2023
-
অনেক পুরোনো দিন
পুরোনো দিনের কোনো কুহকি জগতে আছ আবার বিভ্রমে নেইও তুমি যেথা – সেই পুরোনো দিনের সৌরতাপে, পৃথিবীর মেঘগুলো কতটা কেমন গলে যায়, আর ভাঙা বাড়ির টিনের চাল উড়ে গেলে বৃষ্টির ঝমঝমিয়া বড় বড় ফোঁটা কখন কোথায় পড়বে? স্মৃতির শিখায় কতবার দপদপ ঘুরবে জাফর স্যারের ছোট মেয়ে – স্কুলের পেছনে মøান পানাপুকুরে যে জলখেলার আগেই ডুবে…
-
বিশালাক্ষী – সাতশত উনিশ
কাঠে রাখা হলো এ-দেহের ভার কাটে পোকা সৌন্দর্যের সমাহার। এ-শরীর রাখে না বিগত চিহ্ন কোনো বৃথা লবেজান হয় পেতে সকাল সঘন। রূপ মরে ঘুরে তান, থাকে বেলা তামসিক চিদাকাশ শতরূপা, প্রব্রজ্যা গৈরিক।
-
আসা-যাওয়ার চিত্রনাট্যে
বহু বাঁকাচোরা গন্তব্য নিয়ে মরে যাচ্ছে ০১টা জোড় সংখ্যার বছর! হই হই ওই জিতে গেছে আর্জেন্টিনা ছত্রিশা অপেক্ষার পর, বিজয়ী পতাকার তলে পেলের কবর। যা ছিল চলার তারও চেয়ে নিয়মনিষ্ঠায় চলিতেছে সার্কাস। পলকা পৃথিবী ভারী হচ্ছে এত এত শিয়ালের শ^াস! প্রেমেরা সাবেক আর আসন্ন জারি থাকুক ব্রেকাপের বিউটিসহ সঙ্গমের ক্লাস। সুগার বাড়ুক চেখে দেখা চলুক…
-
ছায়াযান
আকস্মিক প্রশ্ন করি : তুমি কি কখনো ক্লান্ত হও? কুয়াশার তন্তুজালে মিশে আছে মুখ – হিম ঘেরা হিমাঙ্কের অনেক গভীর থেকে মেলে না উত্তর যখন দেখেছি তাকে – চোখের কোনায় দাগ ছিল নতমুখে ছিলাম দাঁড়িয়ে – সেদিন বলিনি কিছু কী খবর? ভালো? স্মিত হেসে চলে গেল ছায়াপিণ্ড জন্মান্ধের মতো থাকি – হƒদয় উজাড় করে দিয়ে…
-
বিহঙ্গ বয়ান
দু-একটা দিন হোক না রঙিন, মন বাসরী ধরুক পূর্ণিমা চাঁদ রুপার পরাগ আদর হয়ে ঝরুক, ভোর বিহানে ছাঁদ কাননে ঘড়ছাড়া তুই যুবা, তোর চরণে জবার পরাগ ছড়িয়ে দিলো কেবা? কে বা রে তোর স্বপ্নে আসে স্বর্ণচাঁপা হয়ে, ঘুম গেলেও ঘোর কাটে না ফেলে যাওয়া ঘ্রাণে, কে বা এমন মেঘের মতন ছড়িয়ে দেওয়া কেশে , পেছন…
-
আমি চাই না তোমাকে স্পর্শ ক’রে একাকিত্ব
কখনো-সখনো মানুষ নিজেই নিজের সঙ্গে কথা বলে চরম একাকিত্বে ঘোরপ্যাঁচ খেতে খেতে মনেতে রংঢং ভাব উদ্ভব হয় না আমি ভুলেও চাই না এমন অপ্রিয় পরিস্থিতির মুখোমুখি তুমি হও আর চাকচিক্য সুরম্য প্রাসাদে অধিক সুখে আটক তুমি আঁকো ঘরময় নিরন্তর একাকিত্বের পোর্ট্রেট
-
ফিরি বারেবারে লাউ জাংলায়
তামাটে রমণী আমার ঘরণী নদীটার মতো বয় অবিরত ঘাম দিয়ে আঁকে প্রেম লিখে রাখে মাটি ও বালিতে মনের কালিতে ভাঙা নদী বাঁক জোনাকির ঝাঁক হাটুরের ডাক স্মৃতি মউচাক প্রাচীন কাঁকরে নখের আঁচড়ে শরীরের ভাষা মনে যত আশা ঘাসেদের বনে পাখিদের মনে হাট-ফেরা স্বামী …
-
নীল অপরাজিতা
একটা কুমারী ফুল, সদ্য ফুটেছে, কারো নজরে পড়েনি, যেমন কোমল রং, তেমন মৃদু পুরুত্ব, সে কেবল হাসছে, আর তার চারপাশে যা যা আছে, গাছ-পাতা, দূরের সূর্য, বাগানের মালি, প্রজাপতি, সবাইকে ডাকছে, বলছে – দেখো আমি ফুটেছি আমি ফুটেছি, আমাকে একবার ছুঁয়ে দাও; একটা গন্ধগোকূলের ইচ্ছে অপরাজিতা ফুলের সঙ্গে দেখা করবে; ফুল তো কুমারিত্ব হারানোর ভয়ে…
-
প্রজাপতির মৃত্যু
উপত্যকায় দাঁড়িয়ে দেখেছি – প্রজাপতির মৃত্যু ডানা থেকে খসে পড়ে অস্ফুট পৃথিবীর গোপন শব্দ ছাল-বাকল ছাড়ানো পত্র থেকে গড়িয়ে পড়েছে চৌষট্টি কলার শৃঙ্গার মুহূর্ত অপরূপ বৃষ্টি ভেজার পর পুরোধা সেজে উঠি, প্রণয়পুরুষ তর্জনীতে জমে ওঠা নীল মেঘে খেলছে – হরিণীর অশান্ত রমণ প্রজাপতিটা উড়তে চেয়েছিল, অবুঝ খিলানে ততক্ষণে যোনিকুম্ভে দাউ দাউ জ্বলে উঠেছে…
-
মেঘের শোভাযাত্রা
কী বিনিন্দিত বেদনার কারুকাজ ঝুলে আছে দেখো – বাতাসের কার্নিশে আর ধ্বস্ত মেঘের মিনারে – অথচ আমি তো কেবল কুড়াতে চেয়েছি সমবেত বকুলের শোভা, সংগীতজ্ঞ পাখিদের কাকলি আর সামান্য অনুরাগের অস্পষ্ট ইশারা – মোমের আলোতে জ্বলে ওঠা তোমার নম্র মুখের স্নিগ্ধতার মতো – এমন সুতীব্র অসুখের দিনে তোমার উজ্জ্বল অগোছালো স্মৃতি নির্ভুল ওষুধের মতো কাজ…
-
অস্পষ্ট
মধুকর তো ফুলের কাছে আসবেই। মিছে মায়াজালে মায়াডোরে বেঁধে। নতুন কূজনে মনে সাড়া জাগবেই, লহমায় আঁখি কী জানে কেন সে কাঁদে! হরণকারী নিজেকে চেনে না বোঝে না! কল্পলোকের কৃষ্ণকে সে মনে বাঁধে। সিদ্ধপুরুষ কাকে বলে সে জানে না! দণ্ডবিধান তাকে ফেলে মহাফাঁদে। দিশেহারার দিশারী হওয়ার আশায়। কীর্তন সুরে রাধা হলাম সেধে। টিপ্পনী আর বাহুর রঙ্গ…
-

বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ২০২২
২০২২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান ফ্রান্সের প্যারিস সাচ্লে এবং ইকল্ পলিটেকনিকের অধ্যাপক আঁলা আসপেক্ট (Alain Aspect), যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ ক্লোজার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটের গবেষj জন এফ ক্লোজার (John F. Clauser) এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যান্থন সাইলিংগার (Anton Zeilinger) । রাজকীয় সুইডিশ বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি তাদের প্রেস রিলিজে উল্লেখ করে যে, for experiments with entangled photons,…
