংবা উচ্চমার্গের নয়।
বছর তিনেক আগে বইটি সংগ্রহ করে আমি পড়তে শুরু করি। বলা যায়, প্রথমবারের পাঠেই এটা আমাকে আকৃষ্ট করে এবং তখন থেকেই এটাকে খুবই উচ্চমার্গের উপন্যাস বলে আমার মনে হয়েছে। লালসালু-র লেখার স্টাইল আমার কাছে খুব সুন্দর মনে হয়েছে। বিশেষ করে প্রকৃতির যে-বর্ণনা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ উপন্যাসে দিয়েছেন, জাপানিদের কাছে তা খুবই আকর্ষণীয় মনে হওয়ার কথা। লেখকের প্রকৃতির বর্ণনায় সত্যিকার চমক খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ-র অনুবাদে জড়িত হওয়ার আগে আপনি তো মহাশ্বেতা দেবীর নির্বাচিত গল্পের আংশিক অনুবাদ করেছেন। দুই বাংলার ব্যতিক্রমি এই দুই লেখকের মধ্যে কোনো মিল আপনি খুঁজে পেয়েছেন কি?
উত্তর: মহাশ্বেতা দেবীর নির্বাচিত গল্পের অনুবাদ শেষ করে লালসালু-র অনুবাদে আমি হাত দেই। পরিবেশনা বা উপস্থাপনার দিক থেকে এঁরা দুজন হচ্ছেন সম্পূর্ণ ভিন্নধারার সাহিত্যিক। তবে পরোক্ষ যে-মিল তাঁদের মধ্যে পাওয়া যায় তা হচ্ছে, গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে নিজ নিজ সমাজের দিকে তাঁরা দুজনেই আলোকপাত করেছেন। সে-রকম গভীর দৃষ্টির মধ্য দিয়েই সমাজের অসুস্থ কিছু কিছু দিক নিজেদের
রচনায় তাঁরা তুলে এনেছেন। তবে কীভাবে তাঁরা তা পাঠকের সামনে উপস্থাপন করছেন, সেই ক্ষেত্রে দুজনের মধ্যে বিস্তর অমিলের প্রসঙ্গ তো আগেই আমি উল্লেখ করেছি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের আর কোনো গল্প কিংবা উপন্যাস অনুবাদের চিন্তাভাবনা আপনি করছেন কি?
উত্তর: বাংলাদেশের উপন্যাস আমার খুব একটা বেশি পড়া নেই। ফলে উপন্যাসের অনুবাদ সম্পর্কে ঠিক এ-মুহূর্তে চিন্তাভাবনা আমি করছি না। তবে আপনাদের কবিতা আমার পছন্দ। বিশেষ করে শামসুর রাহমান আর শহীদ কাদরীকে অনবদ্য কবি বলে আমি মনে করি। ভবিষ্যতে সময় আর সুযোগ হলে এঁদের কবিতা অনুবাদ করার ইচ্ছা আমার আছে। তবে ঠিক এ-মুহূর্তে তেমন কোনো পরিকল্পনা আমার নেই।
টোকিওর বৈশাখি মেলা
গত আঠারোই এপ্রিল টোকিওর অন্যতম ব্যস্ত নগরকেন্দ্র ইকেবুকুরোর নিশিগগুচি পার্কের উন্মুক্ত চত্বরে বসেছিল প্রবাসী বাংলাদেশীদের বৈশাখি মেলা। এবারের মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কর্ণধার, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জাপানে বাংলাদেশীদের সেচ্ছাসেবী সংগঠন নবদিগন্তের আমন্ত্রণে দশদিনের জাপান সফরে টোকিওতে তিনি ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন। বৈশাখি মেলায় সারাদিন ধরে মেলা-চত্বরে তাঁর উপস্থিতি ভিন্ন এক মাত্রা এবারের মেলায় নিয়ে আসে, মেলায় সমবেত প্রায় কয়েক হাজার বাংলাদেশীর কাছে যা ছিল এবারের নববর্ষের সবচেয়ে আকর্ষণীয় উপহার।
বড় আকারে সারাদিন ধরে বৈশাখি মেলার আয়োজন টোকিওতে চলে আসছে ২০০০ সাল থেকে। এবারের এই পঞ্চম আয়োজন ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় আরো অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ও উপভোগ্য। সকাল এগারোটায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনীর পর মূল মঞ্চে সারাদিন ধরে চলে গান-বাজনা, সংগীত আর কবিতা পাঠের আসর। পাশাপাশি প্রায় গোটা তিরিশেক স্টলে প্রবাসীরা সাজিয়ে বসেন খাবার-দাবার, বইপত্র, হস্তশিল্প ছাড়াও নানারকম সামগ্রী। দিনভর চলতে-থাকা লোকজনের ভিড়ে জাপানি ও অন্যান্য
বিদেশীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সবাই এঁরা প্রাণভরে উপভোগ করেন বাংলাদেশের নানারকম খাবারের স্বাদ।
একই সঙ্গে ভিন্ন এক স্টলে ভিসাহীন বাংলাদেশীদের নিজখরচায় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার জন্য সমবেত হয়েছিলেন জাপান ও বাংলাদেশের একাধিক চিকিৎসক। বৈশাখি মেলার ব্যতিক্রমি এই মহতী উদ্যোগ মেলার সার্বিক ভাবমূর্তিতে নিয়ে আসে ভিন্ন এক মাত্রা।
অপরাহ্ণের মূল অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব সিরাজুল ইসলাম এবং টোকিওর তোশিমা ওয়ার্ডের মেয়র। গত কয়েক মাস ধরে মেলার বিভিন্ন দিকের পরিকল্পনায় নিয়োজিত থেকে চমৎকার এক বৈশাখি মেলার আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশী প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত আয়োজক কমিটি। অনাহূত ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এবারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল জাপানি স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে গঠিত ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’ নামের ব্রিগেডকে। মেলায় বাঙালি আর জাপানিদের ভিড়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখায় সাহায্য করতে এদের চোখে পড়ার মতো উপস্থিতির জন্যও ভিন্নভাবে ধন্যবাদের দাবিদার হতে পারে টোকিওর বৈশাখি মেলার আয়োজক কমিটি, যার নেতৃত্বে আছেন জাপান-প্রবাসী বাংলাদেশের চিকিৎসক শেখ আলিমুজ্জামান।


Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.