সিলেটে যুদ্ধাপরাধ ও প্রাসঙ্গিক দলিলপত্র

লেখক:

কাজী রাফি
লেখকের জন্ম : ২২ নভেম্বর ১৯৭৫
পেশা : সেনাবাহিনীতে কর্মরত।
প্রকাশক : দিব্য প্রকাশ
সম্পূর্ণ ভিন্ন পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ধূসর-স্বপ্নের সাসান্দ্রা। আফ্রিকার বনভূমি, উপজাতীয়দের জটিল আবার সারল্যভরা জীবনের ছোঁয়া আছে এই রচনায়। ত্রিমুখী টানাপড়েনের আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসটি। আফ্রিকায় জাতিসংঘ বাহিনীতে কর্মরত থাকাকালীন লেখকের অভিজ্ঞতার ফসল এই উপন্যাস। সেখানকার জীবনাচরণ ও সংস্কৃতি বিচিত্রমুখী ও স্বাতন্ত্র্যে উজ্জ্বল, এই উপন্যাসে তা ধরা আছে।
মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির অসম সাহস ও বীরত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে জেগে থাকে মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানিরা মুক্তিযুদ্ধকালে দেশে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল পৃথিবীর ইতিহাসে তার নজির নেই। সিলেটে যুদ্ধাপরাধ ও প্রাসঙ্গিক দলিলপত্র গ্রন্থে স্বাধীনতাবিরোধী শত্রুদের চিহ্নিত করেছেন অপূর্ব শর্মা। তিনি ১৯৭১ সালে সিলেটে যুদ্ধাপরাধীদের শনাক্ত করেছেন দীর্ঘ পরিশ্রমে। সেইসঙ্গে গণহত্যা ও পাকিস্তানিদের ভূমিকা বিশেস্নষণ করেছেন প্রাসঙ্গিক দলিলপত্রসহ। গবেষকের দৃষ্টি নিয়ে তিনি এ-কাজটি করেছেন।

নবীন প্রজনম এই গ্রন্থটি পাঠে লাভবান হবেন।তাঁকে অভিনন্দন জানাই।  টোকন ঠাকুরকবির জনম : ১ ডিসেম্বর ১৯৭২ পেশা : সিনেমা বানানো প্রকাশক : বিভাস      টোকন ঠাকুরের কবিতার মর্মে প্রবেশ করলে এক রহস্যময়তা ও রোমান্টিক বেদনার আভাস পাওয়া যায়। এর সঙ্গে মিশ্রিত হয়েছে জীবনবোধের এক দুঃখতাপ। সেইসঙ্গে বিপন্নতার এবং সময়েরও ছবি হয়ে উঠেছে তাঁর কবিতার বই, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কবির জীবন এক বেদনার জীবন। যেখানে কখনো তিনি মূক ও বধির। সেজন্য তাঁর উচ্চারণ মৃদু ও সান্দ্র ।

জীবনের অপ্রকাশের ও প্রকাশের বেদনা অনুষঙ্গী হয়ে ওঠে তাঁর কাব্যগ্রন্থ সময়েরও দর্পণ হয়ে ওঠে।
তাঁর কবিতার ভিন্ন মেজাজ ও সুর আমাদের চেতনার দিগন্তকে প্রসারিত করে। কবির এই নির্মাণ ও সৃষ্টি আধুনিক বাংলা কবিতার অভিযাত্রায় সাধনা ও সিদ্ধিতে এক পথ নির্মাণ করবে। আর এই পুরস্কারপ্রাপ্তি কবিকে প্রেরণা জোগাবে, এই আশা করি। কবিকে অভিনন্দন।