এই শহরে এখন সময় স্থির নয়,
একটি ঝুলন্ত ঘড়ির কাঁটার মতো
যার মুখ ভেঙে গেছে শার্পনেলের ছোঁয়ায়।
গণকেরা বাতাসে খোঁজে জীবনের রেখা –
একটি জুতো, অর্ধেক পোড়া পুতুল,
দেওয়ালে আটকে থাকা হাতের ছায়া।
তবু হঠাৎ, মধ্যরাতে জেগে ওঠে
কঙ্কালের মতো দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাড়ি;
তার কোনো জানালা নেই, তবু ভিতরে জ্বলে
একটি মোমবাতির নিঃশব্দ শিখা –
যেন কেউ এখনো অপেক্ষা করে
কারো ফিরে আসার।
সময় গড়ায়, কিন্তু এখানে ইতিহাস স্তব্ধ।
শুধু একগুচ্ছ নীল কবুতর উড়ে যায়
একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত মিনারের চারদিকে,
যেন তারা এখনো বিশ্বাস করে –
আকাশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.