June 2019
-
বেহুলা বাংলা-১
তানভীর মোকাম্মেল আমাদের আজন্ম ব্যর্থতার দায়ভার মায়ের মতো রাখো আঁচলে নিভৃতে গোন দিন কেরানি গিন্নিসম সন্তানেরা হবে সফল ফলাবে ফসল কালজয়ী মাঠে ও শয্যায়; মৃতপ্রায় পাবে ফের সৃজনের ঘ্রাণ নদীর বালুচরে উঠবে হেসে স্বর্ণলতা ধান উষার জাগরণে বাতাসে আসবে ভেসে বাংলার পাখিদের অলৌকিক গান; আর দিনান্তে মেঘবতী গোধূলিবেলায় পশ্চিম আকাশ …
-
চোখ
বিমল গুহ আগুন দগ্ধ করে – পৃথিবীর যাবতীয় ঘাম শুষ্ককাঠ মরাদেহ বস্ত্তব্যাধি জটিল হৃদয় শীর্ণকায় ছায়াপথ বইপত্র পুরানো ঠিকানা। মানুষের সম্বন্ধ সুখ্যাতি লোভ হিংসা ভয় আগুনে পোড়ে না! উড়োমেঘ ছায়া ফেলে মানুষের চোখে দিনভর, এই চোখ – দেখে দগ্ধ পৃথিবীর রূপ পূর্বাপর দেখে নীলছায়া দেখে যাপিত জীবন মানুষের।…
-
সময়ের কাছে নতজানু যত মেধা
সময়ের কাছে নতজানু হয় মেধা আলোকের মাঝে তীব্র অন্ধকার মেঘ নয় তবে মেঘের উপমা যত তত ঢেলে দেয় শুভ্র চাদরে কালি উজানের সাথে দূরপালস্নার ঢেউ সংক্ষুব্ধ শরীরের কোষগুলো অনতিক্রান্ত বৃত্তের ঘুরপাকে মেধা ও মনন পাশ ফিরে শুয়ে থাকে সময়ের কাছে নতজানু যত মেধা পরিপূরকের বিপরীতে হয় নীল একজীবনের হালখাতা খুলে দেখে দ্বৈরথে শুধু চিৎকার-চেঁচামেচি।
-
রীনা ভিলা
[আবদুলস্নাহ আবু সায়ীদ শ্রদ্ধাভাজনেষু] মাকিদ হায়দার অনেক কিছু বদলে ফেলি মাঝে, মাঝে নিজ আবরণ। ভীষণ রকম ভয়ে থাকি, এই বুঝি কেউ বলবে এসে : লাগছে ভীষণ চেনা চেনা, কাল দুপুরে দেখেছিলাম রীনা ভিলায় সামনে ছিলেন কাল সারাদিন। সেদিন থেকেই অনেক কিছু বদলে ফেলি। মাঝে মাঝে নাম ঠিকানা, পিতার দেয়া…
-
চৈত্রে যখন বৃষ্টি ঝরে
আসাদ মান্নান আলো মুখে তার যাত্রা; গোল চাকতির অর্ধাংশে ঘুরতে ঘুরতে দিবসের শেষ হাসি চোখের নিমিষে মহাশূন্যতার গহন অতলে কী নিঃশব্দে নেমে যায়! এমন অপূর্ব সন্ধ্যা যেন বুকে নিয়ে বহে যায় আমাদের নদীগুলো। আকাশের ছায়া থেকে তারপর নিবিড় রাত্রির আঁচল জড়িয়ে গায়ে হাওয়ার ডানায় চড়ে বৃষ্টি নামে; সীমাহীন দিগন্তের বাঁকে অগণিত শাস্তির বেলুন ওড়ে প্রতিটি…
-
শুভেন্দু শোনো
অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত জীবনানন্দ সভাঘরে তোমায় ডেকেছি সমাদরে তারপর ভিড় হতেই দুজন বসেছি বারান্দায় শুভেন্দু শোনো, এছাড়া আর আমাদের কোনো তীর্থ নেই।






