September-October 2023
-

শিরোনামহীন
সমরজিৎ রায় চৌধুরী বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলায় এক ব্যতিক্রমী চিত্রকর। তাঁর আবেগ ও অনুভূতি খুবই সংবেদনশীল। তাঁর সৃষ্টিতে এই অনুভবের স্পষ্ট ছাপ ধরা পড়ে গ্রামবাংলার জীবন ও নৈসর্গিক দৃশ্য-অঙ্কনে। তাঁর শিল্পিত চেতনায় লগ্ন হয়ে আছে গ্রামকে গভীরভাবে ভালোবাসার অনুষঙ্গ। সেজন্যে গ্রামের মানুষের সরল জীবন, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, পুকুরের জলে স্নানরত নারী বা তাদের আলাপন, গ্রামীণ নারীর প্রসাধন…
-

লালসালু : আধুনিকতা ও শিল্পের স্পর্ধা
বাংলা কথাসাহিত্যে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক অবিস্মরণীয় নাম। র্যাডক্লিফ-অঙ্কিত পূর্ববাংলার সাহিত্যিক মানচিত্রে তাঁর ভূমিকা যুগপ্রবর্তকের। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এই ভূখণ্ডের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী, আধা-সামন্ত বাঁধনে আবদ্ধ গ্রামীণ মুসলমান সমাজের জীবনযাত্রা উপস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস লিখেছেন আবুল ফজল, আবু জাফর শামসুদ্দীন, শওকত ওসমান, শহীদুল্লা কায়সার, আবু ইসহাকের মতো কৃতী ঔপন্যাসিকগণ। এরপরও কোথায় যেন শূন্যতা ছিল – আধুনিক কথাসাহিত্যের প্রকরণে…
-

অদ্বৈত মল্লবর্মণের সংগীতমানস
একটিমাত্র সাহিত্যকর্মের জন্য নিজ ভাষার সাহিত্যে এমনকি বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষার সাহিত্যের ইতিহাসে এমন বিরলপ্রজদের একজন, বাংলাসাহিত্যের অকালপ্রয়াত কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১৯১৪-৫১)। আধুনিক বাংলা সাহিত্যে উচ্চবর্গের এবং উচ্চবর্ণের একচ্ছত্র আধিপত্যের মধ্যে, বলতে গেলে, প্রায় একমাত্র নিম্নবর্গের লেখক অদ্বৈত মল্লবর্মণ তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের মাধ্যমে কালোত্তীর্ণ অক্ষয় একটি আসন পেতে বসে আছেন।…
-

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ছোটগল্পে চেতনাপ্রবাহরীতি
তত্ত্বগত দিক থেকে দেখলে বলা যায়, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ছোটগল্পের বুনটে নানা রীতি-পদ্ধতির এক অপূর্ব সংশ্লেষ ঘটেছে। গল্পের গঠনশৈলীতে কেবল নয়, এটা ঘটেছে বিষয়-ভাবনার নানা স্রোতের সম্মিলনীতেও। তাঁর উপন্যাসও এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম নয়। ইলিয়াস প্রবলভাবে সমাজ-সচেতন লেখক। এমন কিছু গল্প তাঁর আছে যেখানে ব্যক্তিচৈতন্যের অন্তর্গূঢ় ভাবনা প্রাধান্য পেয়েছে, সমাজ তথা রাষ্ট্রের যেখানে প্রত্যক্ষতা নেই, সেখানেও ইলিয়াস…
-

জল-বন্দনা
এসো এসো হে তৃষ্ণার জল, কলকল্ ছলছল্… ভেদ করো কঠিনের ক্রূর বক্ষতল কলকল্ ছলছল্ ॥ – রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথের এই গানের বাণীর ভাবার্থ – কঠিনের ক্রূর বক্ষতল ভেদ করার চেষ্টা-না করে বরং জল নিয়ে জলো কথা দিয়েই শুরু করা যাক। আমরা সবাই জানি, পৃথিবীর তিন ভাগ জল, এক ভাগ স্থল। বিজ্ঞান বলে, দুটি হাইড্রোজেন…
-

স্বর্ণতৃষা
নাহ, এয়ারপোর্টে কোনো অসুবিধা হয়নি। যদিও ঢাকা এয়ারপোর্টে সমস্যা হতে পারে – এরকম একটা আশঙ্কা মেজর আজমত শিরওয়ানীর ছিল। তবে পাসপোর্টের তথ্যে তিনি তো কোনো ‘মেজর’ নন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রাক্তন অফিসারও নন। স্রেফ ‘আজমত শিরওয়ানী’ নামে দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ী। ফলে সমস্যা হওয়ার কথাও ছিল না। তবে ঢাকা এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশনে মেজর আজমত শিরওয়ানীর যে কোনো সমস্যা…
-

ভুখ
তোর বহুত ভুখ, তাই না রে বউ? জাবেদ আলি পাশে শুয়ে থাকা কমলার তপ্ত পিঠে হাত বুলিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলো। প্রথমে কিছু বুঝতে পারলো না কমলা, তারপর বালিশ থেকে মাথা তুলে জাবেদ আলির মুখের দিকে তাকিয়ে আবার শুয়ে পড়লো। দুপুর পর্যন্ত চালকলে কাজ করে খুব ক্লান্ত। তার ওপর ফিরে এসে জাবেদ আলিকে গোসল করিয়ে খাইয়ে…
-

মজা নদীর মানুষ
লু ঙ্গি পর্যন্ত খোলা পিঠটা চিকচিক করছে। ঘামের ওপর পড়ছে জ্যৈষ্ঠের রোদ। খালি গায়ে আছে কুদ্দুস। লুঙ্গিটা অবশ্য আঁটসাঁট করে বাঁধা। তার গিঁটের মতো কুদ্দুসের শরীরখানাতেও গিঁট পড়ে গেছে। যেভাবে নদীটা শুকিয়ে খোল পড়ে গেছে, তার শরীরটাও সেরকম একটা খোল। বিত্তির খিলের মতো হাড় বেরিয়ে এসেছে কবেই! এই হাড়গিলে শরীরটায় রোদ পড়লে বুকের বাতিগুলি স্পষ্ট…
-

রফিকের বন্ধুত্ব : ক্ষণকালের ও চিরকালের
মোহাম্মদ রফিকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল সহপাঠী আলতাফের মাধ্যমে। আলতাফ বাংলায় পড়ত, আমি ইংরেজিতে। তখনই ওর কবিখ্যাতি কিছু হয়েছে, কণ্ঠস্বরে কবিতা ছাড়াও রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে একটি অসাধারণ গদ্য প্রকাশিত হয়েছে। সেই লেখায় আলতাফ গীতবিতানকে বলেছিল সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ। নোবেলপ্রাপ্তির আগেই গীতাঞ্জলি ও রবীন্দ্রনাথের আরো অনুবাদ পড়ে আইরিশ ইংরেজ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস তাঁর কিছু গানের মধ্যে অধ্যাত্ম…
-
মোহাম্মদ রফিকের কবিতা
আত্মজৈবনিক তুমি-আমি যোগ-বিয়োগের ফলাফল একটি দাঙ্গা, তোমাকে করেছে ভিনদেশি – আর আমি পরবাসী নিজ দেশে; তুমি-আমি শূন্যের কোঠায় শ্বাস নিই একটি যুদ্ধ বেশুমার স্মৃতিবহ স্বাধীনতা ফিরে আসা দগ্ধগৃহে : দেশ-দেশান্তরে বিভাজন রেখা টেনে দিলে তুমি আজ কালের গহ্বরে অমলিন আমি ধুঁকে মরি আত্মধিক্কারে লজ্জায়; তুমি আজ বিস্মৃতির সহচর বিস্তারিত নীলিমায় সন্ধ্যামণি ফুল, আর আমি অর্ধমৃত…
-

মিলান কুন্ডেরা : উপন্যাসে অস্তিত্ব এবং চেতনার প্রভাব
সম্প্রতি প্রয়াত চেক লেখক মিলান কুন্ডেরার দ্য আনবিয়ারেবল লাইটনেস অফ বিইং উপন্যাসটির কথা স্মরণ করে লেখাটি শুরু করা যাক। এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র টমাসের চাকরিচ্যুতি, হাসপাতালের সার্জন থেকে উইন্ডো ক্লিনার হওয়া, কখনো নিজের স্ত্রীর ওপর বিরাগভাজন হয়ে অন্য মহিলাদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে জড়ানো – এরকম টুকরো টুকরো গল্পে উপন্যাসটি সাজানো, যেসব গল্পে জড়িয়ে থাকে…
-

নানা-নানি : প্রথম পর্ব
জ্ঞান হওয়া থেকে নানিকে সবসময় পাশে পেয়েছি। নানা কলকাতায় এক ব্রিটিশ জাহাজ কোম্পানির ডাক্তারের সহকারী, অর্থাৎ কম্পাউন্ডার। কম্পাউন্ডারের কাজ হলো ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী শুকনো ওষুধ অনুপাতমতো মিশিয়ে মিক্সচার তৈরি করে দেওয়া। ওষুধের শিশি স্বচ্ছ বা পাটকিলে রঙের হতো। এই শিশির গায়ে কাঁচি দিয়ে নকশা করে কাগজ কেটে লেই দিয়ে সেঁটে দেওয়া। দিনে ক-দাগ খাবে তা…
-

সালমান রুশদির ‘মধ্যরাতের সন্তানেরা’ বুকারপ্রাপ্তির চার দশক
সালমান রুশদির (১৯৪৭) বিখ্যাত উপন্যাস মিডনাইটস চিলড্রেন তথা ‘মধ্যরাতের সন্তানেরা’ প্রকাশের চল্লিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮১ সালে বিলেতে। সে-বছরই উপন্যাসটি ব্রিটেনের সাহিত্যাঙ্গনের সর্বশ্রেষ্ঠ পুরস্কার বুকার লাভ করে; রুশদি পান তারকাখ্যাতি। ‘আমি নিদ্রা হতে উত্থিত হয়ে দেখলাম আমার নাম ছড়িয়েছে দেশজুড়ে।’ রোমান্টিক যুগের ইংরেজি কবি বায়রনের (১৭৮৮-১৮২৪) মতো রুশদিও এমনটি বলতে পারতেন…
-
পদ্ম
ডুবিল আসমানের তারা চান্দে না যায় দেখা। সোনালী চান্নির রহিত আবে পড়ল ঢাকা॥ – মৈমনসিংহ গীতিকা সখী, সখী আমার মরিবে সে, মরিবে নিশ্চয় জানি; জানি না কোন ঘোরে যে উঠিল এমন তুমুল ঝড় চাঁদ-তারা ডুবিল ঘন মেঘের ভিতর, ভাঙিল ঘর আর ছাড়িল শখের সংসার সন্তান আর বন্ধু ছিল যত। এখন নিঃসঙ্গ পথে পথে…
-
গহনে যে আকাশ
ঊরুর গহনে যে আকাশ ‘খ’-পুষ্প সেখানে ঝরে, চন্দ্র-সূর্য, আছে গ্রহতারা আলোময় জন্ম, মৃত্যু; বলো, গিরিমুখ খুলে গেলে কী আহুতি। পারে পারে ঘাট কত মায়াবন, মরা ইতিহাস সেতুর ওপরে ওই দাঁড়িয়ে পথিক। বলো হে অক্ষরমালা, আজন্ম ঝঞ্ঝাট; অকিঞ্চিৎ লাগে জীবনের বাড়ি ফেরা।
-
অশেষ উপসংহার
১ আমি কি এক অচেনা জলবায়ু? স্তম্ভিত ভাঙার অন্তঃপটরেখা। যদি তাই … আমি কি ছিলাম তোমার নিদ্রাহীনতা? যে তোমাকে প্রত্নসত্য বলে দিত। ঋতু এলোমেলো, কখন হেমন্ত গেছে, বৃষ্টি অন্য চলনে এলো, শীতে অনেক শালিক মরে গেছে। যদি তাই … নীরবে বাড়াই হাত কাদা থেকে তুলতে বেড়ালের শাবক। উড়ে যায় অন্ধকার ফুটিয়ে জীবন্ত জীবাশ্ম-স্মৃতি।…
-
বাবার দৃষ্টির মুগ্ধতা
কিছুই লাগতো না জানি বাবার জমির একমুঠো কলই শাক ছাড়া অথচ অসুরের মতো ছিঁড়ে আনলি ফসলসমেত গোটা মাঠখানি। কিছুই লাগতো না জানি বাবার গাছের একটি কচি ডাব ছাড়া অথচ দানবের মতো ঘাড়ে করে বয়ে আনলি আস্ত দিঘিটাই। কিছুই লাগতো না জানি বাবার ভিটের একমুঠো বাসক ফুল ছাড়া অথচ দৈত্যের মতো ছিঁড়ে আনলি গোলাপের পুরোটা সংসার।…
-
কিছু কথা
একটা সুন্দর দৃশ্য শতধারায় মনে থাকে অনেক কাল। বহু অনুপম ঘটনা জীবনের শূন্যরেখা পর্যন্ত – যায়। কিছু কথা মন থেকে মোছে না কখনো। রক্তের প্রবাহে লেখা হয় চেতনার চিলেকোঠায় থেকে যায় কিছু সুবাস জাগানো কথা। আদিগন্ত সবুজে ভরা দুই একটা হাসি কান্না। সাগরের ঢেউ হয়ে ঘুরে বেড়ায় স্রোতে স্রোতে দুই একটা চোখের চাওয়া। প্রেম-চোখ, ভালোবাসা-চোখ…
-
সংক্রামক
দৃশ্যত ভয়ানক একটা কিছু হয়ে যেতে যেতে এক হ্যাঁচকায় অন্ধকার খাঁড়ির গা থেকে পিছলে যাওয়া পা-টাকে নিরাপদ আশ্রয়ে তুলে আনলাম। আমারই বরাতজোরে এ-যাত্রায় বিবশ প্রাণটুকু রক্ষা পেল! নইলে নিশ্চিত মরণ থেকে স্বয়ং ঈশ^রও বাঁচাতে পারতো কি না সন্দেহ। কিন্তু জীবন এ-কোন মোহনবাঁশির সুরে ভোলায় আমাকে? পাহাড়ে ধস নামলে যেভাবে নিম্নগামী পাথর পতনোন্মুখ হয়ে পড়ে অথবা…
-
দম্পতি
রাত বাড়ে কিন্তু ওরা ঘুমাতে যায় না রাত আরো বাড়ে ওরা হাঁটে এ-ঘর থেকে ও-ঘরে ও-ঘর থেকে বারান্দায় বারান্দা থেকে আবার অনেক ভেতরে ওরা হেঁটে বেড়ায়। ঘুম যায় না! গভীর অন্ধকার ডিম লাইটের অস্পষ্টতার সাথে মিলেমিশে ঘন এক আবেগের জন্ম দেয় এলোমেলো বুকের ওপর গরম নিশ্বাস পড়ে তারপর একসময় কথা শেষ হয় নড়াচড়া থেমে যায়…
-
দুধভাত
ভাবছি কোথায় আছি কানের কাছে হাওয়ার ফিসফিস খিদে পেলে দুধভাত খেতে বলছে কেউ দুধ কি সহজলভ্য, আর ভাত জোটে কি সহজে? চুরি হওয়ার পর মাছগুলো উড়ে গেছে দূরে কোথাও ভাবছি কোথায় আছি দেখছি মেঘের সাজ কেউ একজন বলছে ফুলের কথা অথচ লতা দেখে পাচ্ছি ভয়, যেন সরীসৃপ! কী নিয়ে লিখবো কবিতা দুধভাত খেতে বলছে কেউ…
-
কবিতাকাশের গুচ্ছ
১. পান্হপাদপ হতে চেয়েছি – ক্লান্ত বাউলের ছদ্মবেশে যদি আসো তুমি, একতারা থেকে হয়তো সুর ঝরবে না, হয়তো কোনো না-শোনা গান কখনো শোনা হবে না, হয়তো আমাকে চিনতেই পারবে না, ফিরে যাবে – ফিরেও তাকাবে না; তবু যদি আসতে। ২. ধুলোভরা পথ হতে চেয়েছি – তোমার দুপায়ে জড়িয়ে…
-
এক জীবন
এক জীবন যাপন করার সাহস রাখি; রাত হলে শব্দবান্ধবে ভবনদী পাড়ি দিই; একমুখী কুটিরের রোদ-সোনা মেঝেতে দণ্ডমুণ্ডের কর্তাকে নিয়ে পাশ ফিরে শুই। এক জীবন গুহামুখী আঁধারে চারিধার; বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে, মন ভালো সহবত; বিষম বিস্ময়ে, বিস্মরণে, দিন গুজরানো; মধ্যে মধ্যে সামাজিক, বাকি দিন যাযাবর।
-
জানি বৃষ্টি আসবেই
সারাদিন বৃষ্টি-প্রার্থনায় থাকি একটুকরো মেঘের জন্যই প্রত্যাশা এমনকি রাত্রিও যায় বিষণ্ন রোদনে মাঠজুড়ে ধানকন্যার কষ্টের প্রলাপ মেঘেরা উড়ে উড়ে বনবাসে যায়, চৈত্র কি শাওন কি পৌষের হিম কোথাও বৃষ্টি নেই জনপদে শিশুদের তীক্ষ্ণ বিলাপ মায়েদের শুষ্ক ওলান, তবে এর সবকিছুই ক্ষণিক যেমন রাত্রি দিনের জন্যই নামে যেমন চমৎকার সকাল উপ্ত থাকে শর্বরীর ঘনকৃষ্ণ খামে তেমনি…
