আজ দুপুরে ঢাকার এক বন্ধু জানালেন হুমায়ুন আজাদ আর এই পৃথিবীতে নেই। বিদেশের একটি অ্যাপার্টমেন্টে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। খবরটি শোনার পর অনেকক্ষণ
স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। গত একুশের মেলায় তাঁর ওপর আঘাতের কথা শুনে আমরা কলকাতায় প্রতিবাদ করেছিলাম। বিদেশ থেকে চিকিৎসা করিয়ে এসেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি। তাঁর কী অপরাধ ছিল? তিনি যা বিশ্বাস করতেন তাই লিখতেন। দেখে যে-যন্ত্রণা পেতেন তা-ই কলমে ফুটিয়ে তুলতেন। তাঁর কথায়, ‘হয়তো অন্য কিছু লিখতাম, উপন্যাস বা প্রেমের কবিতা বা প্রবন্ধ, এটি লেখার কথা মনে আসতো না!’ কী লিখেছিলেন তিনি? তাঁরই লেখায়, ‘পাকিস্তান চাইনি বলে আমরা আমাদের একটি দেশ চেয়েছিলাম, যা আমাদের আপন, যার মাটি নদী আকাশ গ্রাম নগর ধানখেত খালবিল কাঁঠালপাতা আমাদের, যা স্বাধীন, যাকে আমরা সৃষ্টি করে নেবো আমাদের শ্রেষ্ঠ বিকাশের জন্যে, আমাদের কল্যাণের জন্যে।’ ওঁর অভিজ্ঞতার সঙ্গে একমত নাও হতে পারেন অনেকে, কিন্তু ওঁর দুঃখ, অভিমানকে নস্যাৎ করতে কি কেউ পারবেন? স্বাধীন দেশের একজন লেখক স্বাধীনভাবে লিখতে চেয়েছিলেন। মনে হচ্ছে শেষ পর্যন্ত পারলেন না। খুব সামান্য একজন লেখক হিসেবে আমি ওঁকে শহীদ-লেখক ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারছি না।
আজ বারংবার মনে পড়ছে তাঁর অভিমানী লাইনগুলো। গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোর মতো সেই লাইনগুলোর কয়েকটি কেবলই আওড়াই! –
‘যখন আমরা বসি মুখোমুখি, আমাদের দশটি আঙ্গুল হৃদপিণ্ডের মত
কাঁপতে থাকে
দশটি আঙ্গুলে, আমাদের ঠোঁটের গোলাপ ভিজে ওঠে
আরক্ত শিশিরে,
যখন আমরা আশ্চর্য আগুনে জ্বলি, যখন আমরাই আমাদের
স্বাধীন স্বদেশ,
তখন ভুলেও কখনও আমাকে তুমি বাংলাদেশের কথা জিজ্ঞেস করো না;
আমি তা মুহূর্তও সহ্য করতে পারি না, তার অনেক কারণ রয়েছে।’
আমরা বিশ্বাস করি এই শহীদ-লেখকের আত্মাকে শান্তি দেবেন বাংলাদেশের আগামী প্রজন্ম। কারণ তিনিই তো বলে গেছেন, ‘আমরা গোলামের সন্তান থাকতে চাইনি, দাস থাকতে চাইনি বলেই সৃষ্টি করেছিলাম বাংলাদেশ।’
দুই
সাতচল্লিশের আগস্ট মাস বাঙালির কি ক্ষতি করেছিল অথবা করেনি – এই নিয়ে তেমন কথাবার্তা আজকাল হয় না। সাতচল্লিশ থেকে একাত্তর পূর্ব পাকিস্তানের সাইনবোর্ড বহন করতে হয়েছিল যাঁদের, তাঁরা যে খুশি ছিলেন না তা স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবেই পরিষ্কার। ওই সময়টায় ভারতবর্ষের প্রান্তিক রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মানুষও আনন্দিত ছিল না। না, কোনো সাইনবোর্ড তাদের ওপর চাপানো হয়নি, কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের শাসকদের ওপর ভরসা-হারানো শরণার্থীদের যে-ঢল নেমেছিল তার চাপে বাঙালির অর্থনৈতিক অবস্থা বেসামাল হয়ে গিয়েছিল। এই
সমস্যা বিহার, উত্তর প্রদেশ বা তামিলনাডু অথবা কেরালার মানুষদের বিচলিত করেনি।
একাত্তরের পর স্বাধীন বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করল। ব্রিটিশরা ভারত-পাকিস্তানকে দয়া করে অথবা আর না-পেরে স্বাধীনতা দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে রক্তপাতের পর। মুক্তিযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের আত্মত্যাগের ফলে তারা স্বাধীনতার নিশ্বাস নিতে পেরেছে। মায়ের শরীর থেকে রক্ত না ঝরলে শিশুর জন্ম হয় না। বাংলাদেশের মানুষ সেই গৌরব অর্জন করেছে। পশ্চিমবাংলার মানুষের শরীর থেকে একফোঁটা রক্ত বের হয়নি। ক্ষুদিরাম, বাঘা যতীন, বিনয়, বাদল, দিনেশ প্রাণ দিয়েছিলেন যে-স্বাধীনতার জন্যে তাতে যোগ দেয়নি নিরানব্বই ভাগ মানুষ। ফলে ভারতবর্ষ বলে যে-রাষ্ট্র সাতচল্লিশের আগস্টে তৈরি হলো তা বেশির ভাগ মানুষকে আন্দোলিত করেনি। এখনও আমরা বাঙালি, পাঞ্জাবি, তামিল ইত্যাদি বলে নিজেদের পরিচয় দিই। ভারতীয় বলে কজন ভাবি, তা নিয়ে তল্লাশি করতে গেলে দুঃখিত হতে হবে। নিউইয়র্কের কেনেডি এয়ারপোর্টে একটি পশ্চিমবঙ্গীয় সন্তানকে ইমিগ্রেশনের কর্মী যখন প্রশ্ন করেছিল, ‘তুমি কোত্থেকে আসছ?’ তখন সে জবাব দিয়েছিল, ‘ক্যালকাটা।’
‘কোন দেশ?’
‘ওয়েস্ট বেঙ্গল।’
‘কিন্তু তোমার তো ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট! ওয়েস্ট বেঙ্গলের তো নয়।’
তখন বঙ্গসন্তানের খেয়াল হলো, ‘ওহো, নো নো। ইন্ডিয়া। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইজ এ পার্ট অফ ইন্ডিয়া।’
অর্থাৎ আমি ভারতীয়, এই ভাবনা বেশির ভাগ পশ্চিমবঙ্গের মানুষের নেই। শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্র একই অবস্থা। একজন পাঞ্জাবি বা তামিলের ভাষা, সংস্কৃতি, খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে বাঙালির কোনো মিল নেই। অথচ যাদের সঙ্গে প্রায় আশিভাগ মিল তাঁরা আছেন
সীমান্তের ওপারে।
সবিনয়ে বলি, লক্ষ করুন, আমি আশিভাগ মিলের কথা বললাম, কুড়িভাগের অমিলটা তাহলে কোথায়? একদা পশ্চিমবঙ্গবাসী বাঙালিদের মধ্যে একই ভাষা, সাহিত্য, জন্মমাটি হওয়া সত্ত্বেও বিস্তর পার্থক্য ছিল। একজন শাক্ত বাঙালি আরেকজন বৈষ্ণব বাঙালির প্রায় বিপরীত জীবনযাপন করতেন। একজন ব্রাহ্ম বাঙালি বিদ্রোহী সামাজিক ভাবনার সঙ্গে মিল ছিল না অন্যদের। ধর্মীয় কারণে যে-বিভাজন, তা মেনে নিতেই হয়। কিন্তু ঢাকার বেলাল বা চট্টগ্রামের আলতাফ যখন রবীন্দ্রনাথের ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’ পূর্ণআবেগে গান, তখন আমার সঙ্গে তাঁদের বিন্দুমাত্র পার্থক্য থাকে না। ধর্ম আমাকে আশ্বাস দেয়নি, ধর্মের কাছে আমি অন্ধবশ্যতা স্বীকার করিনি। যাঁরা করেন তাঁরা ভালো মনে করেন বলেই করে থাকেন, তাঁদের সমালোচনা করার কোনো অধিকার আমার নেই, কিন্তু যার যে ধর্ম থাক বা না থাক, রবীন্দ্রনাথের গানে যখন আমরা একাত্ম হয়ে যাই, আমাদের আত্মা আনন্দিত হয়, তখন ওই কুড়িভাগ পার্থক্যটা চোখে পড়ে না, বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। এই একাত্মতা কোনো কর্ণাটকি বা মারাঠির সঙ্গে কখনও হবে না, আমরা ভারতবর্ষের মানুষ বলেও নয়। রবীন্দ্রনাথকে এই এক জায়গায় অস্বীকার করেছে নিষ্ঠুর বাস্তব। হেথায় সবারে হবে মিলিবারে বাস্তবে হয়নি।
বিভাজন তো আমাদের মধ্যেও ছিল, আছে। মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, মালদা, কুচবিহারের মানুষ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি, কিন্তু তাঁদের কথ্যভাষা আলাদা। চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ, শ্রীহট্টের মানুষ বাংলাভাষায় লেখেন, কিন্তু বলেন নিজেদের মাটির ভাষা। অনেককে প্রশ্ন করে জেনেছি, একজন সিলেটি প্রবাসে গিয়ে তাঁর মাকে সিলেটি ভাষায় চিঠি লেখেন না, লেখেন বইয়ের ভাষায়। কেন? বাংলা অক্ষরে তাঁর ভাষার শব্দগুলো যদি একেবারে সঠিক নাও লেখা যেত, তাতে কী এমন ক্ষতি হতো? উত্তর পেয়েছি, সিলেটি যদি মাতৃভাষা হয় তাহলে বাংলা পিতৃভাষা। এর প্রতি যেমন টান ওর প্রতিও। এ-নিয়ে তর্ক তোলা যায়। যে-সিলেটির কোনোদিন অক্ষর চেনার সুযোগ হয়নি, সে কী করে বাংলাভাষা ব্যবহার করবে? অস্তিত্বরক্ষার ভাষা যে জন্মাবার পর শুনে শুনে শিখেছে, কিন্তু যতক্ষণ প্রয়োজন হচ্ছে না ততক্ষণ বর্ণপরিচয়ের দরকার হচ্ছে না তার। একই কথা প্রযোজ্য মেদিনীপুর বা মালদার বাঙালির ক্ষেত্রে। কিন্তু শুধুই কি প্রয়োজনের জন্যে বাংলা অক্ষর চিনতে হয়? আমি একজন সিলেটি ভদ্রলোককে চিনি যিনি মাতৃভাষা ছাড়া কথা বলতে পারেন না, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ‘এ পরবাসে’ গানটি শুনতে শুনতে তাঁর দুচোখ জলে ভিজে যায়। ওটা তাহলে হয় কেন? কী প্রয়োজনে? হিন্দি বা ইংরেজি গান, যা তিনি বোঝেন, শুনে হয় না তো। এই হলো পরম পাওয়া। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল এমন দুই সেতু, যা আমাদের একত্রিত করেছে। রাজনৈতিক বিভাজন সত্য, তা মেনে নিতেই হবে। পাসপোর্ট-ভিসা অতি বাস্তব ব্যাপার, অস্বীকার করা বোকামি। একজন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক, আর একজনও সার্বভৌম রাষ্ট্রের একটি রাজ্যবাসী। কিন্তু শরৎচন্দ্র, তারাশঙ্কর, বিভূতিভূষণ আর সালাম-বরকতের দানে সমৃদ্ধ একটি ভাষার শরিক।
হ্যাঁ, আশিভাগ মিল থাকা সত্ত্বেও যে কুড়িভাগের অস্তিত্ব আছে সেটা কি কখনও কখনও অস্বস্তির কারণ হয় না? আমার একটি বদ দোষ আছে। জন্মসূত্রে পাওয়া মুসলমান বন্ধুদের নাম আমি কিছুতেই মনে রাখতে পারি না। হুমায়ূন, মাজহার, আলতাফ, ইমদাদুল ইত্যাদি নাম রক্তে মিশে গেছে বলে অসুবিধে হয় না। কিন্তু মূল ভাষা জানা না থাকায় অনেক নাম নিয়ে ফাঁপড়ে পড়তে হয়। যেমন, আনিসুজ্জামান নামটির জায়গায় আনিসদা বলে ডাকলে তৃপ্তি পাই। মোহাম্মদ হেদায়েতউল্লাহ্ নামটি অনেক দূরের মানুষ তৈরি করে। ধর্মীয় কারণে নামকরণে অবশ্যই বন্ধুরা পরিচিত হবেন, কিন্তু এ-আমার অক্ষমতা, স্বীকার করে নিতে লজ্জিত নই। স্বাধীনতার পরপর দেখা গেল বাংলাদেশের মুসলমান বন্ধুরা তাঁদের জন্মসূত্রে পাওয়া নামের পাশে ব্র্যাকেটে ডাকনাম লিখছেন। তারপরে একসময়ে ব্র্যাকেট উঠে গেল। ইমদাদুল হক মিলনকে তামাম বাঙালি চেনে মিলন বা মিলনভাই বলে। তারও পরে সুন্দর বাংলা শব্দ প্রথম নামের দখল নিল। সৈকত হাবিব, তুহিন হোসেন, ছুটি রহমানরা চলে এসেছেন গত দশ-পনেরো বছরে। রেজওয়ানা চৌধুরী নামের পাশে বন্যা লিখতেন। এখন বন্যা বললে এই দুইদেশের বাঙালি সঙ্গে সঙ্গে রবীন্দ্র-নিবেদিত একটি তীর্থযাত্রীর মুখ মনে করতে পারেন। আমার অস্বস্তি ক্রমশ কমে আসছে। ভাষা, সংস্কৃতি, স্বপ্ন এগিয়ে এসেছে। এটাই তো স্বাভাবিক।
তবু কিছু প্রশ্ন থেকে যায়। সাতচল্লিশের আগে ঢাকা-চট্টগ্রামে যাঁরা লেখালেখি করতেন তাঁদের ভাষা, শব্দের ব্যবহার থেকে সরে যেতে লাগলেন স্বাধীনতা-পরবর্তী লেখকেরা। কেউ কেউ প্রচার করলেন, ‘এই ভাষা ভারতীয় বাঙালির ভাষা, তাই ভাইসব একটু আলাদা হও।’ ভাষা সবসময়ে পরিবর্তনশীল। সেটা প্রাণের লক্ষণ। কিন্তু পরিবর্তন চাইতে আর একটি ভাষার কাছে আত্মসমর্পণ কতখানি কাম্য? বাংলাভাষা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের পৈতৃক সম্পত্তি নয়। ওটা বললে বাহান্নর ভাষা-শহীদদের চূড়ান্ত অপমান করা হয়। ঢাকার যেসব শ্রদ্ধেয় মানুষ এতকাল বাংলাভাষা নিয়ে চর্চা করেছেন তাঁদের অসম্মান করা হয়। পশ্চিমবাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বাংলা বলেন না। বাংলাভাষা নিয়ে এতকাল কোনো আন্দোলন এখানে হয়নি, সম্প্রতি বাংলাদেশের কাছে প্রেরণা নিয়ে অসংগঠিত আন্দোলনের চেষ্টা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের পরে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাকে তুলে ধরার কোনো চেষ্টাই হয়নি। এটা করেছেন বাংলাদেশের মানুষ। করে সাফল্য পেয়েছেন। তাহলে বাংলাভাষা পশ্চিমবাংলার ভাষা হবে কেন?
অস্বস্তি অন্যত্র। কিছু আঞ্চলিক অভিব্যক্তি লিখিত বাংলায় প্রবলভাবে ঢুকে পড়েছে। মজা শব্দটির মূল অর্থ আনন্দ, যার মধ্যে একটু হালকা কৌতুক মিশে আছে। চড়ুইভাতিতে গিয়ে খুব মজা হলো। কিন্তু দারুণ রান্না মাংসের ঝোল খেয়ে যদি বলি, খুব মজা লাগল, তখন অস্বস্তি হয়। খুব ভালো রান্না হয়েছে, দারুণ রান্না বা চমৎকার রান্নার জায়গায় মজা লাগল কি ঠিক? এখন দেখছি জিম্মা শব্দটির মতো অনেক বিদেশি শব্দ হুড়মুড় করে ঢুকে পড়েছে।
এই পরিবর্তন যদি ভাষাকে সমৃদ্ধ করে তাহলে আপত্তি তোলা অবশ্যই অন্যায়। সাধুভাষা থেকে কথ্যভাষা যখন সাহিত্যের হাল ধরেছিল, তখন প্রমথ চৌধুরী থেকে বুদ্ধদেব বসু সেটাকে আরও শানিত করতে প্রয়াসী হয়েছিলেন। সেই অত্যাধুনিকতা হজম হয়নি বাঙালির। রবীন্দ্রনাথও জোর করে কিছু চাপাতে চাননি। ভাষা হচ্ছে টগবগে নদীর মতো, নিজের রাস্তা নিজেই খুঁজে নেয়। পাড়ে দাঁড়িয়ে আমরাই ভাবি, আহা এদিক না গিয়ে ওদিক দিয়ে গেলে ভালো হতো।
গতকাল ঢাকা থেকে একটি চিঠি পেলাম। লিখেছেন জনৈক ফয়েজুর। তাঁর শেষ বক্তব্য, ‘আমি আপনার অনেক বই পড়েছি। কিন্তু এখনকার লেখা পড়ে আগের মতো মজা পাই না। দয়া করে কারণটা জানাবেন?’এর কী উত্তর হবে তা তো আমারও জানা নেই।


Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.