জন্মদিন এলে মনে পড়ে মৃত্যুদিবসের কথা :

উজিয়ে তাবৎ ভ্রান্তি অমোঘ আসন্ন যথার্থতা

আলো, গান, উৎসব : সবই মনে হয় অতিদীনা।

দিন : সে তো রাত্রির ভূমিকা। তাই হাসতে পারি না।

কান্নারও মানে নেই। রঙিন অথচ নিরঞ্জন

দিনরাত্রিগুলি চলে যাচ্ছে একটি গাড়ির মতন।

যাক। এভাবেই যায়। শুধু ওরা থাকে চোখ বুজে –

ভুলে থাকতে চায় যারা ফিরোজায়-সুনীলে-সবুজে।

একটি কথা বুঝে গেছি : পঞ্চাশের কবিদের মতো

মাত্রা গুনে আমার চলবে না। আমি যামিনীসম্ভূত।

মাঝে মাঝে চাঁদ ওঠে বটে তবু রাত্রিই প্রধান

আমার সাম্রাজ্যে, মাত্রা ভেঙে যায়, রানি শয্যালীনা,

জন্মদিন – মনে হয় – অগ্রবর্তী মৃত্যুদিনের সমান।

আনন্দ, পুষ্পার্ঘ্য, আলো : আমি শুধু হাসতে পারি না।

অনেকক্ষণ থেমে ছিল। এইবার নামল ঝর্ঝর

আকাশ আঁধার করে : কালের কুহেলি কণ্ঠস্বর ॥

  ২৯.০৮.০৪