(শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের জন্য)
পড়ো,
কবিতা-কোলাজ।
বোধের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে রাত্রিদিন।
সুগন্ধী আঠাদের বন্ধনরীতি বহুমাত্রিক।
দৃশ্যেরা নগ্ন।
ধাতুগুচ্ছ নীরব আর কথা বলা অনন্ত তিমির।
শাদাকবিতা : সূর্যালোকেও কুয়াশা তোমার জানালায়,
লালের কোলাজ : অন্য এক আলোর খোঁজে ক’জন পড়ছে মাও সে তুং,
নীলকবিতা : বেদনাবাহিত ঝরনা।
পদাবলিপাড়ে আসে না সমদর্শিতা।
হাত কুড়ায় অপস্রিয়মাণের বর্ণনা।
হলুদকবিতা : অসুখের সামাজিকতা,
কোলাজের সবুজ : শিশুরা যাচ্ছে পাঠশালায়,
বহুবর্ণকবিতা : ক্ষয়িষ্ণু নগরে সাতটি ঘোড়া সাত রঙে দিগ্বিদিক দৌড়াচ্ছে।
মেঘের মৃত্যুর সাফল্যে ভিজছে দুটো তৃষিত হাত।
ঝরছে আকাঙ্ক্ষার অপরিশোধ্য ঋণ।
পড়ছি শীতের গদ্যকবিতা,
দূরত্বের স্বাধীন আখ্যান,
দায়িত্বের মৃত্যু।
সঙ্গ পেল না ভোরবেলার স্নান।
মৃত স্তনের কোলাজ-কবিতা : গলে পড়া বৃত্ত।
কবেকার স্মৃতি নদীজলে চন্দ্রপ্রভা।
এসো না-নেভা লণ্ঠন। আমাকে বিস্মিত করো।
সব আলোর বণ্টন অতৃপ্তির দাসদাসী।
চেয়ারকবিতা : কাজ অপমানিত, হাতলের বিশ্বাস ভাঙা;
বল্লমকোলাজ : এই চর চৌধুরী বাড়ির,
অষ্টভূজের কবিতা পরে খাকি পোশাকের ভাঁজ।
কবিতার ছায়া : পাশাপাশি হাঁটছে আশার রৌদ্র,
দূরের মায়া : ঘুমহীন বিলাসিতা।
সিঁড়ির কোলাজ-কবিতা : উঠছে নামছে ইঙ্গিত বলা পারদ।
শূন্যতার কবিতা : নিজেকে বিষণ্ন করে নীলিমায় নক্ষত্র আঁকা।
সহজ গল্পের কোলাজ-কবিতা কোথায়?
সুখী আর বিষণ্ন আঠাদের রংগুলি হয়তো সামাজিক।
কোলাজে যখন ঘুণ,
তুমি সত্য হারাও।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.