৭
মানুষের জগৎ শুধু মানুষকে নিয়ে নয়, প্রকৃতিকে নিয়েও। উভয় ক্ষেত্রেই সম্পর্কটা দ্বান্দি¡ক। একসময়ে প্রকৃতিকে ভয় পেত মানুষ, তারপর সে প্রকৃতিকে জয় করতে শিখেছে। এই জয়ের নেশায় মানুষ যা করছে, তাতে ক্ষতি হচ্ছে প্রকৃতির এবং সেই ক্ষতির বড় ঢেউ এসে লাগছে মানুষের জীবনে। মানুষকে বুঝতে হবে, মহাপ্রকৃতির উদার আকাশই চেতনার আদি স্বদেশ। তা বুঝতে না পারলে মানুষের মুক্তি নেই, তার সৃজনশীলতার ধারা ঊষর মরুতে হারিয়ে যাবে। তাই মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্কের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অম্লান দত্ত।
প্র ব ন্ধ
১৩ লাইক ফতেহ্আলীর সঙ্গে কল্পসংলাপ ষ দ্বিজেন শর্মা
২৫ মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর ‘নর-নারী’ : নারীমুক্তির
সরলপাঠ ষ মোরশেদ শফিউল হাসান
৭৩ বাখতিনের সাহিত্যতত্ত্ব : ডায়ালজিজম ও
কার্নিভালাইজেশন ষ ফয়েজ আলম
ছো ট গ ল্প
২৯ কথোপকথন ষ মাহবুব তালুকদার
৩৩ সুখ-অসুখ ষ আফসার আমেদ
৩৭ বাংলাদেশ ষ আকিমুন রহমান
৪৬ স্বপ্নব্যাখ্যা-প্রকল্প ষ হুমায়ূন মালিক
বি দে শী সা হি ত্য
৫১ গাও জিঙ্গজিয়ানের আত্মা পর্বত ষ কবীর চৌধুরী
৫৫ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের জগৎ ষ হোসেন আলমগীর
নি য় মি ত ক লা ম
৬২ নিবেদন ষ সমরেশ মজুমদার
র ম্য র চ না
৮০ হচ্ছে-হবে ষ তারাপদ রায়
চি ত্র ক লা
৮১ শামসুল ইসলাম নিজামী ষ আবু তাহের
৮৩ শিল্পী নাসরিন বেগম : আপন পথের পথিক ষ জাহিদ মুস্তাফা
৮৫ সাঈদা কামালের কাছে-দূরে ষ মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
৮৭ সনাতন বিশ্বাসের জন্য দুফোঁটা অশ্রু ষ রোকসানা আফরীন
ক বি তা
৬৫-৭২ শূন্যতা যখন পূর্ণ ষ অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত/ আমরা কেউ জানি না ষ বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর/ ১৮ই শ্রাবণ ষ আবদুল মান্নান সৈয়দ/ জীবন খুঁড়তে খুঁড়তে ষ খালেদা এদিব চৌধুরী/ ভুল ছবি ষ শিহাব সরকার/ ফুলেরা একাকী কাঁদে ষ অসীম সাহা/ তুমি ষ আবু করিম/ মীরার ভজন ষ দিলারা হাফিজ/ গাছ ষ নাসির আহমেদ/ দুস্থ পদাবলি ষ বিমল গুহ/ প্রত্যহ শবযাত্রায় ষ জাফর আহমদ রাশেদ/ গাব্রিয়েল জাইদের তিনটি কবিতা ষ অনুবাদ : আবুল মোমেন
বি জ্ঞা ন
৮৯ আমরা কি একা? ষ মুহম্মদ জাফর ইকবাল
স ং গী ত
৯১ গুরু, আমার উপায় করো না : পিপাসার্ত এক যোগ্যতাহীনের
কথা ষ ওয়াহিদুল হক
অ নু বা দ গ ল্প
৯৫ চামড়া ষ মূল : রোআল্ড ডাল/ অনুবাদ : সালেহা চৌধুরী
ধা রা বা হি ক উ প ন্যা স
১০২ মানুষ, মানুষ ! ষ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১০৬ পর ষ ইমদাদুল হক মিলন
বি দে শে র চি ঠি
১১১ জাপানি ঐতিহ্যের নোহ নাটক ষ মনজুরুল হক
ম ঞ্চ না ট ক
১১৫ প্রাচ্যনাটের গণ্ডার : বাংলাদেশে অ্যাবসার্ড নাট্যচর্চায়
আশার আলো ষ অলোক বসু
ব ই প ত্র
১১৭-১৩৫ সনৎকুমার সাহা/ আবুল হোসেন/ সৌভিক রেজা/ ফজলুল হক সৈকত/ এ জেড এম আবদুল আলী৯
হুমায়ুন আজাদের অকাল মৃত্যু প্রবল ক্ষোভ ও দুঃখের সঞ্চার করেছে সারাদেশে এবং দেশের সীমানা পেরিয়ে বাংলা সাহিত্যপ্রেমী মানুষের মধ্যে। মেধাবী ছাত্র, কৃতী অধ্যাপক, বিশিষ্ট কবি, জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, তীক্ষèধী প্রাবন্ধিক, ক্ষুরধার সাহিত্য-সমালোচক, নিষ্ঠাবান ভাষাতাত্ত্বিক – তাঁর পরিচয় বহুবিধ। তবে সবকিছু ছাপিয়ে সাম্প্রতিককালে বড় হয়ে দেখা দিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতি তাঁর আনুগত্য এবং মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ-শক্তির তীব্র বিরোধিতা। এখানে তাঁকে স¥রণ এবং তাঁর কবিতা সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন রফিকুল্লাহ খান। সমরেশ মজুমদার তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নিবেদন কলামে। ১৮বাংলাদেশের চারুকলা-আন্দোলনের এক প্রধান পুরুষ আবদুর রাজ্জাকের জন্ম শরিয়তপুরে, ১৯৩২ সালে। সরকারি চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৫৪ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি, ১৯৫৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাভ করেন এম এফ এ ডিগ্রি। দেশে-বিদেশে প্রদর্শিত হয়েছে তাঁর অনেক চিত্রকর্ম, অনেক সংগ্রহে রয়েছে তাঁর নানাধরনের কাজ। চারুশিল্পী সংসদের সম্মান লাভ করেছেন তিনি, ভূষিত হয়েছেন একুশে পদকে। তাঁর হাতেই শুরু হয় চারুকলা ইন্সটিটিউটের ভাস্কর্য বিভাগ, জয়দেবপুরের চৌমাথায় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্মারক ভাস্কর্যটি তাঁরই সৃষ্টি। ভাস্কর্য ছাড়াও জলরং, তেলরং, ড্রইং এবং নানাধরনের ছাপচিত্রের কাজ করেছেন। তাঁর শিক্ষা ও শিল্প সম্পর্কে এখানে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রশীদ আমিন।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.