মফিদুল হক ‘ধরে’ নিয়ে যান ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে ১ এপ্রিল। ঢাকায় এই অনুষ্ঠানে সর্বদাই হাজির থাকি, অন্তত বৈকালিক আসরে গান শোনার লোভে। ফরিদপুর যাওয়ার আরেকটি আনুষঙ্গিক হেতুও অবশ্য ছিল। মকসুদুর রহমান হীরুর বাগান দেখা, যার কথা শুনেছি বৃক্ষপ্রেমিক স্থপতি মুশতাক কাদরীর কাছে। কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল তাঁকে খুঁজে পাব কি-না, কেননা তার ঠিকানা জানতাম না। কিন্তু আমার আশঙ্কাটি অমূলক প্রমাণিত হলো, হীরু সবারই চেনামানুষ, স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানস্থল জসীমউদ্দীন হলে এবং দেখা গেল তাঁর ‘বাগানবাড়ি’ নামের আস্তানাটি শহরের রিকশাচালকদেরও অচেনা নয়।
এই ধরনের বাগানকে পুঁথিগত সংজ্ঞার্থে শনাক্ত করা শক্ত, কেননা তা প্রচলিত বাগানের কোনো নকশাই মান্য করে না, গোটা বাড়িটাকেই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে এবং দালানকোঠা ও গাছগাছালি মিলেমিশে একটা যৌগ গড়ে তোলে। এমনটি দেখেছি বরিশালের ফকিরবাড়ি রোডের ডা. এম আহমদের বাড়িতেও। এই দুজনের আরেকটি মিলও আমাকে ভাবনায় ফেলে – তাঁরা বাণিজ্য-জাহাজে দীর্ঘকাল কাজ করছেন, পৃথিবীর বড় বড় বন্দরে নেমে সেইসব দেশের বহু বাগান ও পার্ক দেখেছেন এবং মহাসমুদ্রের অন্তহীন জলরাশি দেখে দেখে হয়ত এমন একটি আবাসের কল্পনা করেছেন যা পেশাদার উদ্যানীদের মনে কখনো ছায়া ফেলেনি। বরিশালের ডা. এম আহমদের বাগানটি আর নেই এবং হীরুভাইয়ের বাগানটি যে দূরভবিষ্যতেও টিকে থাকবে তেমন নিশ্চয়তা কোথায়? বাগান তো আর গ্রন্থসংগ্রহ নয় যে গণগ্রন্থাগারে দান করে দিয়ে রক্ষা করা যায়।
হীরুভাইয়ের বাগানে বৃক্ষ ও লতাগুল্মের সংখ্যা অনেক এবং সেগুলোর বেশ কয়েকটি আমার অচেনা। নীলঘণ্টা (Thunbergia erecta) প্রজাতির একটি সাদা রঙের ভ্যারাইটি দেখলাম, যা আমার সংগ্রহের কোনো বইতে নেই। ওখানকার একটি সাদা রঙ্গন, অনেকটা পলকজুঁই’র (Ixora undulata) মতো, কিন্তু ফুল আকারে বড় ও অধিক দৃষ্টিনন্দন। কলকাতার ন্যাশনাল বোটানিক গার্ডেনে সোনালি টেবে্যুইয়া (Tabebuia argentia) গাছের প্রস্ফুটন থেকে চোখ ফেরাতে পারিনি, সম্পূর্ণ নিষ্পত্র গাছ সোনালি ফুলে মোড়া – সে এক অপূর্ব দৃশ্য। ঢাকায় কীভাবে গাছটি আনা যায় তা নিয়ে অনেক ভেবেছি, দেখলাম এই বাগানে সেটিও আছে, নিয়মিত ফুল ফোটে, ফল ধরে। হীরুভাই চারা পাঠানোর আশ্বাস দিলে নিশ্চিত হলাম, পেলেই লাগান যাবে রমনা পার্ক, নটরডেম কলেজ এবং শিশু একাডেমীতে। ওখানকার নাগলিঙ্গম (Couroupita guianensis) গাছের ফুলগুলো গাঢ়-বেগুনি রঙের, অনেকটা বরিশালের ভ্যারাইটির মতো। এক সময়ে পারুলের (Stereospermum chelonoides) গাছের কথা উঠল। দুঃখের সঙ্গে জানাতে হলো বঙ্গে পারুল নেই, যদিও গানে-কবিতায় যথেষ্টই আছে। কিছুদিন আগে ড. নওয়াজেশ আহমদ শান্তিনিকেতন গিয়েছিলেন। তিনি বৃক্ষপ্রেমিক, ক্যামেরাবন্দি করার জন্য দুর্লভ বৃক্ষরাজি খোঁজেন। আমাকে জানিয়েছেন শান্তিনিকেতনে একটি পারুল আছে, তবে তেমন বাড়বাড়ন্ত নেই। ডা. এম আহমেদ যতদিন দৃষ্টিশক্তি হারাননি ততদিনই গাছপালা লাগিয়েছেন। হিরুভাই এখনো সুস্থ ও কর্মক্ষম, বৃক্ষরোপণে নিরুদ্যম নন মোটেও, নইলে এতটা আগ্রহসহকারে পারুলের খোঁজ নিতেন না। আমি জানি তিনি কলকাতা গেলেই বিভিন্ন নার্সারিতে পারুল খুঁজবেন, তাই তাকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছি, কলকাতায় পারুল জাতীয় একটি গাছ বালিগঞ্জে প্রায়ই চোখে পড়ে, ওটি Stereospermum kunthianum, ফুল বেগুনি ও গন্ধহীন, পারুলের ফুল লাল-তামাটে, অত্যন্ত সুগন্ধি।
সাভারের পরমাণুশক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ড. আল-সিদ্দিক সেখানে নিয়ে গেলেন ৬ এপ্রিল একটি সেমিনারে। আমার কাছে সেমিনার ছাড়াও অধিকতর আকর্ষণীয় ছিল সেখানকার বৃক্ষশোভা দেখা, যার বর্ণনা শুনেছি সিদ্দিক সাহেবের কাছে অনেকবার। আমি অবশ্য এ-ব্যাপারে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলাম, কেননা যেখানেই কোনো শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যাই সেখানেই দেখি মেহগিনি ও আক্যাশিয়ার মতো দারুবৃক্ষের প্রাধান্য। অনুমান করি, অচিরেই এতে যুক্ত হবে নিম ও অন্যান্য ভেষজ গাছগাছালি, কেননা সরকার থেকে এজন্যে ইদানীং জোর প্রচার চলছে। জীববৈচিত্র্য, জীবনন্দনতত্ত্ব আজো কথামাত্র, কোথাও কোনো প্রয়োগ নেই। শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অবশ্যই দারুবৃক্ষ, ভেষজবৃক্ষ, ফলবৃক্ষ সবই লাগান যায়, তবে তা অর্থকরী বিবেচনা থেকে নয়, সৌন্দর্যের, শিক্ষার অনুষঙ্গ হিসেবে, কেননা ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ হলো সেখানকার দালানকোঠাসহ গোটা নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ঐক্যতানের একাংশ, এখানে অর্থোপার্জনের বিষয়ী বিবেচনার কোনোই অবকাশ নেই। এই অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আমাদের দেশে যখন অবহেলিত দেখি তখন গভীর দুঃখ অনুভব করি, কারণ এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেই বিদেশে উচ্চশিক্ষা পেয়েছেন এবং সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর অপূর্ব সুন্দর চত্বরে দীর্ঘকাল বসবাস করেছেন।
পরমাণুশক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই প্রথম আসা। ক্যাম্পাস এতটাই বিশাল যে, মনে হয় কোথাও যেন-বা দিগন্ত ছুঁয়ে আছে। অঙ্কের হিসাবে অবশ্য ২৬২ একর। সিংহভাগ এখনো অনাবাদি, ছনঘাস ও ঝোপঝাড়ে ভরা। দেখলাম একটি ট্রাকে ছন বোঝাই হচ্ছে, শুনলাম প্রতি মৌসুমে অনেক টাকা আয়, কিন্তু গাছপালা লাগানোর বাজেট নাকি নামিক। পরিচয় হলো ড. জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে, কাজ করেন রেডিও আইসোটপ উৎপাদন বিভাগে, যিনি এখানকার এই বৃক্ষশোভার স্থপতি। দালানকোঠার চারপাশ ঘিরে অনেকটা জায়গা জুড়ে নানাজাতের গাছপালা, প্রায় সবই বৃক্ষ, লতাগুল্ম খুবই কম, কারণ ছনঘাসের আক্রমণ থেকে এইসব কোমল প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রাখার মতো প্রয়োজনীয় জনশক্তি ও অর্থ কোনোটাই তাদের নেই। একজন মাত্র মালি আছে, বাকিরা অনিয়মিত রোজ-কামলা। সব শুনে ও দেখে মনে হলো ড. আবেদিন অসাধ্য সাধন করেছেন। আমার আশঙ্কা অমূলক প্রমাণিত হওয়ায় খুশি হলাম।
ড. আবেদিন রাশিয়ায় পড়াশোনা করেছেন, সোচির অনুপম সমুদ্রসৈকতে ছুটি কাটিয়েছেন, সেখানে দেখা বৃক্ষসংগ্রহের স্মৃতি মনে রেখে তার এই বৃক্ষভাণ্ডারের নাম দিয়েছেন উবহফৎধৎরঁস, ইউরোপের সুপরিচিত পরিভাষা, কিন্তু আমাদের অভিধানে শব্দটি নেই। অগত্যা ডেন্ড্রারিয়াম বাংলায় চালু হলে কোনো ক্ষতি দেখি না, তবে বৃক্ষশালাও বলা যেতে পারে। অদ্যাবধি এই ভাণ্ডারে আছে ২২৩ প্রজাতি এবং সেই সঙ্গে আরো ১২টি, যেগুলোর সঠিক শনাক্তি আজো সম্ভব হয়নি। ঘুরে ঘুরে দেখলাম বাংলাদেশের পালিত বৃক্ষ অনেকগুলোই আছে, আছে কিছু দেশী বনজ ও বিদেশী গাছ আর শেষোক্তগুলো এই বৃক্ষভাণ্ডারি এনেছেন চীন, জাপান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারত থেকে সিম্পজিয়াম সেমিনারের ফাঁকফোকরে। অবাক হয়ে ভাবি, এই যন্ত্রকুশলী কীভাবে এমন উৎসর্গিত বৃক্ষপ্রেমিক হলেন। এক পর্যায়ে সবই জানা গেল। রেডিও আইসোটপ পরীক্ষার জন্যে ব্যবহৃত জীবজন্তুর বাসগৃহের চারপাশে কিছু গাছপালা লাগানো হয় ১৯৮৯ সালে। এ থেকেই শুরু। ক্রমে নেশা ধরল, কিনলেন বইপত্র। গাছ লাগানোর প্রচলিত মনোকালচার ও আর্থ-বিবেচনার রেওয়াজ ভেঙে গড়ে তুললেন বিবিধ প্রজাতির এই বৃক্ষভাণ্ডার – ডেন্ড্রারিয়াম। অনিবার্য বাধা এসেছে, বিরূপ সমালোচনা শুনতে হয়েছে, আপসে বাধ্য হয়ে লাগিয়েছেন বিঘাখানেক মেহগিনির বন। মনে পড়ল, একবার দুঃখ করে লিখেছিলাম, মেহগিনিপ্রেমে প্লাবিত বাংলাদেশে এই প্রজাতিতে কোনো সময় মড়ক লাগলে গোটা দেশ বৃক্ষহীন হবে।
পরমাণুশক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এই বৃক্ষভাণ্ডারে, আগেই লিখেছি, দেশ-বিদেশের অনেকগুলো প্রজাতিই আছে, যার সম্পূর্ণ তালিকা যে-কোনো পত্রিকার জন্যেই অত্যন্ত দীর্ঘ হবে, তাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতিগুলোই উল্লিখিত হলো।
পেস্তা-বাদাম (Pistacia vera), ভেলা (Semecarpus anacardium), বুলগজারি (Miliusa velutina), খিরনি (Oxystelma esculentum), ধরমার (Stereospermum personatum), ছোট ছাতিম (Alstonia macrophylla), ইন্ডিয়ান বিন (Catalpa bignonoides), পঞ্চপত্রী টেবেব্যুইয়া (Tabebuia pentaphylla), ত্রিপত্রী টেবেব্যুইয়া, (T. triphylla), গুলগুল (Cochlospermum religiosum), বাওবাব (Adansonia digitata), স্কারলেট কর্ডিয়া (Cordia sebestana), ব্যুশি ক্যাশিয়া (Cassia biflora), রক্তন (Adenanthera pavonina), ছাগলনাদি (Sphaeranthus indicus), তমাল (Diospyrus cordifolia), গাবগুলাল (Diospyrus toposia), লটকা (Baccaurea sapida), লটকন (Bixa orellana), কাইঞ্জাল (Bischofia javanica), সিঁদুরবীজ (Mallotus phillippinensis), খইগাছ (Bridelia tomentosa), আখরোট (Aleurites molluccana), ওক/বাটনা (Quercus spicata), পানিয়ালা / লুকলুকি (Flacurtia jangomus), নাগেশ্বর (Mesua nagassarium), পুন্নাগ/সুলতানচাঁপা (Calophyllum inophyllum), অ্যাভোকাডো (Persea americana), কর্পুর (Cinnamomum camphora), লবঙ্গ (Eugenia caryophyllus), কুকুরচিতা (Litsea glutinosa), নাগলিঙ্গম (Couropita guianensis), গুস্তাভিয়া (Gustavia augusta), লোকাস্ট ট্রি / মক্কা-তেঁতুল (Ceratonia siliqua), কুচিলা (Strichnos nxvuomica), পরশপিপুল (Hibiscus populnea), খয়ের (Acacia catechu), চাকুয়া কড়ই (Albi“ia chinensis), লোহাকাঠ (Xylia dolabiformis), চাপলিশ/চাম (Artocarpus chama), ব্রেডফ্রুট (Artocarpus communis), যজ্ঞডুমুর (Ficus glaberrima), পান্থপাদপ (Revenala madagascariensis), কনকচাঁপা / রামধনচাঁপা (Ochna squarrosa), হলুদ মাদার (Erythrina parcellii), পারিজাত মাদার (E. blakei), মিলেসিয়া (Milletia ovalifolia), গ্লিরিসিডিয়া (Gliricidia sepium), ফ্লোরিডা পাইন (Pinus caribaea), সিলভার ওক (Pinus caribaea), লকেট ফুল (Eriobotrya Japonica), নাসপাতি (Pyrus communis), ভুতুম (Hymenodictyon excelsum), বড় গন্ধরাজ (Gardenia resinifera), বাজনা / বাজরাং (Zanthoxylum rhetsa), শ্বেতচন্দন (Santalinum album), আঁশফল (Euphoria longan), রামবুটান (Nephelium lappaceum), রিঠা (Sapindus mukorossi), স্টার-আপেল (Chrysophyllum cainito), পাখিফুল (Chrysophyllum cainito), ভেনেজুয়েলার গোলাপ (B. grandiceps), বুরা (Macaranga denticulata), প্যাওলোনিয়া (Paulownia fortunei), বুদ্ধ-নারিকেল (Pterigota alata), আছর/বনআসর (Pterospermum semis agittatum), জংলি বাদাম (Sterculia foetida), উদাল (S. villosa), আগর/অগরু (Aquillaria malaccensis), চীনা-চেরি (Muntinga calabura), হরিণা (Vitex peduncularis), নিশিন্দা (Vitex negundo)। তাছাড়া বট ও বুনো জামের অনেকগুলো প্রজাতি আছে যেগুলোর অর্ধেকটিই আমি শনাক্ত করতে পারিনি। একটি পপলারও আছে, সম্ভবত Populus nigra| যেসব প্রজাতি এখনো অচেনা রয়ে গেছে সেগুলো শনাক্তির জন্যে ড. আবেদিন বাংলাদেশ জাতীয় হার্বেরিয়াম ও জাতীয় বোটানিক গার্ডেনের বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিতে পারেন। আমাদের হার্বেরিয়ামের প্রাক্তন কর্মকর্তা, Plant Names of Bangladesh বইয়ের লেখক এ এম হক বর্তমানে আমেরিকায় কর্মরত, শুনেছি বছরে একবার দেশে ফেরেন, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে কাজটি আরো সহজ হতে পারে।
মধ্যাহ্নভোজ ও ড. আল-সিদ্দিকের সেমিনারশেষে আমরা যখন বাইরে এলাম তখন চৈত্রের মেঘলা-অপরাহ্ণে গোটা এলাকায় আগেভাগেই অন্ধকার নামতে শুরু করেছে। আল-সিদ্দিক অনেকটা দূরের একটি বনের দিকে আঙুল উঁচিয়ে বললেন – ‘রাবার প্লান্টেশন, বনবিভাগকে তাক লাগিয়ে এই লালমাটির অঞ্চলে আমরাই প্রথম এমন একটি কাজে সফল হয়েছি।’
‘কিন্তু রাবার কেন?’
‘রাবার আমাদের গবেষণায় লাগে।’
‘কিন্তু এই মেহগিনি আবাদ?’
আল-সিদ্দিক কিংবা জয়নুল আবেদিন কোনো জবাব দেন না। ড. সিদ্দিক অবসর নেওয়ার পরও তার রাবার-বাগান টিকে আছে, কিন্তু ড. আবেদিন এখান থেকে চলে যাওয়ার পরও কি তার সাধের ডেনড্রারিয়াম এই পাঁচমিশালি গাছের বাগানটি টিকে থাকবে?
নিশ্চিত হতে পারি না। আমার অতীত-অভিজ্ঞতাগুলো কেবলই বাধ সাধে। একমাত্র বলধা বাগান ছাড়া শিক্ষা-সৌন্দর্যমূলক আর
কোনো বাগানই তো আমাদের দেশে নির্বিশেষ বিলুপ্তির নিয়তি
এড়াতে পারেনি।


Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.