April 2025

  • শিরোনামহীন

    শিরোনামহীন

    বাংলাদেশে ভাস্কর্য চর্চার ক্ষেত্রে হামিদুজ্জামান খান বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী। দেশে ও বিদেশে তাঁর বেশকিছু দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভাস্কর্য চর্চার মধ্য দিয়ে এদেশের আধুনিক ভাস্কর্য চর্চাকে নবমাত্রা দান করেছেন। সত্তরের দশকে ভাস্কর্য চর্চায় তাঁর প্রিয় বিষয় ছিল মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানিদের গণহত্যা ও নির্যাতনকে বিষয় করে তিনি বেশকিছু ভাস্কর্য সৃষ্টি করেছেন, যা শিল্পমূল্যে ও আধুনিকবোধে…

  • শেখ আবুল ফজল আল্লামি : এই সময়ে তাঁকে পড়ার প্রাসঙ্গিকতা

    শেখ আবুল ফজল আল্লামি : এই সময়ে তাঁকে পড়ার প্রাসঙ্গিকতা

    যদি আকবর ও আবুল ফজলের পতাকা সম্মুখে বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আর দুই প্রজন্ম পাওয়া যেত, তাহলে ভারতে হিন্দু-মুসলমান সমস্যা থাকত না, পাকিস্তানও তৈরি হতো না।  – রাহুল সাংকৃত্যায়ন শেখ আবুল ফজল আল্লামির (১৫৫১-১৬০২) চিন্তাধারার আলোচনা নতুন করে দেখার নানাবিধ প্রয়োজন রয়েছে। ২০২৫ সালের ১২ই আগস্ট তাঁর প্রয়াণের ৪২৩ বছর পূর্ণ হবে। সেই সুযোগে তাঁকে…

  • সেলিম আল দীন দৃষ্টান্তহীন সাহিত্যের রূপকার

    সেলিম আল দীন দৃষ্টান্তহীন সাহিত্যের রূপকার

    সাহিত্যের বাস্তবতা আর জীবনের বাস্তবতা এক নয়, আলাদা। মানুষ কেন সাহিত্য পড়ে? জীবনের নির্মম বাস্তবতা থেকে, একঘেয়ে বাস্তবতা থেকে একটু এসকেপ নেওয়ার জন্য, একটু মুক্তির জন্য। কিন্তু সাহিত্য যখন জীবনের বাস্তবতাকে হুবহু তুলে ধরে, তখন পাঠক অনেক সময় ঠিকঠাক এসকেপ নিতে পারে না। একই বাস্তবতা তাকে টানে না। এই বাস্তবভিত্তিক সাহিত্য তাকে সেই রস দিতে…

  • বঙ্গভাষা পরিচয়

    বঙ্গভাষা পরিচয়

    সৃষ্টির শুরুতে মানুষ ছিল যাযাবর। জীবিকা ও আশ্রয়ের সন্ধানে মানুষকে নিরন্তর ছুটে বেড়াতে হয়েছে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। এভাবেই মানুষ ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর সর্বত্র। আর মানুষের প্রকাশ ও বিকাশ ঘটে মূলত ভাষার মাধ্যমে। অথচ সেই ভাষা কীভাবে মানুষের মুখে এলো তা আজ অবধি গবেষণার বিষয়। সৃষ্টির সূচনালগ্নে বাসাহীন মানুষ ভাষাহীনও ছিল কি না সে-বিষয়ে…

  • চন্দ্র-বন্দনা

    চন্দ্র-বন্দনা

    আয় আয় চাঁদমামা টিপ দিয়ে যা চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা।                   – লৌকিক ছড়া বাংলা কাব্যসাহিত্যে চাঁদ-ফুল-পাখি-নদী – এই চারটি প্রকৃতিসঞ্জাত বিষয় উপমা হিসেবে প্রাচীন। কবির চোখে এই বিষয়গুলো পরম সৌন্দর্যের প্রতীক। তবে এর মধ্যে চাঁদই সম্ভবত শ্রেষ্ঠ ও সুন্দরতম।  কাব্যোপমা হিসেবে ফুল চাঁদের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী – যেন ‘কেহ কারে নাহি জিনে, সমানে…

  • একা-একাকী-একাকিত্ব

    একা-একাকী-একাকিত্ব

    শিরোনামের শব্দগুলো প্রায় সমার্থক হলেও এদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার গতিপথ আলাদা। একা বা একাকী কিংবা একাকিত্ব হচ্ছে ছায়া-দানব। সেই ছায়া-দানব কোটি কোটি বছরের মহাবিশে^র সৃষ্টিলগ্নের আদিম তুষারের পোশাক পরা প্রাচীন অগ্নিময় আধিভৌতিক এক মহাশক্তি। এর পরিণতি কৃষ্ণবর্ণ মৃত্যুচিন্তা। আমরা স্মরণ করতে পারি একসময়ের সুইজারল্যান্ডের একটি ঘটনা। নগরে কিংবা বাড়ির ড্রয়িংরুমে গড়ে উঠেছিল ‘ডেথ ক্যাফে’। ক্যাফে বা রেস্তোরাঁয়…

  • সুখমণি

    সুখমণি

    সাগরের উত্তাল জলরাশির ভয় জয় করে যখন নৌকা ঢেউয়ের মাথায় দুলছিল তখন যাত্রীরা চিৎকার করছিল কি না তার মনে নেই, শুধু মনে ছিল, আজকের দিনটাই বুঝি শেষদিন, এরপর এ-পৃথিবীতে তার কোনো চিহ্ন থাকবে না। নৌকা কূলে ভেড়ার পর যখন দেখলো, দিব্যি বেঁচে আছে, তখন নিজের কাছেই সব অবিশ্বাস্য লাগছিল। তারপর শরণার্থীর মতো ভাসতে ভাসতে এই…

  • পহেলা বৈশাখ : সংহতি চেতনার সংস্কৃতি

    পহেলা বৈশাখ : সংহতি চেতনার সংস্কৃতি

    মানুষের, বিশেষত হোমো স্যাপিয়েন্স বা আধুনিক মানুষের, পরিব্রাজন শুরু হয়েছিল প্রায় সত্তর হাজার বছর আগে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে। তারা জীবনধারণের প্রয়োজনে পৃথিবীর নানা জায়গা থেকে নানা কিছু শিখেছে। একদিন সভ্যতার দোরগোড়ায় পৌঁছে সবিস্ময়ে ‘আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ’-এর মাঝখানে তারা আবিষ্কার করল নানা বিষয়। এর পর পৃথিবী ছেড়ে সেই মহাকাশ জয়ের প্রত্যাশায় কতই না চেষ্টা করে…

  • সুরের বহমানতায় নারীদর্শন

    সুরের বহমানতায় নারীদর্শন

    এই যে আমরা বলি নারীর শাশ্বত রূপ, তা আসলে কী? প্রেমে, স্নেহে, দ্রোহে, শক্তিতে, জ্ঞানে, দাক্ষিণ্যে, দয়ায় ইত্যাদি প্রায় সকল রূপেই নারীকে খুঁজে পাই। ‘একই অঙ্গে অনেক রূপে’ রূপিণী নারী কখনো প্রেমময়ী, কল্যাণময়ী, বিদুষী, অন্নপূর্ণা, আবার সেই নারীই কিন্তু ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে শক্তিময়ী, তেজস্বিনী, স্রোতের বিপরীতে চলা কর্মযোগিনী। তাই ‘শাশ্বত নারী রূপ’-এর ভাবনা আমাকে বড় ধন্দে…

  • ছায়াটি সরে গেল

    ছায়াটি সরে গেল

    ছয় দশকেরও আগে একষট্টিতে কবি সুফিয়া কামালের স্নেহচ্ছায়ায় সন্জীদা খাতুন ও ওয়াহিদুল হক, সঙ্গে আরো কয়েক সাহসী বাঙালি ‘ছায়ানট’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁরা প্রতিকূল পরিবেশে সদ্য পালন করে এসেছেন রবীন্দ্রজন্মশতবর্ষ। তাঁদের লক্ষ্য ছিল সর্বজনে যেন নিজেকে বাঙালি রূপে চিহ্নিত করে, বাঙালি জাতিসত্তাকে হৃদয়ে ধারণ করে। এ-কর্তব্য সাধনে তাঁদের অবলম্বন ছিল বাংলা গান তথা বাঙালি সংস্কৃতি। নিরানব্বইয়ে…

  • কিনু পুরুষ

    কিনু পুরুষ

    পু কুরে ঘাট হয়, ঘর হয় – এই কথা বোধহয় নতুন। বাপের ভিটায় জায়গা হয়নি কিনুর। তাই শাহজাহানদের পুকুরপাড়ে ঘর বেঁধেছে। রাস্তার পাশ দিয়ে লোকজন যাওয়ার সময় তাদের আর ঘাটের কথা মনে হয় না। কারণ ওই ঘর। চাঁচের বেড়া, কুটোর ছাউনি। পুকুরের চওড়া পাড় সবুজ ঘাসে এতটা মজবুত, কেউ কোনোদিন মাটি ভেঙে পড়তে দেখেনি। পুকুরটা…

  • বিসর্জনের রং

    বিসর্জনের রং

    ভোঁতা এবড়োখেবড়ো একটা রাস্তা হাজীগঞ্জের কাপড়িয়াপট্টি ধরে চলে গেছে ব্যাংকপাড়ার দিকে। যাওয়ার সময় ঝাপসা স্মৃতির মতো কুমোরবাড়ি ছুঁয়ে যায়। ব্যাংকপাড়ার পাশেই একটা খাল। বিকেল হলে স্বপ্না আন্টি খালপাড়ে বসে থাকে। জলে নিবদ্ধ চোখ স্থির হয়ে কী যেন দেখে। সুপ্রাচীন অন্ধকার ঠেলে ওই চোখে ভাঙা রোদ হরিয়ালের মতো দৌড়াতে থাকে। কাকে যেন খোঁজে আন্টি। পেছনে কুমোরদের…

  • সেই লোকটা আর মিঠুনের গল্প

    সেই লোকটা আর মিঠুনের গল্প

    মায়ের সঙ্গে হাঁটছি। মায়ের এক হাতে শক্ত করে আমার হাতটা ধরা। এভাবে হাঁটতে ভালোই লাগে, ঘুরে বেড়াতে। কত নতুন পথ। কত নতুন ঠিকানায় ঘোরাফেরা। অথচ হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। আবার যদি হারাইও – মা তো সঙ্গেই আছে। মাকে নিয়ে হারিয়ে যেতে বেশ লাগে। কত অজানা গন্তব্য। এ-সময় মনে হয়, কোথায় আছি, কোথায় যেতে হবে –…

  • সার্ভিসিং কোম্পানি

    সার্ভিসিং কোম্পানি

    ‘আহা, এ-জায়গাটা একদম ক্ষয়ে গেছে আপনার। শুকিয়ে চিমসে গেছে, ভেতরে রসটস নেই তেমন।’ খুবই মোলায়েম কণ্ঠে বলছিলেন ডাক্তার সাহেব, কিন্তু আয়েশা বেগমের চোখমুখ শুকিয়ে যেতে শুরু করল; আর যেটুকু রস অবশিষ্ট ছিল, তাও উবে গিয়ে ফ্যাকাসে দেখাতে লাগল। কিন্তু সেদিকে তাকানোর ফুরসত ছিল না ডাক্তার সাহেবের, নিবিষ্ট মনে তিনি পরীক্ষা করে যাচ্ছিলেন দেহের জোড়াগুলি, অপুষ্ট…

  • বেহুলা বাংলা : সনেট

    আমি বন্দি সেন্টাওরের অতল পাতালে মুক্ত হতে চাই উদ্ধার হই যদি আরিয়েদনের মতো তোমার দেখা পাই আমার সাধন-ভজন সবই তাই বেহুলা তোমায় ঘিরে জানি কোনো শিউলীভোরে পাব তোমায় গাঙুর নদীর তীরে তাই জলের কিনারে বসত আমার ঘোর তুমি নদীপথে ভাসাও স্রোতে মান্দাসের ভেলা গ্রীষ্ম বর্ষা আর শীতে অকর্মা আমি বাঁধা থাকি শত গেরস্তকাজের ঘোরে এ…

  • কী যে চাওয়া কী যে পাওয়া

    নিঃসঙ্গতা জ্বেলে জ্বেলে অন্ধকারে পথ চলে কবি নৈঃসঙ্গ্যই তার ধ্যান আরাধনা সাধনার সিদ্ধি ও সুন্দর! একাকিত্ব, নিঝুম রোদন শিল্পতৃষ্ণা একবুক হাহাকার অতৃপ্তি ও অপমান কাঁটাগুল্ম তার অমøজান ও ক্লোরোফিল, ভাঙতে ভাঙতে বেদনায় নীল বেদনা ও মৃত্যুঝুঁকি পান করে করে বেঁচে থাকে ভাঙাপোড়া কবি, এঁকে যায় এক লপ্তে অপ্রাপ্তি ও বিরহের মনোলীনা ছবি!

  • রক্ত মৃত্যু ভালোবাসা

    জুলাই, তোমার কাছে বহু দেনা ঋণ শহিদের রক্তে পুষ্পে হয়েছো রঙিন। মøানতার স্পর্শ থেকে তোমাকে সরিয়ে হৃৎপিণ্ডের কোষে কোষে রেখেছি জড়িয়ে হঠিয়েছি অন্ধকার, পাশবতা কালো লাখো প্রাণ তোমাতেই আছে লীন, সর্বসত্তা দিয়ে            বেসেছো কী ভালো!

  • গ্রাম খুঁজি

    মাঝিয়াইল বলে কোনো এক গ্রামের নাম জেনে – গ্রাম খুঁজি দেশসুদ্ধ পাড়াগাঁয়ে কখনো সারিবদ্ধ কলাগাছের সন্ধানী দৃশ্যে শাদা বলদে হাল জুড়ে দেওয়ার আগপাছে দাড়িম্ব ফলের ক্রমপ্রসারমাণ সামাজিক ফলদবৃক্ষের স্ফূর্তিতে পকেটে লুকিয়ে রাখা ‘ভুলো না আমায়’ ফুলতোলা রুমালের ভাঁজে জসীমউদ্দীনের ‘রাখালিয়া’, ‘বালুচর’ কাব্যে – পাই খুঁজে নতুন ধানের ঘ্রাণে পল্লীর উঠোনে, গৃহে গৃহে উৎসবের বারোমাস।

  • পাখিজীবন

    কাকটি দুপুরবেলা রোদে ভিজে-ভিজে উড়ছিল স্নানশেষে ডানা ঝেড়ে ফেলে যায় ছায়ার ফসিল                দেখল না শস্যহীন মাঠের কৃষক সে কেবল আগাছাই ফেলে গেল রোদের ধাঁধায় এভাবেই দিনে-দিনে বড় হয় ছায়াবৃক্ষ নিজের ভেতরে মধ্যমাঠে টেকের পরিধি বাড়ে – জমির জ্যামিতি ডালপালা ঘেরা এই মায়াময় বৃত্তে বাসা বেঁধে নিয়ত যাপন করি পুরাণের পাখির জীবন উড়ে-উড়ে সারাদিন শুঁকি কড়া…

  • সহজ কথার গল্প

    বলি বলি করে তারে আর বলা হয়নি ছোঁয়া হয়নি নক্ষত্রের আলো, উজালা বসন্ত রাত ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ পৃথিবীতে এত সহজ কথা দ্বিতীয়টি নেই অথচ কী আশ্চর্য কঠিন – বলতে গেলেই তুমুল তুফান, বুক ভাঙে, হাঁটু কাঁপে, কান দপদপ করে আশেপাশে যে বৃক্ষগুলো সবুজ ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকে তারাও শেকড় ছিঁড়ে ভেঙে পড়ে একে একে আশ্রয়হীন একটি…

  • মুক্তির সন্ধানে

    সন্ধ্যার অন্ধকারে উড়তে থাকে মন – ঘাসের স্তবকে রেণু মিশে যায়, রক্ত-মাংসের চিহ্ন মুছে ফেলে – প্রতিটি পালকের গাঁথুনি – এক আত্মার বিস্মৃতি। যত খোঁজ তত অগোচরে হারিয়ে যায় নারীর দীর্ঘশ্বাসের মাপে; যে চিরকাল বহন করে অদৃশ্যে থাকার পণ। এ কী আকুলতা! জলাশয়ের দিকে স্রোত পাড়ি দেয়, নদীর বুক চিরে উড়ে চলে যায় এক প্রজাপতি,…

  • একদিন অতলান্তিকের পাড়ে

    গভীর অতলান্তিক, মন্টাক, নিউইয়র্ক শূন্যে সমুদ্রপাখির দৃষ্টিনন্দন চক্কর আর স্বতন্ত্র কাকলি অফুরান জলের বিস্তারে একবিন্দু ছায়া তার, ঢেউয়ে দোলে ভাসন্ত মাছের ঝাঁকে সে তাকায় তীক্ষ্ন চোখে নিরিখ নির্ণয় হলে নেমে আসে দ্রুত জলের ঘনিষ্ঠ কাছে মাছের মিছিলে তখন হুড়মুড় পালানোর হল্লা অকস্মাৎ জলবুকে শুভ্র খই ফোটার উৎসব। ছোঁ ও চঞ্চুপুটে মাছ গেঁথে পাখি ওড়ে, নান্দনিক…

  • কানাভোলা

    অবোধ্য দেখছি সব দুর্বোধ্য কোলাহল কলকাঠি হাতে কার কার হাতে প্রদীপ আলাদিনের? আয়নায় বিভ্রান্তি বড় ভেসে ওঠে কার মুখ কার কণ্ঠে বলছি কথা জ্ঞানশূন্য হিতাহিত! অচেনা পথের বাঁক চিনছি না কাউকে আমি ভয়ংকর কানাভোলা কোথায় যে গন্তব্য তার!

  • শিরোনামহীন

    যার দাঁত নেই হাড় চিবিয়ে খেতে ইচ্ছে করে তারও – নোয়ানো কোমর হেঁটে যায় যে বুড়ো তাকেও দেখেছি রমণীর বুকে চোখ বুক টানটান ভাব করে যেন এখনো – বিগত হতে চায় না কেউ যৌবন বড় নিদয়া প্রেমিক কৃষ্ণ সে মথুরায় চলে যায়। কেউ জেনে যায় কেউ না জেনে যায় পারে না তো দাঁতে, চুষে খায়…