মৃত্যু একটি ধ্রুব সত্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বার্ধক্য এক অনিবার্য যাত্রা। প্রতিটি জীবন্ত প্রাণী জন্মের পর জীবনের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে। যৌবনের উচ্ছ্বাস থেকে বার্ধক্যের প্রশান্তি পর্যন্ত এই যাত্রা চলে। এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত নিশ্চিততায় শেষ হয় – মৃত্যুতে। এ আমরা সবাই কমবেশি জানি। দুটি ধ্রুব সত্যের একটি এই মৃত্যু। আরেকটি আমাদের জন্ম। কেবল আমরা নই, কেবল মানুষ নয়, জগতের সকল প্রাণীর মৃত্যু আছে, সমাপ্তি আছে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন – কেন আমরা মারা যাই, কীভাবে আমাদের মৃত্যু হয়, কীভাবে আমাদের শরীরের মধ্যে মৃত্যুর প্রক্রিয়াটি ঘটে।
আবার আমরা সবাই একই সময় মারা যাই না। কেউ ৭০-৮০ বছর বাঁচে, কেউ ১০০ বছর বাঁচে, আবার কেউ ৫০-৬০ বছর পরেই মারা যায়। বয়সের এই পার্থক্য কেন হয়! কেনইবা আমরা একেকজন একেকটা বয়স পর্যন্ত বাঁচি।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি শাখার নাম জেরোনটোলজি। বার্ধক্যবিজ্ঞান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই শাখা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেহের মাঝে যে জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মৃত্যু আসন্ন হয়ে ওঠে, তা নিয়ে কাজ করে।
কোষ এবং ডিএনএ
আমাদের জন্ম, বেঁচে থাকা এবং মৃত্যু – এই তিনটির মূল সূত্র লেখা থাকে কোষের ভেতর। শরীরে আছে এরকম বিলিয়ন বিলিয়ন কোষ। আবার কোষের ভেতরে ডিএনএ নামে পরিচিত একটি অংশেই জীবনের শুরু এবং শেষের সবকিছু যেন লেখা থাকে। কোষ এবং ডিএনএতে ঘটে যাওয়া কর্মকাণ্ডই আমাদের জন্মের উৎস, বেঁচে থাকা এবং মৃত্যুর কারণ।
একজন মানুষের দেহে কোষের ভেতরে থাকা এই ডিএনএর রাসায়নিক কোডগুলোকে যদি একসঙ্গে করা হয়, লম্বায় এটি কত বড় হবে জানেন! পৃথিবী থেকে চাঁদে গিয়ে আবার ফিরে আসতে যে দূরত্ব, সেই দূরত্ব ৩০০ বার অতিক্রম করলে লম্বায় যতটুকু হবে ঠিক ততটুকু।
আমাদের মৃত্যুর কারণ এই কোষ এবং এই ডিএনএ। শরীরে আছে ট্রিলিয়ন কোষ। প্রতিটি কোষের রয়েছে একটি নির্দিষ্ট কাজ। এই কাজগুলো করতে গিয়ে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কোষগুলোর ভেতরে অনেক পরিবর্তন ঘটে। পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে ডিএনএ জড়িত। কাজগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে ডিএনএ। কোষের ভেতরে কাজের পরিবর্তন হলে ডিএনএ-ও তার নির্দেশের ধরনকে পরিবর্তন করে ফেলে। কাজকেও পরিবর্তন করে ফেলে অথবা পূর্বের কাজের ওপর প্রভাব ফেলে। কারণ এই ডিএনএ কোষের ভেতরে কাজগুলোর নির্দেশের প্রতিলিপি তৈরি করে। তার মানে কোষের কাজের পরিবর্তন এবং এর সংখ্যা কমে গেলে ডিএনএর কার্যকারিতাও কমতে থাকে। ক্রমশ কোষগুলো তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে মৃত্যুর দিকে চলে যায়।
জৈবিক ঘড়ি : বার্ধক্যের রহস্য
বার্ধক্যের মূলে রয়েছে একটি জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া ঘটে কোষ এবং কোষের আণবিক স্তরে। আমাদের কোষগুলো জীবনের মৌলিক ইট। কোষগুলো নিয়মিত বিভাজন এবং প্রতিলিপির মাধ্যমে আমাদের দেহকে সচল রাখে। তবে প্রতিটি বিভাজনের সঙ্গে ডিএনএতে সূক্ষ্ম ত্রুটিগুলি জমা হতে থাকে পাশাপাশি। ডিএনএ কোষের কার্যকলাপ নির্দেশ করে। তখন এই ত্রুটিগুলি, যা মিউটেশন নামে পরিচিত, স্বাভাবিক কোষীয় কার্যকলাপকে ব্যাহত করতে পারে এবং করে। শারীরিক কার্যকারিতা ধীরে ধীরে কমে যায় তাতে। আর সময়ের এই পরিক্রমাকে বলি আমরা বার্ধক্য।
বার্ধক্য প্রক্রিয়ার প্রধান খেলোয়াড় হলো টেলোমেরেস। এটি ক্রোমোজোমের প্রান্তে অবস্থিত প্রতিরক্ষামূলক একটি ক্যাপ। প্রতিবার একটি কোষ বিভাজিত হলে, তার টেলোমেরেস কিছুটা ছোট হয়ে যায়। যখন এগুলো অত্যন্ত ছোট হয়ে যায়, তখন কোষটি আর বিভক্ত হতে পারে না। এমন বিভাজিত হতে না পারা কোষগুলো দেহকে বার্ধক্য বা জৈবিক বার্ধক্যের অবস্থায় প্রবেশ করায়। একই সঙ্গে অকার্যকর এই কোষগুলো তাদের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে প্রদাহজনক কিছু পদার্থ নিঃসরণ করে। ওই উপাদানগুলো পাশের সুস্থ এবং সক্ষম কোষগুলোর ক্ষতি করে। এতে বাড়তে থাকে টিস্যু ক্ষয় এবং বয়স-সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকার রোগ।
জেনেটিক্স এবং পরিবেশ
জেনেটিক কারণগুলো আমাদের বয়সের হার নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে জেনেটিকের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত প্রভাবগুলোও উপেক্ষা করা যায় না। আমাদের জিন এবং পরিবেশের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া আমাদের বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে একটি আকার দেয়। যেমন আমাদের লাইফস্টাইল, বিভিন্ন পছন্দের ধরন, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, বিভিন্ন প্রকার বিষাক্ত কেমিক্যালের সংস্পর্শ এবং দৈনন্দিন বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপের মাত্রা, আমাদের দেহের ওপর বিভিন্ন ধরনের প্রভাব ফেলার মাধ্যমে বয়সকে যেন দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
বার্ধক্যে শরীরের কী হয়
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন শারীরিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন হয় আমাদের। এই পরিবর্তনগুলোই সম্মিলিতভাবে বার্ধক্যের শারীরিক অবনতির দিকে নিয়ে যায়। যেমন :
ক্স কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হৃদযন্ত্র এবং রক্তনালীগুলো কম কার্যকরী হয়ে ওঠে। ধমনী শক্ত হয়ে যায়। ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। এমন পরিবর্তন ধীরে ধীরে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
ক্স মাস্কুলোস্কেলিটাল সিস্টেম : সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের হাড়গুলো তার ঘনত্ব এবং শক্তি হারায়। এমন অবস্থা হাড়গুলোর ফ্র্যাকচারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। সময়ে পেশিগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। এমন অবস্থার ফলাফল হিসেবে শরীরের বিভিন্ন অংশের গতিশীলতা হ্রাস পায়। বাড়তে থাকে পতনের ঝুঁকি।
ক্স স্নায়ুতন্ত্র : বয়স হলে আমাদের মস্তিষ্কের কগনিটিভ পাওয়ার কমে যায়। স্মৃতি প্রক্রিয়াকরণের গতি এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা হ্রাস পায়। মস্তিষ্ক কিছুটা সংকুচিত হতে থাকে। নিউরনগুলোর ক্ষয় হয়। এমন পরিবর্তনগুলো আলঝেইমার রোগের মতো অবস্থার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ক্স ইমিউন সিস্টেম : বার্ধক্যে আমাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। শরীরকে সংক্রমণ এবং রোগের প্রতি আরো সংবেদনশীল করে তোলে। অটোইমিউন ডিসঅর্ডারের মতো সংরক্ষণগুলো বাড়তে থাকে। এই অটো ইউনিয়ন প্রসেস ইমিউন সিস্টেমের সুস্থ কোষকে আক্রমণ করে বসে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে এটি আরো নিত্য হয়ে ওঠে।
ক্স এন্ডোক্রাইন সিস্টেম : বয়স বাড়লে শরীরের ভেতর মিশ্রিত হওয়া বিভিন্ন ধরনের হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। যেমন সেক্স হরমোন (ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরন) এবং গ্রোথ হরমোনের উৎপাদন কমে যায়। এই হরমোনগুলো বিপাক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। এতে শরীরে শক্তির মাত্রা কমতে থাকে।
মৃত্যুর ভবিষ্যৎ
মৃত্যু হলো বার্ধক্য প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত গন্তব্য। তবে এটি শুধু শরীরের বৃদ্ধ হওয়ার ফলাফল নয়। বরং বার্ধক্য হলো সময়ে শরীরের সেলুলার ক্ষতি, জেনেটিক মিউটেশন এবং পদ্ধতিগত পতনের চূড়ান্ত পরিণতি। যদিও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি আমাদের আয়ু বৃদ্ধি করেছে, জীবনের মান উন্নত করেছে, কিন্তু বার্ধক্য এবং মৃত্যুর মৌলিক প্রক্রিয়াগুলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের কাছে এখনো অদম্য রয়ে গেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শরীর নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা বার্ধক্যজনিত প্রভাবগুলো বোঝার এবং সম্ভাব্যভাবে হ্রাস করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। যেমনটা বলা যায় – ইনসুলিন/ IGF-১ সিগন্যালিং পাথওয়ে এবং সেলুলার নিয়ন্ত্রণে জড়িত sirtuins-প্রোটিনের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা। আরো বলা যায়, রেপামাইসিন এবং মেটফর্মিনের মতো ফার্মাসিউটিক্যাল ওষুধগুলো বার্ধক্যকে ধীর করার এবং স্বাস্থ্যের সময়কে দীর্ঘায়িত করার সম্ভাবনার খোঁজ বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন।
বার্ধক্য নিয়ে মজার বিজ্ঞান
বার্ধক্য এক অনন্য যাত্রা। সময়ে প্রতিটি জীবন্ত প্রাণী এটি অতিক্রম করে অনিবার্যভাবে। অতিক্রম করতে হয় তাকে। বার্ধক্যবিজ্ঞান নিয়ে বিজ্ঞানীদের সর্বশেষ গবেষণা এবং মজার কিছু বিষয় এবার জেনে নিই।
১. দ্য হেইফ্লিক লিমিট : বিজ্ঞানী লিওনার্ড হেইফ্লিক আবিষ্কার করেন যে, মানুষের শরীরে কোষগুলো প্রায় ৫০ বার পর্যন্ত বিভক্ত হওয়ার পর বিভাজন বন্ধ করে দেয়। এই সীমাকে বলা হয় ‘হেইফ্লিক লিমিট’। ‘হেইফ্লিক লিমিট’ কোষের বার্ধক্যের একটি জৈবিক সীমানা নির্ধারণ করে।
২. ব্লু জোন রহস্য : বিশ্বের কিছু অঞ্চলে, যেমন : জাপানের ওকিনাওয়া এবং ইতালির সার্ডিনিয়া অঞ্চলের মানুষ অনেকদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এই অঞ্চলগুলোকে বলা হয় ব্লু জোনস। গবেষণা করে দেখা গেছে, এই ‘ব্লু জোনস’ অঞ্চলের লোকদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য, সক্রিয় জীবনযাত্রা এবং সামাজিক সংযোগ এমন দীর্ঘায়ুর কারণ।
৩. ক্যালোরি সীমাবদ্ধতা এবং জীবনকাল : গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্যালোরির সীমাবদ্ধতা আয়ুষ্কাল বাড়াতে পারে। এটি সেলুলার মেরামত এবং চাপ প্রতিরোধের পথগুলোকে সক্রিয় করার মধ্য দিয়ে আয়ু বৃদ্ধি করে।
৪. টেলোমারেজ – তারুণ্যের ফোয়ারা : পরীক্ষায় দেখা গেছে, টেলোমারেজ এনজাইম টেলোমেরেসের দৈর্ঘ্য বাড়াতে পারে। এমন বাড়লে কোষের বার্ধক্যকে ধীর করতে পারে। এই এনজাইমের ওপর গবেষণা অ্যান্টি-এজিং থেরাপির সম্ভাবনাকে ভবিষ্যতে উন্মুক্ত করে দিতে পারে।
৫. মাইটোকন্ড্রিয়ার ভূমিকা : মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদনের জন্য জরুরি। এর কার্যকারিতা হ্রাস বার্ধক্য এবং বয়স-সম্পর্কিত রোগের সঙ্গেও যুক্ত।
৬. এপিজেনেটিক পরিবর্তন : এপিজেনেটিক পরিবর্তন জিনের অভিব্যক্তি পরিবর্তিত করে। জেনেটিক এমন পরিবর্তন বার্ধক্য এবং বয়স-সম্পর্কিত রোগের সূত্রপাতে অবদান রাখে।
৭. সেনোলিটিক্স – বয়স্ক কোষ পরিষ্কার : সেনোলিটিক্স ওষুধগুলো সেন্সেন্ট কোষগুলো নির্মূল করে। এই কোষগুলোর অপসারণ বার্ধক্য এবং বয়স-সম্পর্কিত রোগের প্রক্রিয়াকে ধীর করে।
৮. বার্ধক্যের ওপর ঘুমের প্রভাব : মানসম্পন্ন ঘুম শরীরের মেরামত এবং মস্তিষ্ককে পরিষ্কারে সাহায্য করে। ফলে বার্ধক্য এবং মস্তিষ্কের কগনিটিভ পতন কমে যায়।
৯. হরমেসিস – উপকারী স্ট্রেস : হরমেসিস হলো শারীরবৃত্তীয় একটি ধারণা। এই প্রক্রিয়ায় শরীরকে হালকা চাপে রেখে শরীরের দীর্ঘায়ু ঘটানো হয়। যেমন বিরতিহীন উপবাস, ব্যায়াম এবং ঠান্ডা বা তাপের এক্সপোজার স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া পথগুলোকে সক্রিয় করে। ফলে সেলুলার মেরামতের প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাতে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
১০. ইমিউন সিস্টেম এবং বার্ধক্য : আমাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইমিউন সিস্টেম টি ইমিউনোসেনেসেন্স নামে একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। প্রক্রিয়াটি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়, দীর্ঘস্থায়ী রোগ এবং ক্যান্সারের জন্য শরীরকে অনেক বেশি সংবেদনশীল করে তোলে। ইমিউন ফাংশন বাড়ানোর কৌশল, যেমন টিকা, একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং নিয়মিত ব্যায়াম, বার্ধক্যে স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জীবনের সমাপ্তি
বার্ধক্য হলো একটি জটিল, বহুমুখী প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়াটি একই সঙ্গে আমাদের জীববিজ্ঞান, পরিবেশ এবং জীবনধারাকে একত্রিত করে। আমরা কখনোই সময়ের এই অগ্রযাত্রাকে সম্পূর্ণরূপে থামাতে পারি না।
আমরা যখন বার্ধক্যের রহস্যগুলো জানতে-বুঝতে থাকি, তখন একটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারি যে, জীবনের প্রতিটি স্তর, যৌবন থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত, তার নিজস্ব অনন্য সৌন্দর্য এবং তাৎপর্যকে ধারণ করে। বার্ধক্যবিজ্ঞানকে এমন অনুধাবন এবং অনুসন্ধান জীবন ও সময়ের মধ্যে জটিল নৃত্যকে উপলব্ধি করায় আমাদের। বার্ধক্যকে মেনে নেওয়া এবং বোঝার মাধ্যমে আমরা বেঁচে থাকার সার্থকতাকে অর্থবহ করে তুলি।
তথ্যসূত্র এবং আরো পড়তে চাইলে
1. Why Do We Age, and Can Anything Be Done to Stop or Slow it? – Healthline.
2. Born to Die : Why do Humans Get Old? – Science World.
3. Aging : What to expect – Mayo Clinic.
4. Why do we age? – National Geographic.
5. How do we age? – Max Planck Institute for Biology of Ageing.
6. Changes in the Body with Aging – Older People’s Health Issues – MSD.
7. The Aging Process : Signs, Effects, and What to Expect.
8. What Happens to our Bodies as we Age? – FutureLearn.
9. What’s happening in our bodies as we age? – The Conversation.


Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.