ঢাকার শিল্পীদের নতুন বছর শুরু হয়েছে পুরনো গ্লানি, অসহিষ্ণু সময়কে পেছনে ফেলে নতুন কতক সম্ভাবনার পথযাত্রার মধ্য দিয়ে। নগরজীবনের নানা টানাপড়েন ও সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে বহুদূরের বরেন্দ্রভূমিতে গ্রামীণ জনপদের আবহে কয়েকটা দিন অবসরযাপন ও ছবি আঁকার মধ্য দিয়ে ওই এলাকার মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা এবং তাঁদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সখ্য উপভোগ করেছেন একদল চিত্রশিল্পী। এই ভ্রমণ-আনন্দ যেন ফুটে উঠেছে শিল্পীদের সৃজনে গ্রামীণ জীবনের সহজ-সরল সুখী-সুন্দর ছবিগুলোয়!
সম্প্রতি ধানমন্ডির সড়ক ৪, বাড়ি ২১-এর তিনতলায় অবস্থিত গ্যালারি চিত্রকে হয়ে গেছে বাংলার বরেন্দ্র অঞ্চলখ্যাত রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় দলবদ্ধ সেই শিল্পভ্রমণে অঙ্কিত চিত্রমালার প্রদর্শনী। এর শিরোনাম ছিল ‘পরম্পরার খোঁজে বরেন্দ্র ভ্রমণ’।
শিল্পীদলটি যাঁকে ঘিরে বা কেন্দ্রে রেখে বরেন্দ্র ভ্রমণ করলেন, তিনি ওই এলাকার বরপুত্র দেশে-বিদেশে সুপরিচিত বরেণ্য চিত্রকর রফিকুন নবী (১৯৪৩), আমাদের কৃতী শিক্ষক, স্বাভাবিক অবসরের পর এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক। ছবি আঁকা, আড্ডা আর ভ্রমণে তাঁর আগ্রহ আর উদ্দীপনায় তিনি যেন তিরাশি বছরের এক সতেজ তরুণ! এ-প্রদর্শনী দেখে ও ভ্রমণ আয়োজন এবং ওই কয়দিনের গালগল্প শুনে আমরা তেমনটাই অনুভব করতে পারছি।
এই শিল্পভ্রমণে রফিকুন নবীর সঙ্গী ছিলেন মাহফুজুর রহমান (১৯৫৮), আহমেদ সামসুদ্দোহা (১৯৫৯), শেখ আফজাল (১৯৬০), নিসার হোসেন (১৯৬১), শিশির ভট্টাচার্য্য (১৯৬০), মনিরুজ্জামান (১৯৬২) ও শামসুল আলম ইন্নান (১৯৬৬)। আরো ছিলেন রফিকুন নবীর অনুজ রেজাউন নবী (১৯৫৮)। তাঁরা বিভিন্ন প্রজন্মের শিল্পী এবং মাহফুজুর রহমান বাদে অন্যরা শিক্ষক রফিকুন নবীর সরাসরি ছাত্র। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় আবুল বারক আলভীর (১৯৪৬) যাওয়া হয়ে ওঠেনি। তবে প্রদর্শনীর জন্য তিনিও এঁকেছেন।
আমরাও তাঁর কাছ থেকে নানা সময়ে ওই শেকড়ের গল্প শুনেছি। তাঁর আঁকা ছবিতেও আমরা বারবার দেখতে পেয়েছি বরেন্দ্রভূমির নানা ছবি। মহানন্দার পাড় ঘেঁষে ফসল বোঝাই গরুর গাড়ির ছবি, নাচোলের কৃষকদের শক্ত চোয়াল, মহানন্দা পাড়ের খেয়াঘাট, গৌড় স্থাপত্য, নদী পারাপার, ওখানে বসবাসকারী সাঁওতালপল্লী, তাদের নানা ছবি, বরেন্দ্র অঞ্চলের মহিষ ও ছাগল – এসব যেন শিল্পীর রংতুলিতে বাক্সময় হয়ে উঠেছে।
প্রদর্শনীর ব্রোশিওরে ‘শেকড় সান্নিধ্য’ শিরোনামে
লেখক-শিল্পী মাহফুজুর রহমান যে-লেখাটি লিখেছেন তাতে তিনি শিল্পী রফিকুন নবীর শৈশব গঠনে পদ্মা, মহানন্দা, পাগলা নদীর ত্রিসঙ্গম, নতুন পলিমাটি, মরুভূমির মতো পদ্মার বিস্তৃত বালুচর, তীরবর্তী পিত্রালয় ছত্রজিৎপুর ও মাতুলালয় ঢেড়াবোনা গ্রামের প্রকৃতির ভূমিকাকে গুরুত্বসহকারে চিত্রিত করেছেন।
তিনি আরো লিখেছেন – আমরা যে রফিকুন নবীকে চিনি তিনি প্রাজ্ঞ-অভিজ্ঞ, হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষক, লক্ষ-কোটি ভক্তের কাছে টোকাইয়ের স্রষ্টা, কৃতী চিত্রকর, স্বাদু রচনার সুলেখক।
ছত্রজিৎপুরের বাস্তুভিটা এখন নেই। ঢেড়াবোনা থেকে নানা-নানি নতুন বসতি গড়েন শিবগঞ্জ উপজেলার গোবরাতলা গ্রামে। পরে এখানেই গড়ে ওঠে রফিকুন নবীদের বর্তমান গ্রামীণ পারিবারিক পটভূমি। এ-শতাব্দীর শুরুতে সেখানে স্বল্পপরিসরের একটি আমবাগানের সঙ্গে লাল ইটের একতলা বাড়ি ধরে রেখেছে এগারোটি পৃথক পরিবারের পরম্পরা।
গত বছর জুলাই মাসে রফিকুন নবীর সঙ্গে তাঁর ছাত্রশিল্পীদের এই ভ্রমণকেন্দ্রিক ছবি নিয়ে পরম্পরার খোঁজে বরেন্দ্র ভ্রমণ নামক এই চিত্র-প্রদর্শনী।
‘বরেন্দ্র’ শিরোনামে রফিকুন নবীর নতুন আঁকা সাতটি ছবির পাঁচটিই কাগজে জলরঙে আঁকা, একটি অ্যাক্রিলিক রঙে, অন্যটি কাগজে চারকোলে আঁকা। এটিতে দেখছি মাছ ধরে ফেরা শিশুসহ কর্মিষ্ঠ এক যুবকের ছবি।
তাঁর কাজের অঙ্কনরীতি, গঠন-বিন্যাস ও মজাদার পরিবেশনায় আপ্লুত হন ভক্তকুল! এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি! সেই ছেলেবেলা থেকে দেখে আসা বরেন্দ্র প্রকৃতি, মাঠ থেকে ধান কেটে গরুর গাড়িতে বোঝাই করে চলার ছবি, নদী থেকে কলসিতে জল তুলে এনে শিশুসহ বাড়ির পথে ফেরা, নদী তীরবর্তী বাজার, মানুষের চলাচল, গ্রামের পটভূমিতে সাইকেল চালিয়ে চলাচল, মাটির ঘরের বারান্দায় বসে আম খাওয়ারত শিশুর ছবি – শিল্পীর চোখ দিয়ে ওই এলাকার মানুষের জীবনযাপনের নানা ধরন দেখতে পাই তাঁর একেকটি চিত্রকর্মে। প্রতিটি চিত্রের পেছনে আছে ভিন্ন ভিন্ন সব গল্প। এই গল্প এবার সংক্রমিত হয়েছে তাঁর শিষ্যকুলের মধ্যে!
আবুল বারক আলভী রফিকুন নবীর শিক্ষক জীবনের প্রথম দিকের ছাত্র। বরেন্দ্রভূমিতে তিনি আগেই গেছেন। প্রদর্শনীর জন্য তাঁর আঁকায় সেই স্মৃতির বন্দনা প্রতিভাত হতে দেখলাম।
ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রঙে আঁকা তাঁর দুটি চিত্রকর্ম ‘গঠন’ শিরোনামে প্রদর্শিত হয়েছে। শেওলা সবুজ আর অনুজ্জ্বল মেটে রঙে আঁকা ফর্মের মধ্য থেকে মৃদু হলুদাভ রঙের উদ্ভাস একঘেয়ে জীবনের মধ্যে যেন উৎসবের রং নিয়ে আসে!
লেখক-শিল্পী মাহফুজুর রহমান বরেন্দ্র ভ্রমণ নিয়ে যেমন বিস্তারিত লিখেছেন, তিনি নিজেও এঁকেছেন দুটি ছবি; ‘গোবরাতলা’ ও ‘ধনীচক মসজিদ’ শিরোনামে এ-দুটি কাজ প্রদর্শিতও হয়েছে! পাখির চোখে দেখা গোবরাতলা গ্রামের কৃষিজমিতে নানারকম ফসল ফলানোর যে চেহারা দানা বাঁধে সেই রূপটিকে তিনি তুলে ধরেছেন ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রঙে। আর মসজিদের মিম্বর ডিটেইলস চিত্রিত করেছেন আরেকটি চিত্রকর্মে অসামান্য রূপদর্শীময় দক্ষতা ও শিল্পিত হৃদয়ের উৎসারণ দিয়ে।
সাঁওতাল গাঁয়ের কোনো এক মাটির ঘরের দেয়াল ও উঠানের আলোছায়া নিয়ে রেজাউন নবী এঁকেছেন ‘দেয়ালের কবিতা’। সাঁওতাল রমণীর ছবি এঁকেছেন ওদের গাঁয়ের বাড়ির পটভূমিতে। পেছনে বাড়ির বারান্দায় ছাগল, ঘরের চালে, গাছের ডালে কবুতরের বাকবাকুম।
শিল্পী আহমেদ সামসুদ্দোহা ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রঙে মহানন্দা ঘাটে চলাচলকারী নৌকায় ওঠা নারী-পুরুষ, শিশুর সঙ্গে গবাদিপশুসহ গোটা পরিবেশকে অসাধারণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন। আকাশের নীল, সাদা তুলট মেঘের বিস্তার এবং নদীর অববাহিকার সঙ্গে নৌকার ছবি ও মানুষজন, প্রাণী মিলে সে এক বাস্তবতাকে ভারী কাব্যিকভাবে উপস্থাপন করেছেন শিল্পী।
‘বরেন্দ্র’ শিরোনামে তাঁর আরেকটি চিত্রকর্ম তিনি সাজিয়েছেন জমির বিশাল আবহের শেষার্ধে গ্রামের হাতছানি আর জমিনের সামনে দুজন চাষির কাজ, কাছে-দূরে আরো রাখাল ও ঘাস খাওয়ায় ব্যস্ত গবাদিপশুর সারি। সাঁওতালপাড়ার বাড়িঘরের আবহে বয়স্ক এক সাঁওতাল পুরুষের দৃঢ় চোয়াল অবয়ব তিনি এঁকেছেন আরেকটি চিত্রপটে। বর্ণলেপনের চমৎকারিত্ব আর আলোছায়ার কুশলী প্রয়োগে অসাধারণ হয়ে উঠেছে তাঁর একেকটি চিত্রকর্ম।
উঁচু জমি থেকে ঢালু হয়ে নেমে আসা মাটির পথ ধরে মহানন্দা নদীতীরবর্তী ঘাটের ব্যস্ততা তুলে ধরেছেন শিল্পী শেখ আফজাল। খেয়া থেকে ওঠানামা করা মানুষ ও পশুর দিক থেকে চোখ সরালে দৃশ্যমান হয় এপার থেকে ওপারের প্রকৃতি ও আকাশের সৌন্দর্য। এর শিরোনাম ‘মহানন্দার তীরে’। ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রঙে তিনি আরো এঁকেছেন সাঁওতাল রমণীর অবয়বসহ তার শরীর কাঠামোর ছবি। এসব কাজে আফজালের বিশেষ ব্যুৎপত্তি আছে অনেক আগে থেকেই।
মাহফুজুর রহমানের লেখায় একজায়গায় গাছ থেকে আম পাড়ার বিবরণ আছে। চেয়ার নিয়ে বসে তা তদারকি করছেন শিল্পী রফিকুন নবী। এই দৃশ্যটি মনে ধরেছিল শিল্পী নিসার হোসেনের। তিনি তাঁর ‘আম বিক্রেতা’ নামের একটি চিত্রের বিষয় করেছেন একে। গাছ থেকে আম পাড়ছেন ও নিচে ছুড়ে দিচ্ছেন একজন আবার নিচে আরেকজন সেগুলো চটের বস্তা দিয়ে গ্রহণ করছেন ও বিভিন্ন কার্টনে ভরছেন। তদারকিতে মোবাইল ফোন হাতে রফিকুন নবীর পাশে মনিরুজ্জামান। খানিকটা দূরে ছাগলের মাথায় হাত বুলাচ্ছেন সামসুদ্দোহা। চিত্রপটের ফোরগ্রাউন্ডের এককোণায় কাঁটাচামচ দিয়ে তৃপ্তিভরে আমের টুকরার স্বাদ নিচ্ছেন শিল্পী শেখ আফজাল। ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রঙে আঁকা ছবির মাধ্যমে যে কৌতুক-ব্যঞ্জনা পরিবেশন করেছেন শিল্পী, সেটি দর্শকদের আমোদিত করে।
জনপরিসরে অসাধারণ সব কার্টুনের জন্য শিশির ভট্টাচার্য্য সুপরিচিত দেশের একজন আঁকিয়ে। বেশ কতক বছর ধরেই তিনি ব্যক্তি, সমাজ, রাজনীতি ও দেশ নিয়ে সুললিত রেখায় তুলে ধরছেন নানা সংগতি-অসংগতির ছবি। সম্প্রতি লালমাটিয়ার কলাকেন্দ্রে রেখা চিত্রাঙ্কন সংবলিত একক প্রদর্শনীর সাফল্যে উজ্জীবিত শিল্পী এই ভ্রমণে গিয়ে কাগজে মিশ্রমাধ্যমে এঁকেছেন ‘শিরোনামহীন’ ছবি। বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটির বাড়ির চিত্রিত দেয়ালে রেখাঙ্কনে আমরা দেখতে পাই – সাদারঙে পাখি, হরিণ, ফড়িং, ফুল-লতাপাতা আঁকা। দেয়ালের সামনে একগুচ্ছ ঘাস হাতে গলায় বঁইচির মালা পরা সাঁওতাল শিশুর একটি প্রতিকৃতি এঁকেছেন শিল্পী। স্বল্প রং ও রেখায় দারুণ নন্দিত একটি চিত্রকর্ম!
বরেন্দ্র ভ্রমণের উদ্যোক্তা শিল্পী মনিরুজ্জামান শিল্পী ও সংগঠক হিসেবে দেশে-বিদেশে সুপরিচিত। তাঁর প্রতিষ্ঠান গ্যালারি চিত্রক এদেশের প্রগতিশীল সৃজনশিল্পী, লেখক-সংস্কৃতিসেবী, দর্শক ও শিল্পবোদ্ধাদের কাছে অন্যতম এক ভালোবাসার শিল্পকেন্দ্র।
বরেন্দ্রভূমিতে ক্যানভাসে অ্যাক্রিলিক রঙে অনতিদূরের নদীর রেখার আগের বিস্তৃত জমিনে নানা রঙের অনেকগুলো গরু চরার দৃশ্য এঁকেছেন শিল্পী মনিরুজ্জামান। আকাশে আষাঢ়ে মেঘের বিস্তার। এমনতর আবহাওয়ায় দূরের দিগন্তের অস্পষ্টতা যেন কাছের জমিনেও ভর করেছে।
শিল্পী মনিরুজ্জামান আরো এঁকেছেন নৌকায় দাঁড়িয়ে নানা রকম মানুষের নদী পারাপারের দৃশ্য।
বৈচিত্র্যময় এই ভ্রমণের ডকুমেন্টেশনের উদ্দেশ্যে শিক্ষক এবং অগ্রজ শিল্পীদের এই দলে কনিষ্ঠতম শিল্পী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন শামসুল আলম ইন্নান। মনিরুজ্জামানের সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতেও গেছেন। লন্ডন ও জাপানে চিত্র-প্রদর্শনীও করেছেন। ফলে তিনি অপেক্ষাকৃত তরুণ হলেও এরই মধ্যে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
কাগজে জলরঙে তিনি এঁকেছেন – ‘ঘরে ফেরা’ ও ‘সাঁওতাল শিশু’র ছবি। প্রথম ছবিতে পড়ন্ত বিকেলে এক কিষানির বিপরীতে দুটি ছাগল আর দূর জমিতে বিচরণকারী গবাদিপশুরা ঘরমুখো। এ-ছবিতেও বর্ষাকালের রোদবিহীন আলোকস্বল্পতা লক্ষণীয়।
অন্য ছবিতে সাঁওতাল বাড়ির জানালায় দুজন ও অন্যজন মাটিতে দাঁড়ানো। বর্ণপ্রয়োগে শিল্পীর সাবলীলতা লক্ষণীয়। জলরঙের কাজে ইন্নানের পারঙ্গমতা আমরা আগেও প্রত্যক্ষ করেছি।
সম্প্রতি বিষয়ভিত্তিক দলগত চিত্র-প্রদর্শনী হিসেবে এটি উল্লেখযোগ্য একটি আয়োজন হিসেবে দর্শক ও শিলবোদ্ধাদের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হয়েছে। আলোচিত শিল্পীদলের নতুন কাজ দেখার সুযোগ হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা শিল্পী রফিকুন নবীকে কেন্দ্র করে এই বরেন্দ্র ভ্রমণ, তাঁর শিল্পকৃতির শেকড় সন্ধান এবং এই অঞ্চলকে দেখে, উপলব্ধি করে সেই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যকে চিত্রপটে তুলে আনার ভিন্ন ভিন্ন প্রয়াস আমাদের যেমন আনন্দ দিয়েছে, তেমনই শেকড়ের প্রতি টান থাকার গুরুত্বও বুঝিয়ে দিয়েছে।
গত ৩০শে জানুয়ারি ২০২৬-এ শুরু হওয়া এ-প্রদর্শনী শেষ হয়েছে ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ।


Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.