সম্পাদক সমীপেষু

ক্যানো যে কবিতা লিখি বলতে পারি না।

আমি তো তেমন কোনো অমিতাভ স্বপ্নের পশারি নই

যে ভ্রাম্যমাণ চিন্তনের শব্দযূথ রচনায় অবিরাম

হৃদয় দোলাবো সকলের। আর সুন্দরের অক্লান্ত চর্চায়

রচিত চিত্রাবলি ঋদ্ধ করবে চিত্তের বায়বীয় আহার।

বাহবা হয়তো দেবে তীক্ষèবাক পণ্ডিতের চুলচেরা কথন।

তেমন কিছুই নই। তবে ক্যানো এইসব মর্মচেরা গূঢ়

কাতরতা আমাকে তাড়ায় আজো যেমনটি ঘটেছিলো

উত্তীর্ণ কৈশোরে। সুন্দরের সহবাসে তখনো সন্ত্রাস ছিলো

নিদারুণ। আজ দিন অতিবাহনেও সেই পুরনো সন্ত্রাস

মুখব্যাদান করে দাঁড়ায় সম্মুখে।

সত্য এসে মাঝপথে রুখে দিয়েছিলো বাচালতা

প্রগাঢ় চল্লিশে। আজ প্রৌঢ় প্রহরে কেমন বেফাঁস

প্রেম সর্ব অঙ্গে লোটে ভারাক্রান্ত দুঃস্বপ্নের মতো।

চারদিকে অবর্ণনীয় বেশকিছু মানুষেরা ঘোরে ফেরে

ক্ষমতার কুক্ষিগত অলিন্দে চত্বরে। এইসব দ্বিপদেরা

বড়বেশি প্রকরণবাদী হয়। বেশ নিরাপদ

আস্তরণে ঢেকে রাখে নিজেদের নিষিদ্ধ বিকারসমূহ।

আমাদের আপাতত বেঁচে থাকা দায়। তবু বেঁচে থাকি আজো

একারণে যে মাঝে মাঝে দেখা হয়ে যায় আত্মার স্বজনদের সাথে

সুনীলদার সঙ্গে যেমন মেদেলীনে নুটিবারা পাহাড়ের পাশে

বোতেরোর চিত্রকর্ম আর ভাস্কর্যের পশু আর মানুষের

মানব আর মানবীর সম্পর্কের আরেক সন্ত্রাসে।

ফিরে এসে এই বাংলায় দিঘির শোকার্ত জলে

øান সেরে কী করে যে ভুলে যাই তোমার মুগ্ধ মুখ

হে আমার প্রেম। ক্রিস্তিনা, তুমি এসে চলে গেলে বলে

মৃত্যুর মতো বদ্ধপরিকর ভবিতব্য ঘোরে চারদিকে।

পূর্বাপর বদনাম রটে। আজকাল স¥ৃতিটাও হন্তারক বটে।

Published :


Comments

Leave a Reply