আমার দু-বাহু জুড়ে এমন শৃঙ্খল ছিল আগে তা বুঝিনি,

রোমের মসৃণ পথে স্তূপাকারে এত কাঁটা, জ্বালানো লজ্জায়

মৃণালভুজের মূলে বিলীন রক্তিম আভা, ত্বকের গোলাপি

ক্রমশ বিলীন হয়, ইতালীয়া যুবতীর ভুল ইংরেজিতে

কি পাও হে যাযাবর, অর্থনীতি আলোচনা ছেড়ে এসে পাপী

স্বর্গের সোনালি সিঁড়ি যেন তুমি হাতে পেলে, ট্রেনের চাকায়

নম্র মৃদু ক্ষমাধ্বনি, যা ছিল সামান্য আগে, যা ছিল অতীতে

রোমান মোহিনী জ্যোতি, তাকে বিকিরণ করে ফ্লোরেনজিয়া আর

হাসেনি লাবণ্যময়ী, ত্বক জুড়ে অগ্নিস্রোতে আর কত ঋণী

নিঃস্ব এই পথিককে, সুগন্ধ নির্যাসে স্থির ল্যান্ডস্কেপটুকু

ভেসে উড়ে যাক এই ভয়ানক গণ্ডি ছেড়ে, ঠান্ডা বাতাসের

সান্ত্বনা খোলসে তাকে জড়াও নিবিড়ময়ী, ফ্লোরেনস স্টেশনে

কোথা থেকে রক্তজবা, স্থলপদ্ম, হাস্নুহানা, এ যেন বাংলায়

সোনালি আমার এই ফিরে আসা, ভুল হয়, মিলানকে ভুলে

এ যেন মিলনপুরে ফিরে আসা, রোম নয় রুমি

ফোটাও কনকচাঁপা আগমন পথ জুড়ে, যাতে এ শৃঙ্খলে

না লাগে ব্যথিত হাত, বিদেশি রূপের মোহে তুমি

জড়াও নিবিড় স্নিগ্ধ, ইতালির বৃষ্টিধোয়া মুখরিত জলে

নিষ্কম্প ডুবেছে স্থির হাত থেকে ফেলে দেওয়া শ্বেত ঝুমঝুমি।

Leave a Reply