কোনো এক বসন্তের গন্তব্যহীন সন্ধ্যায়
ভালোবেসেছিলে – প্রিয় ‘বনলতা সেন’
অনেক পৃথিবীর অতীত কাব্যের শরীরে
তোমার ধূসর পাণ্ডুলিপির ’পরে
আলোর অজস্র পাতা পড়ে –
অন্ধকারে;
পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা মুছে ফেলে
শতাব্দীর পর শতাব্দী নিভৃতির মর্মমূলে
তোমাকেই একাকী খুঁজে ফিরেছি
ধানসিড়ি নদীটির তীরে
করুণ-বিষণ্ন শালিকের ভিড়ে;
ভাবিয়াছি তোমারে বহুদিন
পুরনো কলকাতার পথে – নিঃস্বতার দীর্ঘশ্বাসে
ট্রামের যুগ ফুরিয়েছে ঢের আগে –
তবু হৃদয় ব্যথিত হয়ে আসে;
তুমি কী নক্ষত্র – তুমি কী খুব বিষণ্ন গাঙচিল
জাগিয়া থাকিবে মহাকালে
জাগিবে আহত মানুষীর মনে –
‘মাল্যবান’ হয়ে নিবিড় নির্জনে!

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.