September 2019
-

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র অনুবাদ-নিবন্ধ : উজবেকিস্তানের লেখক
পূর্বলেখা : ভূঁইয়া ইকবাল সাজ্জাদ শরিফ-সম্পাদিত অগ্রন্থিত রচনা, সৈয়দ আকরম হোসেন-সম্পাদিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্-রচনাবলী (২ খ-) কিংবা সৈয়দ আবুল মকসুদের সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্/ জীবন ও সাহিত্যকর্মে (২ খ-) ওয়ালীউল্লাহ্র ইংরেজি থেকে বাংলায় অনূদিত কোনো রচনা সংগ্রথিত হয়নি। ওয়ালীউল্লাহ্র একটি অনুবাদ-নিবন্ধ পাওয়া গেছে। ইন্টারন্যাশনাল লিটারেচার পত্রিকায় প্রকাশিত (অষ্টম সংখ্যা ১৯৪৩) রুশ লেখিকা লিডি[দ]য়া বাতোভার একটি নিবন্ধ ইংরেজি থেকে…
-
শরৎ-পাওয়া
(কবি আবদুল মান্নান সৈয়দের উদ্দেশে কিছু …) আইউব সৈয়দ ও কবি, তীব্র কি রৌদ্রের শিশির? নিটোল গল্পের সাহস? চশমাপরা সত্যের রশ্মি? শ্রম্নতির ভিতর খিলখিল রুচি, শরৎ-বাতাসে ছোটাছুটি করে স্বপ্নাক্রান্ত হয়েছে কি সময়? ২. ও তারকা কবি, সামাজিক দায়িত্বের ছাঁচে, গোধূলিতে কেঁপে উঠেছো? নাকি, রেখেছো স্পর্শ ঝিলিমিলি তোলা আবিরমাখা দৃশ্যাবলিতে? অভিজাত আলোকের ‘গণসাহিত্য’ ফিরিয়ে এনেছো বুঝি?…
-
দুয়োরানির খোকা
দেবাশিস লাহা হাতের মুঠোয় অষ্টাদশী মেঘ, মাখছে মাটি তবু দুটো পা, চোখের নিচে বাউন্ডুলে স্বেদ; দিন ফুরোলেই নদীর জলে ঘা – ওপার জুড়ে রাত নেমেছে আজো নদীর জলে আংটিপরা মুখ, এপার জুড়ে আঁধার হলো শুধু এপার জুড়ে কান্না হওয়ার সুখ – ওপারটা তাই সুয়োরানির কোল, চোখ পিটপিট সোনার বরণ ছা, এপার আজো দুয়োরানির খোকা, আঁধার…
-
কোণের ঘর
শফিক আহমেদ বাবার বয়স আটাত্তর মার বয়স বাহাত্তর মা বাকরুদ্ধ কয়েক বছর বাবা হাঁটেন, বাবা চলেন অপরাধীর মতো। বারান্দার কোণের ঘরে ওরা থাকেন, ছোট্ট ঘর একটাই জানালা বাতাস কিন্তু ঢোকে না। ভাদ্রের গুমোটে তালপাতার পাখা নিয়ে বাবা বাতাস করেন মাকে তাকিয়ে থাকেন মায়ের মুখের দিকে। বাবা ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন মাকে মার নাম সাজু, সাজেদা খাতুন।…
-
নতুনের বার্তা শুনি
পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী নতুনের বার্তা শুনি আমি – এই বুকের ভেতর সেখানে আকাশ আছে, আলো-আঁধারের তাতে খেলা আছে মেঘ, আছে বৃষ্টি, আছে মেলা, বেলা ও অবেলা সেখানে নির্ধন-ধনী কিংবা নেই ব্রাহ্মণ-মেথর। সেখানে ওইদিন ভোরে হয় পান্তা-ইলিশ খাওয়া পিঠা খাওয়ার আড্ডা হয়, মিষ্টি হয় বিতরণ শুধু হয় না রমনা বটমূলে বোমা বিস্ফোরণ দেখিনি তো সবুজের বুক চিরে…
-
ফেরা
রানা সরকার বনবিতান থেকে উঠে আসে আমার বিনীত সুজন – মধুমাসে হাওয়া বদলের দিন ফেরে, ফিরে আসে বসন্ত নূতন – এখন পীড়িত প্রতিবেশীর দুঃখকে বড়বেশি ঋতুকালীন মনে হয় – অরণ্যের মাদকতায় চেনা গঞ্জের দুপুর ছোট হয়, মিলিত ছায়ায়। প্রিয় রোদে মুক্ত নিশান ওড়ে একা, দুপুরের গুম্ফার ছায়া অচেতন পড়ন্ত বেলায় – সুখী নীড়ের পাখি খড়কুটো…
-
শুকনো পাতার ছবি-২৬
সৌভিক রেজা কেউই আর পৌঁছে দেয় না কিছু; নিজে গিয়ে নিজের জিনিসপত্র সব ঘরে নিয়ে আসতে হয়; হাসপাতালের হিমাগারে যিনি শুয়ে আছেন তিনিও অপেক্ষায় থাকেন; কতক্ষণে বৃষ্টি শেষ, কতক্ষণে বাদল দিন আর তার প্রথম কদম ফুল, বারান্দা ভেসে যায় রক্তে। আমাদের দুঃখের নদী থেকে ঢেউগুলো এখন উধাও; দেখতে-দেখতে বর্ষাও শেষ। শীতের ছায়া শরীরে মেখে এক…





